ফনেটিক ইউনিজয়
মির্জাপুরের ঐতিহ্যবাহী বারুখালি খাল মৃতপ্রায়
নওশাদ রানা সানভী, টাঙ্গাইল

টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলা সদরের পূর্বপাশ দিয়ে প্রবাহিত ঐতিহ্যবাহী বারুখালি খালটি এখন মৃতপ্রায় হয়ে পড়েছে। একশ্রেণির অসাধু চক্রের দখল ও ভরাট করে ঘর-বাড়ি নির্মাণ করায় প্রবহমান খালটির এমন অবস্থা হয়েছে বলে জানা গেছে। ফলে পৌরসভার প্রায় ২৫ হাজার নাগরিক জলাবদ্ধতার হুমকিতে পড়েছে। অভিযোগ উঠেছে, সব জেনেও প্রশাসন নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছেন।
উপজেলা সদরের দক্ষিণে প্রবাহিত লৌহজং এবং উত্তরে বংশাই নদীর মধ্যে সংযোগ স্থাপনকারী বারুখালি খালটি একসময় বারো মাস প্রবহমান থাকত। এমনকি চৈত্র মাসেও এই খালে পানি থই থই করত। কিন্তু ৮০ দশকের শুরু থেকে তৎকালীন ভূমি অফিসের দুর্নীতিবাজ কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারীর যোগসাজশে সদা প্রবহমান এ খালটি জবরদখল শুরু হয়। শহরের আয়তন বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে খালের দখলপ্রক্রিয়াও বাড়তে থাকে। গত কয়েক বছরে খালের দুই পাশের জমি দখল ও ভরাট করে গড়ে তোলা হয়েছে বহুতল ভবন, বাড়িঘর ও দোকানপাট।
বর্তমানেও স্থানীয় কতিপয় অসাধু চক্র ও প্রভাবশালী টাকার বিনিময়ে অথবা রাজনৈতিক পরিচয়ে খাল দখল করে অবৈধভাবে বাড়ি-ঘর, দোকান-পাটসহ নানা স্থাপনা নির্মাণ করছে। খাল ভরাট ও দখলের ফলে লৌহজং ও বংশাই নদের সঙ্গে সংযোগ মুখ বর্তমানে বন্ধ। এতে ঐতিহ্যবাহী খালটি মৃতপ্রায় হয়ে পড়েছে।
এ ব্যাপারে মির্জাপুর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোছা. রুমানা ইয়াসমিন বলেন, নতুন করে কোনো নদী বা খাল দখল করতে দেওয়া হবে না। সামাজিক আন্দোলন সৃষ্টির মাধ্যমে দখল হওয়া খাল পুনরুদ্ধার প্রক্রিয়া চালানো হবে।

Disconnect