ফনেটিক ইউনিজয়
জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল
নজরুল ইসলাম, বেনাপোল

যশোরের সীমান্তবর্তী উপজেলা শার্শা ও বেনাপোল অঞ্চলে মহাসড়কে যাত্রীবাহী নছিমন, করিমন ও ভটভটিতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে এ অঞ্চলের মানুষ। অন্যদিকে এসব যানবাহনে ইট-বালি, গাছের বড় বড় গুঁড়ি নিয়ে বেপরোয়া চলাচল করায় বাড়ছে দুর্ঘটনা। ফলে পথচারীসহ জনসাধারণকে সার্বক্ষণিক আতংকের মধ্যে চলাচল করতে হচ্ছে। কিন্তু চোখের সামনে এসব অবৈধ যানের অবাধ চলাচল দেখেও কার্যকর কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করছেন না প্রশাসন। চাষাবাদের কাজে ব্যবহার করার জন্যই সরকার ট্রাক্টর আমদানি করার অনুমতি দেয় নামমাত্র শুল্কে। কিন্তু চাষাবাদের জন্য আমদানিকৃত এসব  ট্রাক্টর অবৈধ ট্রলি-ট্রাক বা নানা পরিবহনে রূপান্তর করে মানুষের চলাচল উপযোগী করে সড়কে চলাচল করছে। ড্রাইভিং লাইসেন্সসহ অন্যান্য আনুষ্ঠানিকতা না থাকায় শিশু-কিশোররাও অদক্ষভাবে এসব ট্রাক্টর অবাধে চালানোর সুযোগ পাচ্ছে। ফলে প্রতিনিয়ত ঘটছে সড়ক দুর্ঘটনা।
অভিযোগ রয়েছে, হাইওয়ে পুলিশসহ থানা পুলিশকে ম্যানেজ করে এসব ট্রলি-ট্রাক্টর সড়কে চলাচল করার কারণে জনসাধারণের প্রতিরোধের মুখেও তা বন্ধ হচ্ছে না। বেশ কিছু ট্রাক্টর মালিকের সাথে কথা হলে তারা জানান, সংশ্লিষ্টদের মাসোহারা দিয়েই এসব ট্রলি-ট্রাক্টর, নসিমন, করিমন  সড়ক-মহাসড়কে চালাচ্ছেন।
নাভারণ হাইওয়ে পুলিশ সূত্র জানায়, প্রতি বছর শতাধিক মানুষ মারা যায় এ ধরনের অবৈধ যানবাহনে। পঙ্গুত্ববরণ করেছে হাজার হাজার মানুষ।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অবৈধ এ ট্রলি-ট্রাক্টর, নসিমন, করিমনের সংখ্যা কত, তার কোনো তথ্য নেই। বেনাপোল পোর্ট  থানার ওসি  তারেক মাসুদ বলেন, আমরা যতটুকু সম্ভব অভিযান পরিচালনা করে ট্রাক্টর মালিক ও চালকদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়ার চেষ্টা করছি। শার্শা উপজেলা নির্বাহী অফিসার পুলক কুমার মণ্ডল বলেন, সড়ক-মহাসড়কে  নিরাপত্তার জন্য এসব অবৈধ যান চলাচল প্রতিরোধে আমরা কাজ করছি। বিভিন্ন স্থানে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করছি।

Disconnect