ফনেটিক ইউনিজয়
৩৭ কর্মচারী দীর্ঘদিন ধরে ডেপুটেশনে!
ফয়সাল শামীম, কুড়িগ্রাম

কুড়িগ্রাম স্বাস্থ্য বিভাগের ৩৭ কর্মচারী বছরের পর বছর তদবিরের জোরে সুবিধামতো ডেপুটেশনে থাকলেও তা নিয়ে কোনো মাথাব্যথা নেই সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তাদের। এ অবস্থায় ব্যাহত হচ্ছে স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম।
জানা গেছে, বিভিন্ন উপজেলা থেকে ৩৭ জন কর্মচারী জেলা সদরের জেনারেল হাসাপাতাল, সিভিল সার্জনের কার্যালয় ও নার্সিং ইনস্টিটিউটে বছরের পর বছর ধরে ডেপুটেশনে রয়েছেন। অথচ বেতন নিচ্ছেন সংশ্লিষ্ট উপজেলাগুলো থেকে। তদবিরের জোরে নিজেদের পছন্দমতো জায়গায় ডেপুটেশন নিয়ে জেঁকে বসে আছেন তারা। ফলে উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্র ও হাসপাতালগুলো জনবল সংকটে ঠিকমতো চিকিৎসা সেবা দিতে পারছে না।
সংশ্লিষ্ট সূত্রমতে, সিভিল সার্জন কার্যালয়ে একজন হিসাবরক্ষক, চারজন অফিস সহকারী, চারজন অফিস সহায়ক, একজন নিরাপত্তা প্রহরী,  একজন পরিচ্ছন্নতাকর্মী  ও  একজন মালির পদ রয়েছে। সব পদে জনবল কর্মরত আছেন। তার পরও অতিরিক্ত হিসেবে ভূরুঙ্গামারী উপজেলার রোস্তম আলী, জমিলা বেগম, চিলমারীর শহীদুল ইসলাম, রাজারহাটের নুরুজ্জামান, আখের আলীসহ মোট সাতজন দুই-পাঁচ বছর পর্যন্ত ডেপুটেশনে সিভিল সার্জন কার্যালয়ে কাজ করছেন।
এদিকে জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আবু তাহের মো. আনোয়ারুল হক প্রমাণিক জানান, এ হাসপাতালে ডেপুটেশনে ২৬ জন কাজ করছেন।
এছাড়া জেনারেল হাসপাতালে অন্য এলাকা থেকে কয়েকজনকে  ডেপুটেশনে নাার্সিং ইনস্টিটিউটে অন্তর্ভুক্ত করে কাজ করানো হচ্ছে।
এ ব্যাপারে কুড়িগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. এসএম আমিনুল ইসলাম বলেন, দীর্ঘদিন থেকে তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী  এবং পরিচ্ছন্নতাকর্মীর নিয়োগ বন্ধ থাকায় জনবল সংকট দেখা দিয়েছে। এজন্য  ডেপুটেশন দিয়ে কাজ চালানো হচ্ছে।

Disconnect