ফনেটিক ইউনিজয়
এক যুগেও দাঁড়াতে পারেনি বিসিক শিল্পনগরী
শামীম কাদির, জয়পুরহাট

প্রতিষ্ঠার ১২ বছরেও ঘুরে দাঁড়াতে পারছে না জয়পুরহাট বিসিক শিল্পনগরী। কিছু শিল্প-কারখানা গড়ে উঠলেও বিনিয়োগ বাড়ছে না এ শিল্পনগরীতে। ফলে নতুন নতুন শিল্পোদ্যোক্তাও তৈরি হচ্ছে না। স্থানীয় ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তাদের অভিযোগ, গত কয়েক বছরে কিছু শিল্প-কারখানা গড়ে উঠলেও প্লট সংকটে বিনিয়োগ বাড়াতে পারছেন না ব্যবসায়ীরা। একদিকে নতুন উদ্যোক্তারা প্লট না পেয়ে বিনিয়োগ করতে পারছেন না, অন্যদিকে নতুন কোনো শিল্প-কারখানা না হওয়ায় কর্মসংস্থানের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে জেলার বেকার যুবসমাজ। যদিও কর্তৃপক্ষ বলছে, তারা এ শিল্পনগরীর পরিধি বাড়িয়ে নতুন কর্মসংস্থানের চেষ্টা করে যাচ্ছে।
সূত্রে জানা যায়, বিসিক শিল্পনগরী তৈরির লক্ষ্যে জয়পুরহাট শহর থেকে তিন কিলোমিটার দূরে দাদড়া জন্তিগ্রাম এলাকায় ১৯৯১ সালে ১৫ একর জমি অধিগ্রহণ করা হয়। ১৯৯৬ সালে ১১১টি প্লট তৈরি করে তা উদ্যোক্তাদের মাঝে বরাদ্দ দেয়া হয়। শুরুর দিকে প্লট বিক্রি না হলেও এখানে পোলট্রি শিল্প সম্প্রসারণ হওয়ায় অনেকেই কারখানা তৈরি করতে আগ্রহী হন। ২০০৭ সালে বরাদ্দকৃত সবক’টি প্লট শেষ হয়ে যায়। বর্তমানে ৪৭টি শিল্প-কারকাখানা রয়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বিসিক এলাকায় এরই মধ্যে যারা শিল্প-কারখানা তৈরি করছেন, তাদের কারখানা সম্প্রসারণের জন্য আরও প্লট দরকার। কিন্তু কর্তৃপক্ষ নতুন করে প্লট দিতে পারছে না। এতে প্লট সংকটে তারা কারখানা সম্প্রসারণ করতে পারছেন না।
জয়পুরহাট চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের পরিচালক দেওয়ান বেদারুল ইসলাম বেদিন বলেন, বিসিকে প্লট সংকটের কারণে অনেক নতুন উদ্যোক্তা শিল্প-কারখানা করতে পারছেন না। অনেকেই আবার বাধ্য হয়ে বিসিকের পাশে জমি নিয়ে শিল্প-কারখানা তৈরি করছেন। জয়পুরহাট বিসিকের উপব্যবস্থাপক আকতারুল আলম চৌধুরী বলেন, বিসিকে প্লটের অনেক চাহিদা রয়েছে। এখানে প্লট না থাকায় নতুন উদ্যোক্তারা শিল্প-কারখানা করতে পারছেন না। আমরা এরই মধ্যে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানিয়েছি।

Disconnect