ফনেটিক ইউনিজয়
চলচ্চিত্র পুরস্কার

‘পুরস্কার’ চলচ্চিত্রটি বাংলাদেশি ও বাংলা ভাষার শিশুতোষ চলচ্চিত্র হিসেবে ১৯৮৩ সালে মুক্তি পায়। ১৯৮৩ সালে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারসহ পাঁচটি বিভাগে পুরস্কার লাভ করে। রাশিয়ার ‘তাসখন্দ চলচ্চিত্র উৎসব’, ‘দিল্লি আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব’-এ চলচ্চিত্রটি প্রদর্শিত হলে প্রশংসা লাভ করে। স্নেহ-মমতাবঞ্চিত কিশোররাই জড়িয়ে পড়ে অপরাধে। আবার কখনও সামাজের কুচক্রীদের হীন মানসিকতা ও ষড়যন্ত্রের শিকার হয় অনেক কিশোর।  কিশোর অপরাধী হিসেবে বন্দি থেকে নাজেহাল জীবনে কখনও কখনও মেলে স্নেহ-মমতার আলয়। বন্ধুত্বই ফিরিয়ে আনতে পারে অপরাধ থেকে সোনালি জীবনে, আত্মত্যাগের মাধ্যমে বন্ধুত্বের দাবি কত বড় হতে পারে, সে কাহিনি ‘পুরস্কার’ চলচ্চিত্রে স্থান পেয়েছে। কাহিনি ও চিত্রনাট্য লিখেছিলেন সব্যসাচী লেখক সৈয়দ শামসুল হক। চলচ্চিত্রটিতে রতন চরিত্রে অসাধারণ অভিনয় করেছিলেন সুমন আর বাদশাহ চরিত্রে অনন্য অভিনয়ের জন্য শাকিলও পেয়েছিলেন জাতীয় পুরস্কার। অন্যান্য চরিত্রে অভিনয় করেছেন বুলবুল আহমেদ, জয়শ্রী কবির, ইনাম আহমেদ, শওকত আকবর, সাইফুদ্দিন, এটিএম শামসুজ্জামান, আখতার হোসেন, অরূপ রতন চৌধুরী, বাবর, আনিস ও সুষমা। চলচ্চিত্রটির চিত্র গ্রাহক আনোয়ার হোসেন। ‘পুরস্কার’ চলচ্চিত্রের

‘হার-জিত চিরদিন থাকবে
তবুও এগিয়ে যেতে হবে,
বাধা-বিঘ্ন না পেরিয়ে
বড় হয়েছে কে কবে?’

এ হৃদয়গ্রাহ্য গান আজও বাংলার মানুষের মুখে মুখে। গীতিকার গাজী মাজহারুল আনোয়ারের লেখা ও সত্য সাহার সুরে গানগুলোতে কণ্ঠ দিয়েছিলেন সাবিনা ইয়াসমীন, সামিনা চৌধুৃরী ও আবিদা সুলতানা। রমলা সাহার প্রযোজনায় স্বরলিপি ফিল্ম ডিস্ট্রিবিউটরস থেকে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘পুরস্কার’ চলচ্চিত্রের পরিচালক সিবি জামান। কিশোর অপরাধীদের নিয়ে প্রথম বাংলা চলচ্চিত্র এটি।

Disconnect