ফনেটিক ইউনিজয়
স্কুলবিহীন নগরে শিক্ষাবঞ্চিত শিশুরা
আল আমিন টিটু, ভৈরব

তথ্য ও প্রযুক্তির এই যুগে বাংলাদেশের ভেতরেই বসতি স্থাপনের ২৩ বছর পরেও প্রাথমিক শিক্ষাসহ আধুনিকতার ছোঁয়া লাগেনি মঞ্জুর নগরে। ফলে লোকালয় থেকে বহু দূরে মেঘনার পাড়ে গড়ে ওঠা এই মঞ্জুর নগরের শিশুরা এখনো রয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা থেকে বঞ্চিত। যোগাযোগের ক্ষেত্রে এখনো যাদের বর্ষায় ‘নাও’ আর গ্রীষ্মে ‘পাও’ই ভরসা। এমনি এক নগরের সন্ধান মিলেছে কিশোরগঞ্জের ভৈরবের জোয়ানশাহী হাওরের বুকে।
জানা গেছে, ১৯৯৪ সালে সাদেকপুর ইউনিয়নের মৌটুপী গ্রামের মঞ্জুর আলী লোকালয় থেকে দূরে মেঘনা পাড়ে জোয়ানশাহী হাওরের বুকে ছেলেমেয়ে নিয়ে বসতি স্থাপন করেন। দুই বছর পরে আরও ১০টি পরিবার বসতি স্থাপন করেন। পরবর্তীতে লোকজনের মুখে জায়গাটি ‘মঞ্জুর নগর’ হিসেবে পরিচিতি পায়। বর্তমানে আশপাশের আগানগর ও শ্রীনগর এ দুটি ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত বেশ কয়েকটি এলাকা থেকে অন্তত ৩০টি পরিবার নতুন করে বসবাস শুরু করেছে। বর্তমানে এখানে পরিবারের সংখ্যা প্রায় ৯০-এর বেশি। আর লোকসংখ্যা পাঁচ শরও বেশি। তা ছাড়া ভৈরবকে শতভাগ বিদ্যুতায়ন উপজেলা হিসেবে ঘোষণা করলেও বৈদ্যুতিক বাতির আলোর মুখ দেখেননি তাঁরা। ফলে এখনো বিদ্যুৎবিহীন এই নগর। আবার এই মঞ্জুর নগরে এখনো কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে না ওঠায় হতাশা প্রকাশ করেছেন বেশ কয়েকজন অভিভাবক।
নির্বাহী কর্মকর্তা দিলরুবা আহমেদ বলেন, ইতিমধ্যে শিশুদের শিক্ষা গ্রহণে ও পাঠদানে একটি প্রাক্-প্রাথমিক স্কুল স্থাপনের জন্য সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

Disconnect