ফনেটিক ইউনিজয়
প্রাকৃতজনকে ঘিরে স্মৃতির আলো-আঁধারি
মতিন রায়হান

ইতিহাসের আলো-আঁধারি ঘোরপথে তিনি ছিলেন এক পরাক্রান্ত অশ্বারোহী। ধুলো উড়িয়ে খটখট শব্দে অশ্ব ছুটিয়ে চলতেন প্রত্ন ইতিহাসের পথেপ্রান্তরে। চারপাশের বিচিত্র মানুষ আর মানুষের সংগ্রাম সময় ও প্রকৃতির সঙ্গে মিলেমিশে তৈরি করত যেন এক অন্য রকম প্রেক্ষিত, যা অনুসন্ধিৎসু মানুষের কৌতূহলের দরজায় অনবরত কড়া নাড়ত। একদিকে তিনি যেমন জীবনের জায়মান বাস্তবতাকে ধারণ করেছেন, তেমনি অন্যদিকে গভীরতর নিষ্ঠা ও অন্তরঙ্গতায় চোখ ফেলেছেন ভবিষ্যৎ স্বপ্নের দিকেও। তাঁর গল্প-উপন্যাসের চরিত্রগুলো যেন বড় মমতা আর সমবেদনার মিশেলে তৈরি, পড়তে পড়তে পাঠক বোধ করেন নিবিড় একাত্মতা। বলছিলাম, শক্তিমান কথাশিল্পী শওকত আলীর কথা, তাঁর স্বপ্ন ও নির্মাণের শিকড়মূলের কথা।
২০০৮ সালের ৯ এপ্রিল সকালে মুখোমুখি হয়েছিলাম এই শক্তিমান লেখকের। ঢাকার ৪২/বি হাটখোলায় তাঁর নিজস্ব বাসভবনে। সঙ্গে ছিলেন ফ্যাশন ও লাইফস্টাইল ম্যাগাজিন ক্যানভাস-এর আলোকচিত্রী (বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী) আরমান হোসেন বাপ্পি। উপলক্ষ : ক্যানভাস-এর ‘আলোকিত ব্যক্তিত্ব’ বিভাগে তাঁকে নিয়ে লেখা। আমরা পৌঁছার আগে থেকেই বাড়ির সামনের রাস্তায় তিনি পায়চারি করছিলেন। পরিচয় দিতেই তিনি বললেন, বুঝতে পেরেছি। ওখানে দাঁড়িয়েই কথায় কথায় তিনি চলে গেলেন বাঙালি জাতিসত্তার নানা গুরুত্বপূর্ণ প্রসঙ্গে। ব্রিটিশ শাসনামলের নানা প্রসঙ্গও ঘুরপাক খাচ্ছিল তখন। কথায় কথায় উঠে আসে দ্বিজাতিতত্ত্বের ভিত্তিতে ভারত বিভাজনের প্রসঙ্গও। তিনি শোনান, বাংলা ভাষাভাষী মানুষকে নিয়ে একটি স্বতন্ত্র রাষ্ট্র নির্মাণের সম্ভাবনা কীভাবে বিনষ্ট হয়ে যায় ঔপনিবেশিক শাসকদের কূটচালে। আর মাতৃভাষার ওপর তথাকথিত রাষ্ট্রভাষা চাপিয়ে দেওয়ার অন্যায় আয়োজন কীভাবে দ্বিজাতিতত্ত্বের ভিত্তিতে গড়ে ওঠা একটি রাষ্ট্রকে জন্মলগ্নেই বিভ্রান্তির চোরাবালিতে নিক্ষেপ করে, সে কথাও শোনান তিনি। তারপর বাড়ির সরু সিঁড়িতে ধীরে ধীরে পা ফেলে উঠে যাই তাঁর তিনতলার বসার ঘরে। পুরান ঢাকার একটি গলির এই বাড়ির নিচতলায় একসময় ভাড়া থাকতেন বাংলা সাহিত্যের আরেক শক্তিমান লেখক আখতারুজ্জামান ইলিয়াস। বুঝতে অসুবিধে হচ্ছে না, একই বাড়িতে এমন দুই লেখকের সহাবস্থানের সেই দিনগুলো কতটা বর্ণিল ছিল! গল্প-আড্ডা আর নানা তক-বিতর্কে নিশ্চয়ই কেটে যেত একটানা ঘণ্টার পর ঘণ্টা। কিন্তু সবই আজ ঠাঁই নিয়েছে অতীতের খেরোখাতায়। কারণ আখতারুজ্জামান ইলিয়াস আজ প্রয়াত। আর গত ২৫ জানুয়ারি (২০১৮) প্রয়াত হয়েছেন আমাদের শক্তিমান সাহিত্যস্রষ্টা শওকত আলী।
প্রিয় পাঠক, এই অতীতচারিতা বাদ দিয়ে এবার বাস্তবে ফিরি। শুরুতেই বরেণ্য লেখককে বলি, আজ আপনার জীবনের গল্প শুনতে এসেছি। তিনি জানান, নানা অসুখবিসুখে দিন কাটছে তাঁর। অনেক কিছুই মনে নেই কিংবা মনে থাকে না। তবু ভাসা-ভাসা বলে চললেন তাঁর জীবনের গল্প। চলুন পাঠক, আমরা তাঁর সঙ্গেই পা ফেলি।
