ফনেটিক ইউনিজয়
সেতুর অপেক্ষায় এলাকাবাসী
আব্দুল আওয়াল, ঠাকুরগাঁও

২০১৭ সালের ৮ ডিসেম্বর রাতে মালবাহী ট্রাকসহ ভেঙে পড়ে  ঠাকুরগাঁও শহরের বরুণাগাঁওয়ে সেনুয়া বেইলি সেতুটি। এতে প্রায় ১০টি ইউনিয়নের কয়েক লক্ষাধিক মানুষসহ বিপদে পড়েছে স্কুল-কলেজে পড়া ছাত্র-ছাত্রীরাও। সেতুটি ভেঙে পড়ার পর ১২ নং সালন্দরের চেয়ারম্যান মাহবুব আলম মুকুল নির্মাণ করেন একটি কাঠের সাঁকো। কিন্তু সেতুর কাজ কি সাঁকো দিয়ে হয়। তাই বর্ষা শুরুর আগে নতুন সেতু চায় এলাকাবাসী।
ঠাকুরগাঁও এলজিইডি সূত্রে জানা গেছে, সেতু দিয়ে ইটভাটার ভারী যানবাহনসহ মালবোঝাই যান চলাচলের কারণে সেতুর পাটাতনের লোহার পাতগুলো বেঁকে ও খুঁটিগুলো নড়বড়ে হয়ে যায়। এলজিইডি সেতুর ভাঙা অংশে লোহার নতুন পাটাতন বসিয়ে দেয়। সেতুর দুই পাশে লিখে দেয়া হয় সাবধানবাণী। ভারী যানবাহন চলাচল নিষেধ। কিন্তু ওই সাবধানবাণী কোনো কাজে আসেনি। অবশেষে ভেঙে যায় সেতুটি।
এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী কান্তেসর বর্মণ বলেন, নতুন একটি সেতুর জন্য ডিজাইন তৈরি হয়ে গেছে এরই মধ্যে। আশা করছি শিগগিরই একটা নতুন সেতু পাওয়া যাবে।

Disconnect