ফনেটিক ইউনিজয়
হাওরে বীজতলা তৈরিতে সংকট
জাহাঙ্গীর আলম ভুঁইয়া, সুনামগঞ্জ

সুনামগঞ্জের ১১টি উপজেলার হাওরে এবার চলতি বোরো মৌসুমের শুরুতেই পানিই নতুন সংকট শুরু করেছে। অকালবন্যার পানিতে একমাত্র সম্পদ বোরো ধান তলিয়ে যাওয়ার পর অসময়ে বৃষ্টিপাতের কারণে নদী ও হাওরের পানি ধীর গতিতে নামার ফলে জেলার প্রায় ১১টি উপজেলায় বোরো ধানের চারা রোপণের জন্য বীজতলা তৈরিতে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে কৃষকের। ফলে হাওরপারের কৃষকেরা শুরুতেই বীজতলা তৈরি করতে না পারায় আশঙ্কায় রয়েছেন।
তবে হাওরের বাঁধ সঠিকভাবে সঠিক সময়ে তৈরি হলে ক্ষতির আশঙ্কা থাকবে না বলে জানান কৃষকেরা। জানা যায়, এই সময়ে গত বোরো মৌসুমে যেসব বীজতলা বোরো ধানের চারা তৈরি করা শুরু করেছিল, সেই স্থানের পানি এখনো না কমার কারণে বীজতলা তৈরি করতে পারছেন না হাওরপারের কৃষকেরা। এ ছাড়া জেলার সুরমা নদীসহ অন্যান্য নদীর পানি পাঁচ মিটারে প্রবাতিহ হচ্ছে। এই বছর হাওরের পানি দুই মিটারে থাকলেও নদীর পানি পরিমাণে পাঁচ মিটারের বেশি থাকায় হাওরের পানি বের হতে পারছে না। বর্তমানে নদীর পানি প্রতিদিন ১০ সেন্টিমিটার করে কমছে। এভাবে নদীর পানি কমলে চলতি মাসের শেষের দিকে হাওরের পানি দ্রুত হ্রাস পাবে। আর জানুয়ারি মাসের মধ্যে সম্পূর্ণ পানি হাওর থেকে বের হয়ে যাবে।
হাওরপারের কৃষকেরা বলেন, হাওরের পানি না কমায় বীজতলায় এখনো অনেক পানি রয়েছে, তাই বীজতলা তৈরি করতে পারছি না। এদিকে সময় চলে যাচ্ছে। কী করব বুঝতে পারছি না।’ সুনামগঞ্জ জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোহাম্মদ জাহেদুল হক বলেন, বীজতলা তৈরিতে পানি এখন বড় সমস্যা হয়েছে। হাওরের পানি কমছে তবে খুব কম গতিতে। আশা করি, দ্রুত হাওরের পানি কমতে শুরু করবে।

Disconnect