প্রদোষে প্রাকৃতজন-এর স্রষ্টা শওকত আলীর জন্ম ১৯৩৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি। পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান উত্তর দিনাজপুর জেলার রায়গঞ্জে। বাবা খোরশেদ আলী সরকার ছিলেন খ্যাতিমান হোমিও চিকিৎসক। ছিলেন কংগ্রেসের একনিষ্ঠ কর্মীও। আটচল্লিশ সালের উপনির্বাচনে তিনি এমএলএ প্রার্থীও হয়েছিলেন। ১৯৫২ সালে শওকত আলী যখন দুই বোন ও চার ভাইকে নিয়ে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের দিনাজপুর শহরে চলে আসেন, তখন তাঁদের সঙ্গে বাবা আসেননি। বাবার যুক্তি- তিনি কংগ্রেস করেন, তাই পাকিস্তানে আসবেন না। পরে অবশ্য আসতে বাধ্য হয়েছিলেন। কংগ্রেসের এই একনিষ্ঠ কর্মী একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে শহিদ হন। শওকত আলীর মা সালেমা খাতুন। শ্রীরামপুর টেক্সটাইল ইনস্টিটিউট থেকে তিনি ডিপ্লোমা ডিগ্রি অর্জন করেন। কর্মজীবনে মা ছিলেন রায়গঞ্জ গার্লস হাইস্কুলের শিক্ষিকা। তিনি মারা যান ১৯৪৯ সালে।
শওকত আলীর লেখাপড়ার হাতেখড়ি মায়ের কাছেই। মা যখন শ্রীরামপুর টেক্সটাইলে পড়ছেন, তখন উইলিয়াম কেরি প্রতিষ্ঠিত শ্রীরামপুর মিশনারি স্কুলে ক্লাস ওয়ানে ছেলেকে ভর্তি করিয়ে দেওয়া হয়। অবশ্য ক্লাস টুতে পড়ার সুযোগ ঘটেনি তাঁর। কিশোর শওকতকে তারপর ভর্তি করা হয় রায়গঞ্জ করোনেশন স্কুলে। সে সময় অসাধারণ স্মৃতিশক্তি ছিল তাঁর। বাবার বন্ধুরা কিশোর শওকতের কাছে দিনের পত্রিকার খবর জানতে চাইলে গড়গড় করে সে সব বলে যেত। অষ্টম শ্রেণিতে পড়ার সময় একবার বেশ জ¦র হয় তাঁর। ওই জ¦রেই শওকতের মনে রাখার অসাধারণ সেই শক্তি অনেকটাই হারিয়ে যায়। করোনেশন স্কুল থেকেই ১৯৫১ সালে মেট্রিক পাস করেন শওকত। প্রথম বিভাগে। ইচ্ছে ছিল ডাক্তার কিংবা শিক্ষক হওয়ার। মা-বাবার পেশাই হয়তো তাঁর মনে অবচেতনে ছায়া ফেলেছিল।
আগেই বলেছি, শওকত আলী ১৯৫২ সালে সপরিবারে দিনাজপুরে চলে আসেন। দিনাজপুর শহরের বাড়িটি অবশ্য ১৯৫৩ সালে কেনা। দিনাজপুরে এসে ইন্টারমিডিয়েটে ভর্তি হন সুরেন্দ্রনাথ কলেজে। কলেজটি কোলকাতা সুরেন্দ্রনাথ কলেজের একটি শাখা। কলেজের প্রিন্সিপাল জিসি দেব পরবর্তী সময়ে যিনি ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ের দর্শনশাস্ত্রের খ্যাতিমান অধ্যাপক হন এবং একাত্তরে পাকিস্তানি হানাদাররা তাঁকে নৃশংসভাবে হত্যা করে। ১৯৫৩ সালে শওকত আলী সুরেন্দ্রনাথ কলেজ থেকে দ্বিতীয় বিভাগে ইন্টারমিডিয়েট পাস করেন। একই কলেজে ভর্তি হন বিএ ক্লাসে। এ সময় ছাত্র ইউনিয়নে যোগ দেন তিনি। ১৯৫৪ সালের মার্চের পার্লামেন্ট নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের পক্ষে কাজ করেন। নির্বাচনে