ফনেটিক ইউনিজয়
রংপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে লড়াই হবে ত্রিমুখী
তাওহীদ বারী, রংপুর

দ্বিতীয়বারের মতো রংপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আগামী ২১ ডিসেম্বর। পুরোদমে চলছে রংপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের প্রচারণা। পোষ্টার, লিফলেট আর মাইকিং এ সরব হয়ে ওঠেছে পুরো রংপুর শহর। ভোটাররা বলছেন, এবার তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচন হবে। ভোটের লড়াই হবে ত্রিমুখী। জয় পেতে মরিয়া সব প্রার্থীই। বিজয় ধরে রাখতে চান আওয়ামী লীগ প্রার্থী ও বর্তমান মেয়র সরফুদ্দীন আহমেদ ঝন্টু। এদিকে বিএনপি মনোনিত প্রার্থী কাওছার জামান বাবলার নির্বাচনী প্রচারণায় কোন কমতি নেই। বামপন্থী দল বাসদ এর প্রার্থী হলেন আব্দুল কুদ্দুস।
মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তুষার কান্তি মন্ডল বলেন, রংপুরের জনগণের নৌকা মার্কায় আস্থা আছে। আমরা মহানগর আওয়ামী লীগের ৩৩টি ওয়ার্ডের সভাপতি ও সম্পাদককে নিয়ে বৈঠক করেছি। বৈঠকে নির্বাচন মনিটরিং কমিটি তৈরি করা হয়েছে, তাঁরা প্রতিটি ওয়ার্ডে নৌকা মার্কার পক্ষে কাজ করছেন। এদিকে রংপুর সিটি কর্পোরেশনে নির্বাচনে লাঙ্গলের বিজয় আটকানো যাবে না এমনটাই মন্তব্য করেছেন জাতীয় পার্টির মেয়র প্রার্থী মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা। নির্বাচনে নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে বিএনপি প্রার্থী কাওছার জামান বাবলা বলেন, নির্বাচন উপলক্ষে নেওয়া নিরাপত্তা ব্যবস্থায় আমাদের কোন আস্থা নেই। তাই নির্বাচনে সেনা মোতায়েন করার দাবি জানান তিনি। তবে নির্বাচন কমিশন সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করলে সেনা মোতায়েনের প্রয়োজন নেই বলে মত দিয়েছেন জাতীয় পার্টির প্রার্থী মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা। আর ইসির উদ্যোগের সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন আওয়ামী লীগ প্রার্থী সরফুদ্দীন আহমেদ ঝন্টু।
ইসির দেওয়া তথ্য মতে, এবারের নির্বাচনে প্রত্যেক কেন্দ্রে নেওয়া হবে চার স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা। পুরো সিটি কর্পোরেশনের নিরাপত্তায় থাকবে ৩০০০ পুলিশ, ২১ প্লাটুন বিজিবি ও আনসার বাহিনীর সদস্যরা। ঝুঁকিপূর্ণ প্রত্যেক কেন্দ্রে থাকবে ২২ জন সশস্ত্র আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। প্রত্যেক ওয়ার্ডে নিয়োজিত থাকবেন একজন করে ম্যাজিস্ট্রেট। এছাড়া কালো টাকায় ভোট কেনাবেচা বন্ধে থাকবে গোয়েন্দাদের বিশেষ নজরদারি।
রিটার্নিং অফিসার সুভাষ চন্দ্র সরকার বলেন, ভোটকেন্দ্রসহ ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে নির্বাচন কমিশন কতটা সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার দিতে পারবে তা দেখতে অপেক্ষা করতে হবে।

Disconnect