ফনেটিক ইউনিজয়
১৪২ মন্দিরে চলছে দুর্গাপূজার প্রস্তুতি
শাহাদাত হোসেন তৌহিদ, ফেনী

ক’দিন পরই হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। এ উপলক্ষে জেলা শহরসহ উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলের পূজা মণ্ডপগুলোতে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। প্রতীমা নির্মাণ ও মন্দির সাজসজ্জায় ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন কারিগরসহ স্থানীয়রা।
জেলা পূজা উদযাপন পরিষদ সূত্রে জানা যায়, ফেনীতে প্রায় সাড়ে ৪ লাখ পুণ্যার্থী জেলার ১শ’ ৪২ টি পূজামণ্ডপে শারদীয় দুর্গোৎসব পালন করবে। গত বছর ১৪১ টি পূজামণ্ডপে পূজা উদযাপন হয়। কিন্তু এবার ১৪২টি মণ্ডপে উৎসব পালিত হবে। এর মধ্যে ফেনী পৌরসভায় ১২টি, ফেনী সদর উপজেলায় ৪৪টি, ফুলগাজীতে ৩৪টি, পরশুরামে ৬টি, দাগনভূঞাতে ১৭টি, ছাগলনাইয়ায় ৬টি ও সোনাগাজীতে ২৩টি পুজামণ্ডপে দুর্গোৎসবের জন্য প্রস্তুতি শেষ পর্যায়ে।
ফেনী জেলা পূজা উৎযাপন কমিটির সহ-সভাপতি এডভোকেট সমির চন্দ্র কর বলেন, আগামী ১৪ অক্টোবর থেকে ১৯ অক্টোবর ৬ দিনব্যাপী এ উৎসবে নিরবচ্ছিন্ন নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নেবে স্থানীয় প্রশাসন। এ নিয়ে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের সাথে একাধিকবার পূজা উদযাপন পরিষদ নেতাদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। উৎসবের প্রথম দিন দেবীর আগমন বোধন ষষ্ঠী পূজা, দ্বিতীয় দিন মহাসপ্তমী, তৃতীয় দিন মহাঅষ্টমী, চতুর্থ দিন মহানবমী ও সন্ধীপূজা এবং শেষদিন প্রতীমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে দশমী বিহীত পূজা উদযাপিত হবে।
সদর উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক লিটন চন্দ্র সাহা বলেন, এসব মন্দির ছাড়াও সবক’টি পূজামণ্ডপে পুষ্পমাল্য ও বিলপত্রের মাধ্যমে পুষ্পাঞ্জলী, ধূপ ও কুশীর মাধ্যমে প্রতীমা আরতি, অষ্টমী ও নবমীতে অন্ন প্রসাদ ও পুরোহিত দ্বারা চণ্ডীপাঠসহ নানা সংস্কৃতি অনুষ্ঠানের মাধ্যমে পূজা উদযাপন করা হয়।
বিগত প্রায় একমাস ধরে শিল্পীরা নান্দনিক ছোঁয়ায় প্রতীমা তৈরির কাজ করছেন। ফেনীতে প্রতীমা তৈরির শিল্পী না থাকায় কুমিল্লা, নোয়াখালী ও চট্টগ্রাম থেকে শিল্পী এনে জেলার প্রতিটি পূজামণ্ডপে প্রতীমা তৈরি করা হয়। প্রতিটি পূজামণ্ডপে প্রতীমা নির্মাণে প্রকারভেদে ২০ হাজার থেকে লক্ষাধিক টাকা শিল্পীদের দিতে হয়।

Disconnect