ফনেটিক ইউনিজয়
খুচরা টাকা নিয়ে বিপাকে গ্রাহকরা
আল আমিন টিটু, ভৈরব

কিশোরগঞ্জের বন্দরনগরী ভৈরবে ব্যাংকগুলোয় খুচরা টাকার নোট জমা না নেয়ায় বিপাকে পড়েছেন গ্রাহকরা। ফলে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীসহ বিদ্যুৎ ও গ্যাস বিল পরিশোধ করতে প্রতিদিন শত শত গ্রাহক ৫, ১০ ও ২০ টাকার নোটের বান্ডিল নিয়ে ব্যাংকগুলোয় গেলে ক্যাশ কাউন্টার এসব নোট নিতে অস্বীকার করে।
জানা গেছে, ভৈরবে সরকারি-বেসরকারি মিলিয়ে ২৭টি বাণিজ্যিক ব্যাংক রয়েছে। তার মধ্য সোনালী ব্যাংক লিঃ ব্যাংকটি ট্রেজারি শাখা হওয়ায় ব্যাংকটি অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাংক। এখানকার ব্যাংকগুলোয় প্রতিদিন কোটি কোটি টাকার লেনদেন হয়। ভৈরবে বিদ্যুৎ ও গ্যাস এবং শিল্প ও বাণিজ্যসহ গ্রাহকসংখ্যা প্রায় ৪০ হাজার। এসব গ্রাহকের প্রতি মাসে বিল হয় ৫-৬ কোটি টাকা, যা বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোয় পরিশোধ করতে হয়। এছাড়া টেলিফোন গ্রাহরাও ব্যাংকে বিল পরিশোধ করেন। ভৈরবে পাদুকা শিল্প, বেকারি শিল্প, মশার কয়েল কারখানাসহ হাজার হাজার ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীর লেনদেনের খুচরা লাখ লাখ টাকা সংগ্রহ হয়। ১০, ২০ টাকার নোট বিল পরোশোধ করতে ব্যাংকে গেলে টাকা ব্যাংকে জমা নেয় না বলে একাধিক গ্রাহক অভিযোগ করেছেন।
এ বিষয়ে ভৈরব চেম্বারের সভাপতি আলহাজ মো. আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, ব্যবসায়ীরা খুচরা নোট বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোয় জমা দিতে না পারায় বিপাকে পড়েছেন। অনেক ব্যবসায়ী ব্যাংকে খুচরা নোট জমা দিতে না পেরে অফিসের সিন্দুকে টাকা রাখতে হয়। এ ব্যাপারে রূপালী ব্যাংক ভৈরব শাখার ম্যানেজার মো. তৌহিদুল ইসলাম বলেন, আমাদের ব্যাংকের ভল্টের সিন্দুকগুলো টাকায় ভর্তি। এ টাকা আমরা বাংলাদেশ ব্যাংকেও জমা দিয়ে কমাতে পারছি না। তাই খুচরা নোট জমা নেয়া সম্ভব হচ্ছে না।

Disconnect