ফনেটিক ইউনিজয়
চিংড়ি উৎপাদনে সফলতা
জিয়াউস সাদাত, খুলনা

এ বছর খুলনায় চিংড়ি উৎপাদন ও রপ্তানি দু’টিই ভালো হয়েছে। এ কারণে চিংড়িচাষিরা খুশি। মৌসুমের আট মাস ছিল আবহাওয়া প্রতিকূলে। দাবদাহ, শৈত্যপ্রবাহ ও পানির স্বল্পতা ছিল মৌসুমজুড়ে। মৌসুমের শুরুতেই পোনার সংকট দেখা দেয় উপকূলজুড়ে। এতো সংকটের পরও বাগদা ও গলদা চিংড়ির উৎপাদন এবং রপ্তানি দু’টিই ভালো এ বছর। এবার ৫৭২ কোটি টাকা মূল্যের হিমায়িত চিংড়ি রপ্তানি হয়েছে ১৯টি দেশে।
জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. আবু ছাইদ জানান, ২০১৬-১৭ অর্থবছরে ৩৬ হাজার ১৫২ হেক্টর জমিতে ১২ হাজার ৪১২ মেট্রিকটন বাগদা, ২০ হাজার ৩৪ হেক্টর জমিতে ১৩ হাজার ৬৬৬ মেট্রিকটন গলদা এবং ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ৩৬ হাজার ১৬০ হেক্টর জমিতে ১২ হাজার ৪৬৩ মেট্রিকটন বাগদা এবং ২০ হাজার ৩৪ হেক্টর জমিতে ১৩ হাজার ৬৮০ মেট্রিকটন গলদা উৎপাদন হয়। আবহাওয়ার নানা প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে জেলার ৬৯ হাজার খামারি কাক্সিক্ষত উৎপাদন পেয়েছে। তাপমাত্রা বৃদ্ধি ও পানির স্বল্পতা থাকলেও উল্লেখযোগ্য রোগবালাই দেখা দেয়নি।
ডুমুরিয়া উপজেলা মৎস্য ককর্মকর্তা সরোজ কুমার মিস্ত্রী জানান, উপজেলার রংপুর,  গুটুদিয়া, ভা-ারপাড়া ইউনিয়নে গলদা, আটলিয়া, সাহস, শোভনা ও মাগুরখালী ইউনিয়নে বাগদা উৎপাদন বেশি হয়েছে। ২০১৭ সালের তুলনায় এ বছর ৩৪২ মেট্রিকটন বেশি উৎপাদন হয়েছে।

Disconnect