ফনেটিক ইউনিজয়
টার্কি পালনে স্বাবলম্বী হেনা বাদল
ইমরান হোসাইন, বরগুনা

টার্কি পালন করে সফলতা পেয়েছেন বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার পশ্চিম মঠেরখাল গ্রামের গৃহবধূ হেনা বাদল। টার্কি পালনে দারিদ্র্য কেটে তার সংসারে ফিরেছে সচ্ছলতা; তিনি হয়ে উঠেছেন এলাকার আদর্শ খামারি। ১০টি টার্কি নিয়ে লালন শুরু করলেও এখন এর সংখ্যা ৩০০ ছাড়িয়ে গেছে, যার দাম ৫ লক্ষাধিক টাকা। এছাড়া তিনি টাইগার মুরগি, কামিয়া পাখি, তিত মুরগি, লাভবার্ড, বাজরিগারসহ বেশ কয়েক প্রজাতির পাখি পালন করেছেন।
জানা গেছে, ৪৫ হাজার টাকা দিয়ে মাত্র ১০টি টারকি কিনে চাষ শুরু করেন তিনি। এ পর্যন্ত ১০টি টার্কি থেকে প্রায় ৪০০টি বিক্রি করেছেন। বড় টার্কি, বাচ্চা ও ডিম বিক্রি থেকে এ পর্যন্ত ৭ লাখ টাকা আয় করেছেন তিনি। দেড় বছরের মাথায় এখন তার খামারে টার্কির সংখ্যা তিন শতাধিক। সুস্বাদু এ পাখির মাংস, পাখি, ডিম ও বাচ্চা কিনতে হেনার খামারে এখন ভিড় করছে অনেকেই।
হেনা বলেন, টার্কি  সাধারণত লতা, পাতা, ঘাস খায়। এগুলো বসতবাড়ির চারপাশে এমনিতেই হয়। সে কারণে টার্কি উৎপাদন খরচ কম। তবে বাজারমূল্য অনেক। চাহিদাও প্রচুর। ছয় মাসের মধ্যে ডিম দেয় টার্কি। বছরে ২৩০টির বেশি ডিম দেয়।
এ বিষয়ে বরগুনা জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মনিরুল ইসলাম বলেন, খামারিদের আমরা প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকি। টার্কি পালন করে সহজেই স্বাবলম্বী হওয়া যায়। সাধারণত টার্কির বড় ধরনের কোনো রোগবালাই দেখা দেয় না।

Disconnect