হক-ভাসানীর যুক্তফ্রন্ট নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। ৩ এপ্রিল মন্ত্রিসভা গঠন করা হয়। ৩০ মে আকস্মিক ৯২/ক ধারা জারি হলে শুরু হয় পুলিশের ধরপাকড়। এ সময় শওকত আলীও গ্রেপ্তার হন। জেলে বসেই দেন বিএ টেস্ট পরীক্ষা। জেল থেকে ছাড়া পেয়ে ১৯৫৫ সালে বিএ পরীক্ষা দেন। পাস করেন তৃতীয় বিভাগে। একই বছর ঢাকায় এসে মাস্টার্সে ভর্তি হন ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ে। অসুস্থতার জন্য তাঁকে আবার ফিরে যেতে হয় দিনাজপুরে। পরের বছর রি-অ্যাডমিশন নেন। বাংলা বিভাগ থেকে ১৯৫৮ সালে তিনি মাস্টার্স পাস করেন। এবার পান দ্বিতীয় শ্রেণি। অবশ্য সে বছর কেউ প্রথম শ্রেণি পায়নি। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময়েই তিনি সংবাদপত্রের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন। তখন দৈনিক মিল্লাত-এ পার্টটাইম কাজ করতেন। বসতেন নিউজ ডেস্কে।
শওকত আলীর লেখালেখির শুরু কলেজজীবনেই। প্রথম লেখাটি ছাপা হয় দিনাজপুরের মাসিক নওরোজ পত্রিকায়। এটি ছিল নজরুলের ওপর লেখা একটি গদ্য। ঢাকায় আসার আগেই ঢাকার পত্রিকায় তাঁর লেখা ছাপা হতে শুরু করে। তখন দৈনিক ইত্তেহাদ-এর সাহিত্য সম্পাদক ছিলেন কবি আহসান হাবীব। ইত্তেহাদ-এ তখন শওকত আলীর গল্প ছাপা হয়। তাঁর প্রথম উপন্যাস পিঙ্গল আকাশ প্রকাশিত হয় মাসিক পূবালীর ঈদ সংখ্যায়, সম্ভবত ১৯৬০-৬১ সালে। পত্রিকাটির সম্পাদক ছিলেন মোহাম্মদ মাহ্ফুজউল্লাহ্।
অবশ্য এর আগেই অধ্যাপনা দিয়ে শুরু হয় তাঁর কর্মজীবন। ১৯৫৯ সালে তিনি ঠাকুরগাঁও কলেজে প্রভাষক পদে যোগ দেন। ১৯৬২ সাল পর্যন্ত সেখানে অধ্যাপনা করেন। একই বছর তিনি জগন্নাথ কলেজে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে যোগ দেন। শুরু হলো সরকারি কলেজের চাকরি। এখানে ১৯৮৭ সাল পর্যন্ত শিক্ষকতা করেন। চাকরি করেছেন বাংলাদেশ জেলা গেজেটিয়ারেও। প্রথমে সহসম্পাদক, পরে সম্পাদক পদে। সবশেষে সংগীত মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষের দায়িত্বে থাকাকালেই ১৯৯৩ সালে তিনি রিটায়ার করেন। অবশ্য এর আগে ময়মনসিংহ আনন্দমোহন কলেজে প্রফেসর পদে কর্মরত ছিলেন ১৮ দিন। তিনি বেশ আবেগতাড়িত হয়ে আমাদের এসব গল্প শোনাতে থাকেন। শুরুতেই বলেছি একই বাড়িতে একসময় বাস করতেন আমাদের দুই সাহিত্যস্রষ্টা আখতারুজ্জামান ইলিয়াস ও শওকত আলী। কেমন ছিল সেই দিনগুলো? সেলুলয়েডের ফিতায় যদি বন্দি করা যেত সেসব মুহূর্ত! আহা, কী মজাই না হতো! আলোকচিত্রী বাপ্পির ক্যামেরার ফ্লাশ আমাদের আড্ডার মাঝে হঠাৎ হঠাৎ ঝলসে ওঠে। তিনি কখনো বলে ওঠেন : ছবিটা কীভাবে নিলে? দেখি তো কেমন হলো? আশ্চর্য সরলতা তাঁর চোখেমুখে খেলা করে! তাঁর অন্তরঙ্গতায় আমরা দারুণ অভিভূত হই।
