ফনেটিক ইউনিজয়
পানছড়িতে আইন ভাঙছেন ইটভাটার মালিকেরা
সমির মল্লিক, খাগড়াছড়ি

খাগড়াছড়ির পানছড়িতে বড় নালকাটা গ্রাম পাহাড় ও বনঘেরা একটি সবুজ জনপথ। চারপাশে ধানসহ নানা রকম সবজির ক্ষেত। চেঙ্গী নদীর তীরে এসব উর্বর জমি প্রধানত তিন ফসলি। একসময় ফসল উৎপাদন হলেও বর্তমানে এসব ফসলি জমি ইটভাটার দখলে। ইটভাটার ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন আশপাশে তিন গ্রাম। পানছড়ি-খাগড়াছড়ি প্রধান সড়কের লাগোয়া এসব ইটভাটায় প্রকাশ্যে আইন লঙ্ঘন করলেও প্রশাসন নিশ্চুপ। প্রশাসনের নীরব ভূমিকার কারণে ইটভাটার মালিকেরা আইন ভাঙার প্রতিযোগিতায় নেমেছেন। ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন নীতিমালা না মানায় পরিবেশ বিপর্যয়ের আশঙ্কা করা হচ্ছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, খাগড়াছড়ি সদর থেকে প্রায় ১৯ কিলোমিটার দূরে সড়ক লাগোয়া নলকাটা এলাকা দুটি ইটভাটায় ইট প্রস্তুতের মহাযজ্ঞ চলছে। প্রায় অর্ধশতাধিক শ্রমিক দুটি ইটভাটায় কাজ করছেন। আইন অমান্য করে ইটভাটায় চলছে বনের কাঠ পোড়ানের আয়োজন। কয়লা দিয়ে ইটভাটা পোড়ানোর কথা থাকলেও আইনের তোয়াক্কা করছেন না ইটভাটার মালিকেরা। বন থেকে শত শত কাঠ কেটে ইটভাটার পাশেই তা স্তূপ করা হয়েছে।
এ ছাড়া ইটভাটায় ব্যবহারের লক্ষ্যে পাহাড়, টিলা ও কৃষিজমিতে মাটি কাটা নিষেধ থাকলেও এখানে তা মানা হচ্ছে না। ববং কৃষিজমিতেই ইটভাটা স্থাপন করে দেদার কাটছে পাহাড় ও কৃষিজমির মাটি। প্রশাসনের নাকের ডগায় এভাবে আইন অমান্য করছেন ইটভাটার মালিকেরা।
পানছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আবুল হাশেম বলেন, দীর্ঘদিন ধরে ইটভাটাগুলো আইন অমান্য করছে। কয়লা দিয়ে ইট পোড়ানোর কথা থাকলেও তারা তা মানছে না। শিগগিরই ইটভাটার মালিকদের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে।

Disconnect