ফনেটিক ইউনিজয়
গাভী পালনে স্বাবলম্বী প্রান্তিক খামারিরা
আল আমিন টিটু, ভৈরব

কিশোরঞ্জের ভৈরবের বিদেশি উন্নত জাতের গাভী লালন-পালন করে সহস্রাধিক দরিদ্র পরিবার স্বাবলম্বী হয়েছে। গ্রামের অধিকাংশ প্রান্তিক কৃষক নিজ বসতঘর কিংবা গোয়ালঘরে দুই থেকে ১০টি গাভী পালন করছেন। এসব গাভী থেকে প্রতিদিন কয়েক হাজার লিটার দুধ উৎপাদন হচ্ছে। খাঁটি দুধ পরিবার ও এলাকার পুষ্টিচাহিদা মিটিয়ে জাতীয় স্বাস্থ্য খাতে রাখছে বিশেষ ভূমিকা। এতে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। বিদেশি জাতের গাভী পালন অধিক লাভজনক হওয়ায় অনেক বেকার যুবকও আগ্রহী হয়ে উঠেছেন।
স্থানীয় প্রাণিসম্পদ অফিসের মতে, গাভী পালন ও দুধ উৎপাদনে এখানকার মানুষ অনেকটাই সফল। এছাড়া দুধ বিক্রি ছাড়াও গরুর গোবর থেকে তৈরি ঘুই (জালানি) বিক্রি করে কেউ কেউ বাড়তি আয়ও করছেন। ফলে তারা অনেকেই এখন স্বাবলম্বী। খামারিরা বলেন, বাড়িতে স্বল্প জায়গায় সফল ব্যবসা গাভী পালন। জমিতে ধান, গম ও পাট আবাদের চেয়ে এটি বেশ লাভজনক। ফলে গ্রামের অধিকাংশ লোকজন দুই থেকে ১০টি গাভী পালন করছেন।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. কামরুল ইসলাম বলেন, এ অঞ্চলের প্রান্তিক খামারিরা গাভী পালনে অধিক আগ্রহী। নতুন নতুন জাতের গাভী পালনের মাধ্যমে গ্রামের প্রান্তিক খামারিরা অল্প পুঁজি ও স্বল্প পরিশ্রমে অধিক লাভবান হচ্ছেন। নিরাপদ খাদ্যের পাশাপাশি পুষ্টিচাহিদা পূরণ করে চলেছেন খামারিরা।

Disconnect