ফনেটিক ইউনিজয়
খেজুরের চারা উৎপাদন
আহমেদ নাসিম আনসারী, ঝিনাইদহ

‘আজওয়া খেজুর চারা উৎপাদন করতে তেমন খরচ হয়নি। তবে ঠিকমতো প্রক্রিয়া জানলে যে কেউ তৈরি  করতে পাবেন। চারা উৎপাদন করতে লাগে বালি, মাটি আর জৈবসার। একটি খেজুর গাছ থেকে ৩ থেকে সাড়ে ৩  বছরে ফল পাওয়া সম্ভব।’ এমনটাই জানালেন মোস্তাক আহমেদ লাবলু। তিনি জগন্নাথ বিশ^বিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স  করেছেন। 
তিনি জানান, একটি বেসরকারি টেলিভিশনের  কৃষি অনুষ্ঠান দেখে এবং ইন্টারনেট থেকে তথ্য নিয়ে আজওয়া খেজুরের ঐতিহাসিক কাহিনী জানতে পাই। বাংলাদেশের বিভিন্ন কৃষি ফার্মে তিনি আজওয়া খেজুরের চারা খোঁজ করে পাইনি। এরপর ২০১৭ সালে সৌদি আরবে  বসবাসরত এক আত্মীয়ের মাধ্যমে ২৫টি আজওয়া খেজুরের বীজ সংগ্রহ করি। প্রথম পর্যায়ে সেই বীজ থেকে ১৯টি চারা উৎপাদিত হলেও সর্বশেষ বেঁচে যায় ১২টি চারা। এর পর ২০১৮ সালে প্রথম দিকে সৌদি আরব থেকে আবার এ খেজুরের বীজ সংগ্রহ করি। সেখান থেকে ১০০টির মতো চারা উৎপাদন করি। সব মিলিয়ে প্রায় ১৩০টি চারা উৎপাদন করি। মোস্তাক এন্ড মোস্তাফিজ আজওয়া খেজুর বাগান প্রজেক্ট নামের একটি বাগান তৈরির কাজ শুরু করেছি উপজেলার চাঁচড়া মাঠে। নিজে বাগান তৈরির পর চারা উৎপাদন করে কৃষক পর্যায়ে এ খেজুরের চারা ছড়িয়ে দিবেন।
কালীগঞ্জ উপজেলা কৃষি অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) হুমায়ুন কবির জানান, বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে সৌদি আরবের খেজুর চাষ হচ্ছে।  অনেক স্থানে কৃষকরা ফলও পেয়েছে। কালীগঞ্জে যে যুবক এই খেজুরের চারা উৎপাদন করেছে তাকে সাধুবাদ জানাই। তিনি যদি কৃষি অফিসের সহযোগিতা কামনা করেন তা করা হবে।

Disconnect