রিজেন্টের এমডি গ্রেফতার

মহামারি করোনাভাইরাসের (কভিড-১৯) নমুনা পরীক্ষায় প্রতারণার অভিযোগে আলোচিত রিজেন্ট গ্রুপের এমডি মাসুদ পারভেজকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সন্ধ্যার পর গাজীপুর থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এর আগে করোনার নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা না করেই ভুয়া রিপোর্ট দেয়াসহ নানা অনিয়ম ধরা পড়ায় ৭ জুলাই রিজেন্ট হাসপাতালের উত্তরা ও মিরপুর শাখা বন্ধ করে দেয়া হয়।

এর পরপরই রিজেন্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান শাহেদকে প্রধান আসামি করে ১৭ জনের নাম উল্লেখ করে উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা (মামলা নম্বর- ৫) করে র‌্যাব। এর মধ্যে আটজন গ্রেফতার রয়েছেন। ওই মামলায় শাহেদসহ নয়জনকে পলাতক হিসেবে এজাহারভুক্ত করা হয়।

মামলার আসামিরা হলেন- রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শাহেদ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মাসুদ পারভেজ, অ্যাডমিন আহসান হাবীব, এক্সরে টেকনিশিয়ান হাসান, মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট হাকিম আলী, রিসিপশনিস্ট কামরুল ইসলাম, রিজেন্ট গ্রুপের প্রজেক্ট অ্যাডমিন রাকিবুল ইসলাম, রিজেন্ট গ্রুপের এইচআর অ্যাডমিন অমিত অনিক, গাড়িচালক আব্দুস সালাম, নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুর রশীদ খান জুয়েল, হাসপাতালের কর্মচারী তরিকুল ইসলাম, স্টাফ আব্দুর রশিদ খান, স্টাফ শিমুল পারভেজ, কর্মচারী দীপায়ন বসু এবং মাহবুব। 

রিজেন্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান সাহেদের প্রধান সহযোগী তারেক শিবলীকে গ্রেফতার করা হয়। হেফাজতে নেয়া হয় টিভি নাটকের অন্যতম প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ‘টেলিহোম’র প্রধান ও সাহেদের ভায়রা মোহাম্মদ আলী বশিরকে।

বর্তমানে গাঢাকা দিয়ে আছেন রিজেন্ট গ্রুপ ও রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান সাহেদ। মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে পুলিশ।

এদিকে করোনাভাইরাসের নমুনা পরীক্ষা ও আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা দেয়ার নামে প্রতারণা করা রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান সাহেদ করিম ওরফে মো. সাহেদের পাসপোর্ট জব্দ করেছে তদন্তকারী দল। হদিস মিলেছে তার বিরুদ্ধে আরো ২৩ মামলার। মোট ৫৬টি মামলার আসামি প্রতারক সাহেদ।

মন্তব্য করুন

সাপ্তাহিক সাম্প্রতিক দেশকাল ই-পেপার পড়তে ক্লিক করুন

© 2020 Shampratik Deshkal All Rights Reserved. Design & Developed By Root Soft Bangladesh