ফনেটিক ইউনিজয়
খামার করে স্বাবলম্বী
নাসিম আনসারী, ঝিনাইদহ

বেকার যুবক বাবুল রহমান ১০টা টার্কি মুরগি দিয়ে খামার শুরু করেন। এখন তিনি স্বাবলম্বী হয়ে নিজের পায়ে দাঁড়িয়েছেন। এরপর কিছুদিনের মধ্যে বিদেশ চলে যান তিনি মেয়ে শারমিনকে খামারের দায়িত্ব দিয়ে। তাঁর বাড়ি ঝিনাইদহ সদর উপজেলার সাধুহাটি ইউনিয়নের বোড়াই গ্রামে। শারমিন ডাকবাংলা আব্দুর রউফ ডিগ্রি কলেজের ছাত্রী। লেখাপড়ার পাশাপাশি বাবার খামারটি দেখাশোনা করছেন। আর মেয়েকে সহযোগিতা করছেন মা রিজিয়া বেগম। রিজিয়া বেগম জানান, এ মুরগির খামার করে তাদের সংসারে সচ্ছলতা ফিরে এসেছে।  ভালোই লাভ হচ্ছে। তাই খামারটি বাড়ানোর ইচ্ছে আছে। টার্কি মুরগির দাম বেশ ভালো, বাজারেও চাহিদা আছে। আগামীতে আরও ৩০০ বাচ্চা তোলা হবে। শারমিন জানান, তিনি লেখাপড়ার পাশাপাশি এ খামারের সব দেখাশোনা করেন। সব তাকেই করতে হয় আর সহযোগিতা করেন মা।
চেয়ারম্যান কাজী নাজীর উদ্দীন জানান, তার ইউনিয়নে এ মুরগির খামার করেছেন প্রবাসী বাবুল। শুনেছি, এর চাহিদা অনেক। তবে আমি মনে করি, আমার ইউনিয়নে যারা বেকার আছে, তারা এ ধরনের খামার করে বেকারত্বের হাত থেকে মুক্ত হোক। আমি তাদের পাশে থেকে উৎসাহ জোগাব।

Disconnect