ফনেটিক ইউনিজয়
তেল গ্যাস রক্ষা জাতীয় কমিটির আলোচনা সভা
নওশাদ রানা সানভী, টাঙ্গাইল

তেলগ্যাস-খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির সদস্য সচিব অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ বলেছেন, রূপপুর ও রামপাল পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র চালু হলে আমাদের প্রাকৃতিক সম্পদ নষ্টসহ প্রকৃতি ভারসাম্য হারাবে। চীন ও ভারত দুই দেশেই কয়লার মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হতো। কিন্তু এতে প্রাকৃতিক সম্পদ নষ্ট হওয়ার ফলে তারা কয়লার মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ করে দিয়েছে। সেই দুই দেশই আবার বাংলাদেশে কয়লার মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে চায়। পৃথিবীর প্রভাবশালী দেশগুলো ছোট দেশের প্রাকৃতিক সম্পদ শোষণ করে উন্নত দেশে পরিণত হয়েছে। আর বাংলাদেশ নিজেদের সম্পদ অন্যদের শোষণ করতে দিয়ে বাইরের দেশ থেকে ঋণ এনে উন্নত দেশে পরিণত হতে চায়। তিনি ৯ এপ্রিল সন্ধ্যায় টাঙ্গাইল সাধারণ গ্রন্থাগারে এক আলোচনা সভায় প্রধান আলোচকের বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
‘জাতীয় কমিটি’ টাঙ্গাইল জেলা শাখা ‘ঋণনির্ভর পরিবেশবিধ্বংসী বিদ্যুৎ মহা পরিকল্পনার বিপরীতে জাতীয় কমিটির বিকল্প প্রস্তাবনা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় জেলা শাখার আহ্বায়ক অধ্যাপক নাজির হোসেনের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন ড. আবু আসলাম, ওয়াহিদুজ্জামান মতি, চন্দন কুমার চন্দ, মাহমুদুল হাসান সানু, অধ্যক্ষ শামছুন্নাহার, ফজলে রাব্বী খান প্রমুখ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন জেলা কমিটির সদস্য সচিব আমিনুল ইসলাম অনল।
তিনি আরও বলেন, পৃথিবীর সব শক্তির মূল উৎস হচ্ছে সূর্য। সেই সৌরশক্তি থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব। বাইরের দেশগুলো থেকে ঋণ এনে নয়। সৌরশক্তি কাজে লাগিয়ে আমাদের দেশে দুই লাখ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব। সৌরশক্তি দিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করলে বাংলাদেশে প্রাকৃতিক ভারসাম্য নষ্ট হবে না। বর্তমানে ঢাকা শহর ময়লা, আবর্জনা ও দুর্গন্ধে ভরা। সেই ময়লা-আবর্জনাকে কাজে লাগিয়েও বাংলাদেশে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব।

Disconnect