ফনেটিক ইউনিজয়
জরাজীর্ণ ডাকঘর ভবন
সমির মল্লিক, খাগড়াছড়ি

খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় ঝুঁকিপূর্ণ ডাকঘর ভবনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে বিরাজ করছে ভাঙন আতঙ্ক। জরাজীর্ণ ভবনে চলছে ডাকঘরটির কার্যক্রম। নতুন ভবন কিংবা বর্তমান ভবন সংস্কারে কোনো উদ্যোগ নেই। ভবনটি পরিত্যক্ত ঘোষণা না করলে যেকোনো সময় ভবনটি ধসে পড়তে পারে। দীর্ঘদিন ধরে নতুন ভবন নির্মাণে প্রতিশ্রুতি দেয়া হলেও সে বিষয়ে এখনও প্রাথমিক কাজও শেষ করতে পারেনি।
সরেজমিনে দেখা যায়, খাগড়াছড়ি থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরে দীঘিনালা ডাকঘরটি অবস্থিত। ডাকঘরের বাইরে দেয়ালের কিছু অংশ ভেঙে গেছে। দোতলা ভবনে শ্যাওলা জমেছে। ভবনের সব কয়টি জানালাই ভাঙা।
দীঘিনালা ডাকঘরের সহকারী পরিদর্শক জানান, ভবনের ভেতরে থাকা শেকড়গুলো করাত দিয়ে কাটতে হয়েছে। ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় পুরনো ডাকঘরে থাকি। এ ভবনের প্রায় অধিকাংশ জায়গা ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে গেছে।
দীঘিনালা ডাকঘরের পোস্টার অপারেটর কাজলা চাকমা বলেন, প্রশাসনিক সব চিঠি ডাক বিভাগের মাধ্যমে আদান-প্রদান হয়। এছাড়া সারা বছরই বিভিন্ন পাবলিক পরীক্ষার খাতা বোর্ডে প্রেরণ, কার্যালয়ে নিয়মিত কার্যক্রম চললেও ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। ভবনের এ দশার ছবি তুলে বিভাগীয় অফিসে প্রেরণ করা হয়েছে। নতুন ডাকঘর নির্মাণের কথা থাকলেও সেটি এখনও শুরু হয়নি। তিনি জানান, এখানে বর্তমানে পোস্টম্যানে পদটি শূন্য। একজন প্যাকার দিয়ে কাজ চলছে। নতুন জনবল নিয়োগ ও ভবনটি পুনর্নির্মাণ করলে ডাক বিভাগে কাজে আর অগ্রগতি হবে।
দীঘিনালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘উপজেলা পরিষদের নতুন ভবন নির্মিত হলে আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ডাক বিভাগের কার্যক্রমের জন্য অস্থায়ী ভিত্তিতে কক্ষ বরাদ্দ দেয়া যেতে পারে।’

Disconnect