বলতে দ্বিধা নেই, শওকত আলীর লেখালেখির জগৎ ছিল একটু অন্য রকম। কেবল লেখার জন্যই তিনি লেখেননি। তাঁর জীবন-দৃষ্টিভঙ্গি গভীরতর অভিনিবেশী। তাঁর দুর্নিবার কৌতূহল ইতিহাস ও নৃতত্ত্বের প্রতি। আদিবাসী মানুষ তাঁর লেখায় পেয়েছে ভিন্নরকম মাত্রা। মানুষের নানামুখী সংগ্রামকে তিনি তাঁর লেখায় জীবন্ত করে তুলেছেন। প্রদোষে প্রাকৃতজন, সম্বল, উত্তরের খেপ, দক্ষিণায়নের দিন, যাত্রা, অপেক্ষা, কুলায় কালস্রোত, পূর্বরাত্রি পূর্বদিন, শুন হে লখিন্দর, গন্তব্যে অতঃপর, ওয়ারিশ, দলিল ইত্যাদি উপন্যাস ও গল্পগ্রন্থ তাঁকে সিরিয়াস পাঠকের কাছে পরিণত করেছে প্রিয় লেখকে। এ ছাড়া রয়েছে ‘শওকত আলীর প্রবন্ধ’ শিরোনামে একটি অসাধারণ মননশীল প্রকাশনা। সে সময় চেষ্টা করছিলেন স্মৃতিকথা লেখার। কিন্তু শারীরিক অসুস্থতায় কুলিয়ে উঠতে পারছিলেন না।
দেশের সব কটি উল্লেখযোগ্য পুরস্কারই অর্জন করেছেন শওকত আলী। ছোটগল্পে মৌলিক অবদানের জন্য ১৯৬৮ সালে পেয়েছেন বাংলা একাডেমি পুরস্কার। মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস যাত্রার জন্য ১৯৭৭ সালে পেয়েছেন বাংলাদেশ লেখক শিবিরের হুমায়ুন কবির স্মৃতি পুরস্কার। শ্রেষ্ঠ উপন্যাস রচনার জন্য দুবার পেয়েছেন ফিলিপস সাহিত্য পুরস্কার। দক্ষিণায়নের দিন-এর জন্য ১৯৮৬ সালে এবং উত্তরের খেপ-এর জন্য ১৯৯২ সালে। বাংলা উপন্যাস রচনায় মৌলিক অবদানের জন্য তিনি রাষ্ট্রীয় একুশে পদকে ভূষিত হন ১৯৯১ সালে। পেয়েছেন আরও অনেক পুরস্কার ও সম্মাননা।
কথায় কথায় আমরা আলো ফেলেছিলাম তাঁর পারিবারিক জীবন প্রসঙ্গেও। স্ত্রী শওকত আরা বেগম লোকান্তরিত হয়েছেন ১৯৯৬ সালে। বেশ গুণপনা ছিল এই নারীর। বাজাতেন সেতার। অসাধারণ ছিল তাঁর হাতের কাজ। মহিলা সমিতিতে তা শেখাতেনও। এ দম্পতির তিন ছেলে। বড় ছেলে আরিফ শওকত। ঢাকা মেডিক্যাল থেকে ডাক্তারি পাস করে তখন আমেরিকাপ্রবাসী। টেনোসির এক ইউনিভার্সিটির মেডিক্যাল সায়েন্সের শিক্ষক। স্ত্রী পিএইচডি করেছেন ওখানেই। এ দম্পতির দুই মেয়ে এক ছেলে। দ্বিতীয় ছেলে আসিফ শওকত। সাংবাদিকতা করেছেন দৈনিক যায়যায়দিন-এ। বিবাহিত। এক ছেলে, এক মেয়ের জনক। ছোট ছেলে গালিব শওকত। এক ছেলের জনক গালিব কাজ করছেন একটি বহুজাতিক ব্যাংকে।
বরেণ্য লেখকের সঙ্গে কথায় কথায় কেটে যায় দু-তিন ঘণ্টা। প্রসঙ্গক্রমে আসে মুক্তিযুদ্ধে অবরুদ্ধ জীবনের কথা। প্রিয় বন্ধুজনের প্রসঙ্গ। দেশভাগের ফলে বাস্তুচ্যুত জীবনের নতুন করে টিকে থাকার লড়াই ক্রমশ ডালপালা মেলে, আসে নানা আন্দোলন-সংগ্রামের প্রসঙ্গ। মুহুর্মুহু ঝলসে ওঠে বাপ্পির ক্যামেরার আলো। ক্যামেরাবন্দি হয় তাঁর মুখাবয়বের নানা ভঙ্গিমা, অভিব্যক্তি। মনে হচ্ছিল যেন ইতিহাসের প্রত্নপথ পেরিয়ে আমরা চলছি কোনো এক আলোকের সন্ধানে, যেখানে দুর্দান্ত খেলায় মত্ত প্রত্নসভ্যতার সাহসী অশ্বারোহীরা। কিন্তু সবই আজ স্মৃতির খাতায় ঠাঁই করে নিয়েছে! তবু বলি, স্যালুট, বাংলা সাহিত্যের হে অশ্বারোহী, তোমাকে স্যালুট।

Disconnect