ফনেটিক ইউনিজয়
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স বেহাল
রিফাত রহমান, চুয়াডাঙ্গা

নেই নেই করেই চলছে চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। চিকিৎসাসহায়ক উপকরণ, চিকিৎসক, নার্স, কর্মকর্তা-কর্মচারীর পদ শূন্য থাকায় ব্যাহত হচ্ছে চিকিৎসাসেবা।
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা যায়, এ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে উন্নয়ন খাত থেকে পাওয়া মেরামতযোগ্য একটি অ্যাম্বুলেন্স ২০০৭ সাল থেকে অচল হয়ে পড়ে আছে। একটি মেরামতযোগ্য পুরনো ৫০ এমএ ২০০৪ সাল থেকে ও একটি মেরামতযোগ্য নতুন ৩০০ এমএ এক্স-রে মেশিন ২০০৯ সাল থেকে অচল অবস্থায় পড়ে আছে। এখানে চিকিৎসক, নার্স, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ মোট ১৪৭ জনের বিপরীতে নিয়োজিত আছেন ১০৯ জন। বাকি পদ শূন্য। আবাসিক মেডিকেল অফিসার, গাইনি চিকিৎসক পদটিও শূন্য। মেডিসিন বিভাগের জুনিয়র কনসালট্যান্ট ও গাইনি বিভাগের জুনিয়র কনসালট্যান্ট থাকলেও দুজনই সাময়িক আদেশে চুয়াডাঙ্গায় কর্মরত। একইভাবে সার্জারি বিভাগের একমাত্র জুনিয়র কনসালট্যান্ট প্রেষণে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে কর্মরত। একজন মেডিকেল অফিসার, জুনিয়র কনসালট্যান্ট (অ্যানেসথেশিয়া) পদ শূন্য ও ডেন্টাল সার্জন দীর্ঘদিন অননুমোদিতভাবে অনুপস্থিত রয়েছে। মেডিকেল টেকনোলজি, যক্ষ্মা ও কুষ্ঠ নিয়ন্ত্রণ সহকারিসহ পিওন, আয়া ও পরিচ্ছন্নতাকর্মীর পদ শূন্য রয়েছে।
দামুড়হুদা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি উপজেলা শহর থেকে চার কিলোমিটার দূরে চিৎলা গ্রামে অবস্থিত। চার কিলোমিটারের এ রাস্তাটিও তেমন উন্নত নয়। খানাখন্দে ভরা এ রাস্তা দিয়ে কোনো রোগীকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যেতে হলে সেই রোগী আরও বেশি অসুস্থ হয়ে পড়েন। দামুড়হুদা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আবু হেনা মোহাম্মদ জামাল বলেন, অ্যাম্বুলেন্স ও এক্স-রে মেশিনের ব্যাপারে প্রায়ই ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে লিখিতভাবে জানানো হয়। কিন্তু কোনো কাজ হয় না। ৩১ শয্যার এ হাসপাতালে প্রতিদিন ৫০ জনের অধিক রোগী ভর্তি থাকে। আউটডোরে প্রতিদিন ৪০০-৪৫০ রোগি চিকিৎসা নেয়।

Disconnect