ফনেটিক ইউনিজয়
৪৩টি নদী খননের উদ্যোগ
জাহাঙ্গীর আলম ভুঁইয়া, সুনামগঞ্জ

সুনামগঞ্জের ১১টি উপেজলায় ২ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে ৪৩টি নদীর ৯২৫ কিলোমিটার অংশ খননের উদ্যোগ নিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।  পাহাড়ি ঢলে নেমে আসা পলিমাটি ও অপরিকল্পিতভাবে নদী শাসনের কারণে খরস্রোতা নদী যৌবন হারিয়ে বিপন্ন করেছে হাওরবাসীকে। নদী ও হাওরের অভ্যন্তরীণ খাল খননের কাজ দুর্নীতিমুক্তভাবে সম্পন্ন হলে হাওরবাসীর দুঃখ অনেকটাই ঘুচে যাবে। হাওরবাসীর সুবিধার স্বার্থে খননের প্রস্তাবনা নদীগুলো হলো, জেলার আবুয়া নদী, বৌলাই ও পাটনাই নদী, চলতি নদী, সোমেশ্বরী, কংস নদী, সুরমা নদী, পিয়াইন নদী, কেন্দুয়া, আপার বৌলাই, গুমাই,  উবাদখালী, জিরাক নদী, ধলাই, পাইকের তলা, রূপসা, আহম্মকখালী, সোনাতলা খাল দেড় কিলোমিটার, দীঘা কাইতনার খাল, মেশিনবাড়ী বোয়ালমারা খাল, পুটিয়ার খাল, বৌলা সুদামখালী খাল, ঘাসি নদী, কালনী নদী, সুরমা, কুশিয়ারা, মরা সুরমা, গুদি নদী, শিলা, বিবিয়ানা, চামতী নদী, পুরাতন সুরমা, ডাউকি, খামারখাল নদী, মহাশিং নদী, নলজোর নদী, হেরা চাপতী নদী, চাতল নদী, চিরাই নদী, খাসিয়ামারা নদী, জালিয়াছড়া, বোখাই নদী ও বটেরখাল।
জানা যায়, পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে এ পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য বিশেষ কারিগরি কমিটি গঠন করে সরেজমিন প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করেছে। এখন নকশা তৈরির জন্য সার্ভের কাজ হবে। সার্ভের কাজ শেষে নকশা অনুমোদন হলে পূর্ণাঙ্গ প্রকল্প প্রস্তাবনা পাঠানো হবে। পূর্ণাঙ্গ প্রকল্প প্রস্তাবনা অনুমোদন হলে দরপত্র প্রক্রিয়া শেষে কাজ বাস্তবায়ন হবে। এ পরিকল্পনা বাস্তবায়নে প্রাথমিকভাবে ব্যয় নির্ধারণ হয়েছে প্রায় ২ হাজার কোটি টাকা। সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আবু বকর সিদ্দিক ভুইয়া বলেন, সব প্রক্রিয়া শেষে নদী খননের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে অকালবন্যার কবল থেকে ফসল রক্ষা সহজ হবে।

Disconnect