ফনেটিক ইউনিজয়
ফলদ বাগানে আগ্রহ বাড়ছে কৃষকদের
ইলিয়াস আহমেদ, ময়মনসিংহ

ময়মনসিংহের ত্রিশালে অনাবাদি জমিতে ফলদ বাগান করার আগ্রহ বাড়ছে কৃষকদের মধ্যে। স্বল্প খরচে অধিক লাভ হওয়ায় গ্রামে গ্রামে বাগান করার উদ্যোগ নিচ্ছেন চাষীরা। তবে বেহাল রাস্তায় বাগানের ফসল সঠিকভাবে বাজারজাত করতে না পেরে হতাশায় ভুগছেন কৃষকরা।
উপজেলার মোক্ষপুর ইউনিয়নের কৈতরবাড়ি গ্রামের কৃষক রফিকুল ইসলাম ১৯ বছর মালয়েশিয়া ও সৌদি আরবে ফলদ বাগানে কাজ করেন। এ অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে ২০১৪ সালে পাঁচ একর পৈতৃক জমিতে ফলদ বাগান শুরু করেন তিনি। বাগানে এখন প্রায় ২০ ধরনের ফলদ গাছ রয়েছে। সেখান থেকে প্রতি মাসে আয় হচ্ছে লক্ষাধিক টাকা। এছাড়া কর্মসংস্থানের সুযোগ হয়েছে অনেক বেকারের।
রফিকুল ইসলামের বাগান দেখে এলাকার অনেকেই আগ্রহী হয়ে ফলের চাষ শুরু করেছেন। প্রতিবেশী দুজন ফলচাষী বলেন, একসময় রফিকুল ইসলামের বাগান করা দেখে আমরা মশকরা করতাম। কিন্তু এতে অধিক লাভ হওয়ায় আমরাও তার কাছ থেকে বিভিন্ন ফলের চারা নিয়ে বাগান করা শুরু করেছি। আমাদের বাগানে ফলও আসছে।
মোক্ষপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ বলেন, আমার ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে অনাবাদি জমিতে ফলদ বাগান করে রফিকুল ইসলামের মতো অনেকেই স্বাবলম্বী হচ্ছেন। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা দিলীপ কুমার পাল বলেন, একসময় এ এলাকার মানুষ অনাবাদি জমিতে কিছুই করতে সাহস করত না। বর্তমানে কৃষকরা বাগান করার দিকে ঝুঁকছেন। কৃষকদের বিনা সুদে ঋণ দেয়ার কথাও তিনি বলেন। উপজেলার অনাবাদি জমিতে ১০টির মতো ফলদ বাগানে প্রায় ২০০ শ্রমিকের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হয়েছে।

Disconnect