ফনেটিক ইউনিজয়
বাকৃবিতে আটকে আছে শিক্ষক সমিতির নির্বাচন
শাহীন সরদার, বাকৃবি (ময়মনসিংহ)

কমিটির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর ৮ মাসেও বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি। নির্বাচন না হওয়ার শিক্ষক সমিতির দলগুলোর মধ্যে ক্ষোভ ও অসন্তোষের সৃষ্টি হয়েছে। সাধারণ শিক্ষক সমাজের মাঝে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ, উৎকণ্ঠা ও বিভ্রান্তি। সম্প্রতি আওয়ামীপন্থী ‘গণতান্ত্রিক শিক্ষক ফোরাম’ এক বিবৃতিতে দ্রুত শিক্ষক সমিতির নির্বাচনের দাবি জানিয়েছে। চলতি বছরের এপ্রিল মাসে বিএনপিপন্থি শিক্ষকদের সংগঠন ‘সোনালী দল’ও একই দাবি জানিয়েছিল।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বাকৃবি শিক্ষক সমিতি ২০১৬ এর কার্যকাল এ বছরের ৯ মার্চ শেষ হয়। বিশ^বিদ্যালয় প্রশাসনের উদ্যোগে ও উপ-উপাচার্যের নেতৃত্বে গণতান্ত্রিক শিক্ষক ফোরাম এবং সোনালী দলের ৫ জন করে প্রতিনিধির সমন্বয়ে গঠিত কমিটি  শিক্ষক সমিতির নির্বাচন বিষয়ে এ পর্যন্ত ৮টি সভা করার পরও নির্বাচন আয়োজন নিয়ে কোনো সিদ্ধান্তে আসতে পারেননি। জানা গেছে, দফায় দফায় সভা হলেও শিক্ষক সমিতির নির্বাচনের সময় নির্ধারণ করতে পারেনি দুই দল। উপাচার্য ও উপ-উপাচার্যের সঙ্গে আলাদা সভা হলেও বিষয়টি নিয়ে কোনো সুরাহা হয়নি। সোনালী দলসূত্রে জানা যায়, শিক্ষক সমিতির নির্বাচনে ভোট প্রদানের পর দলীয় আনুগত্যের প্রমাণস্বরূপ ‘ব্যালটের ছবি তোলা’ বিষয় নিয়ে অচলাবস্থা হওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি ক্ষুণœ হয়েছে। তৃতীয় সভায় সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত হয়, সব বিতর্ক এড়াতে শিক্ষক সমিতির এবারের নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার করা হবে। এই সম্মতি সত্ত্বেও সোনালী দলের প্রতিনিধিরা তাদের সম্মতির বিষয়টি নিজ দায়িত্বেই দলীয় সাধারণ সভায় অনুমোদন নিয়ে আসার প্রতিশ্রুতি দেন।
সোনালী দলের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক এম হারুন অর রশিদ বলেন, ‘ব্যালটের ছবি তোলা দ্বন্দ্বে এত দিন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি। আমরা শুরু থেকেই বলেছি দ্রুত এ নির্বাচন আয়োজন করার।’
ইভিএম বিষয়ে গণতান্ত্রিক শিক্ষক ফোরামের প্রশ্ন তোলাটাই অযৌক্তিক। এ পদ্ধতিতে নির্বাচন করতে হলে আগে গঠনতন্ত্র পরিবর্তন করতে হবে।

Disconnect