ফনেটিক ইউনিজয়
পঙ্গু ওয়াহেদার দায়িত্ব নিলেন পূর্বদেশ সম্পাদক
ইমরান সোহেল, চট্টগ্রাম

চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার চাঁন্দপুর গ্রামের মনগাজি বাড়ির  মোজাহের আলীর মেয়ে ওয়াহেদাকে চমেক হাসপাতালে পায়ের চিকিৎসা করাতে এনে কেটে ফেলা হয়েছিল হাতটিও। অবশেষে সে বাঁ পা ও বাঁ হাত হারিয়ে পঙ্গুত্ববরণ করেন। সে বর্তমানে বাঁশখালীর পুকুরিয়া ইউনিয়নে চাঁন্দপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রথম শ্রেণিতে লেখাপড়া করছে। মায়ের কোলে করে প্রতিদিন স্কুলে যাওয়া-আসায় একমাত্র তার ভরসা। বিশিষ্ট সমাজসেবক, স্মার্ট গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও দৈনিক পূর্বদেশ সম্পাদক মুজিবুর রহমান সিআইপি বাঁশখালীতে স্কুলে যাওয়া অবস্থায় স্বচক্ষে ওয়াহেদা বেগমের এই করুণ দৃশ্য দেখে তিনি আবেগ আপ্লুত হয়ে পড়েন এবং তিনি ৪ নভেম্বর থেকে মেয়েটির দায়িত্বভার নেন। মুজিবুর রহমান সিআইপি প্রাথমিকভাবে ওয়াহেদাকে পঞ্চাশ হাজার টাকার চেক প্রদান করেন।
তিনি বলেন, দরিদ্র পরিবারের পঙ্গু মেয়েটি অসহায় অবস্থায় স্কুলে যাচ্ছে; যা বিবেককে নাড়া দেয়। তাই মেয়েটির দায়িত্ব নিয়েছি। মেয়েটিকে উন্নত মানের কৃত্রিম হাত-পা বানিয়ে দেওয়া হবে এবং প্রতি মাসে লেখাপড়ার খরচ দেওয়া হবে। যাতে মেয়েটি অসহায়ত্ববোধ না করে অন্যান্য স্কুলছাত্রীর মতো বিদ্যালয়ে গিয়ে লেখাপড়া করে উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত হতে পারে। মেয়ের বাবা দিনমজুর ও দরিদ্র মানুষ।
মোজাহের আলী বলেন, ‘চমেক হাসপাতালে ২০১৫ সালের ২৪ আগস্ট মেয়েকে পায়ের চিকিৎসা করাতে এনে তিন চিকিৎসক ও এক ওয়ার্ড বয়ের ভুলের কারণে মেয়ের বাঁ পায়ের সঙ্গে হাতটিও হারাতে হয়েছে। আমি গরিব বলে ন্যায়বিচার পাইনি। আমার মেয়েটির দায়িত্বভার মুজিবুর রহমান সিআইপি নিয়েছেন বিধায় আমি তাঁর কাছে আজীবন কৃতজ্ঞ।’

Disconnect