ফনেটিক ইউনিজয়
জৈব বালাইনাশক ব্যবস্থায় সবজি আবাদ
রিফাত রহমান, চুয়াডাঙ্গা

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলায় জৈব বালাইনাশক ব্যবস্থায় সবজির আবাদ করে চাষিরা লাভবান হচ্ছেন। বিষমুক্ত সবজি উৎপাদন করে চাষিরা তা ভালো দামে বিক্রি করতে পারছেন।
চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার আঠারখাদা গ্রামের রবজেলের ছেলে মিষ্টি কুমড়াচাষি ইউনুস আলী (৫০) জানান, তিনি আলমডাঙ্গা উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সহযোগতিায় তিন বিঘা জমিতে জৈব সার ব্যবহার করে মিষ্টি কুমড়া আবাদ করেছেন। এতে তার ব্যয় হয়েছে ১৫ হাজার টাকা আর তিনি বিক্রি করবেন ৩৫-৪০ হাজার টাকায়। একই গ্রামের মরহুম শমসের শেখের ছেলে মিজারুল ইসলাম (৪৮) জানান, তিনিও চার বিঘা জমিতে মিষ্টি কুমড়া আবাদ করেছেন। এতে তার ব্যয় হয়েছে ২০ হাজার টাকা। তিনি আশা করছেন, উৎপাদিত কুমড়া বিক্রি হবে ৪০-৫০ হাজার টাকায়।
আলমডাঙ্গা উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সহযোগতিায় জমিতে জৈব সার ব্যহার করে কাঁচামরিচ আবাদ করেছেন আঠারখাদা গ্রামের মরহুম ইউসুফ মন্ডলের ছেলে বাবুল মন্ডল (৪৩) দেড় বিঘা, মরহুম রবজেল মন্ডলের ছেলে ইউনুস (৪০) এক বিঘা ও মরহুম রহিম শেখের ছেলে বজলেম শেখ (৩৮) ১৫ কাঠা জমিতে কাঁচামরিচ আবাদ করেছেন। প্রতি বিঘায় তাদের ব্যয় হয়েছে ১০ হাজার টাকা আর বিক্রি হবে ৭০-৮০ হাজার টাকায়।
আলমডাঙ্গা উপজেলা অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা শায়খুল ইসলাম জানান, এ উপজেলার ৪৬টি ব্লকের ৪৫০ হেক্টর জমিতে জৈব বালাইনাশক ব্যবস্থায় সবজি আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নেয়া হয়েছে। এগুলো হলো মিষ্টি কুমড়া, বেগুন, চালকুমড়া, লাউ, কাঁচামরিচ ও কাঁকরোল। তিনি বলেন, এ প্রক্রিয়ায় আবাদে চাষিরা আগ্রহ দেখাচ্ছেন। সে কারণে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর চাষিদের সহযোগিতাও বাড়িয়ে দিয়েছে।

Disconnect