ফনেটিক ইউনিজয়
শিগগির চালু হচ্ছে হাসপাতাল
আবদুর রহমান তুহিন, ভোলা

চলতি বছরের নভেম্বর কিংবা ডিসেম্বর মাসের মধ্যে হাসপাতালটি উদ্বোধন হবে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ। আর এটি চালু হলে জেলার ১৮ লাখ মানুষ চিকিৎসা সেবা পাবেন। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদের আর ঢাকা-বরিশাল যেতে হবে না। নিজ জেলাতেই পাওয়া যাবে আধুনিক চিকিৎসার সব সুযোগ-সুবিধা।
জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, দ্বীপজেলা ভোলার মানুষের উন্নত চিকিৎসা সেবার কথা বিবেচনা করে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদের একান্ত প্রচেষ্টায় ভোলাতে ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতালের অনুমোদন হয়। এরপর সদর হাসপাতাল চত্বরের ১৪ একর জমির ওপর ২০১৪ সালে ৪৪ কোটি ৮০ লাখ টাকা ব্যয় ছয়তলা বিশিষ্ট অত্যাধুনিক ভবন নির্মাণের কাজ শুরু হয়। এরইমধ্যে ভবনের ৯৭ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। এ মাসের মধ্যে বাকি তিন শতাংশ কাজ শেষ হলেই এটি উদ্বোধনের জন্য সম্পন্ন হবে।
সূত্র আরও জানায়, জরুরি রোগী আনা-নেয়ার জন্য দু’টি অ্যাম্বুলেন্স থাকবে। এছাড়া ৫৮ জন চিকিৎসক ও ৮০ জন নার্সের পদ সৃষ্টি করা হবে। হাসপাতালে গাইনি, জেনারেল সার্জারি, অর্থোপেডিক্স, চক্ষু ও নাক-কান-গলার অপারেশনের ব্যবস্থা রাখা হবে। এ হাসপাতাল চালু হলে খুব সহজেই দূর-দূরান্তের রোগীরাও চিকিৎসা সেবা নিতে পারবেন। এটি এখন ভোলার মানুষের ভরসাস্থলে পরিণত হবে।
ভোলার সিভিল সার্জন ডা. রথীন্দ্র নাথ মজুমদার জানান, অল্প কিছুদিনের  মধ্যেই স্বাস্থ্য বিভাগকে ভবন বুঝিয়ে দেয়া হলেই ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি অবহিত করা হবে। প্রশাসনিক অনুমোদন হলেই জনবল নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হবে। এর পরেই উদ্বোধনের মধ্যদিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করবে ভোলা ২৫০ শয্যার জেনালে হাসপাতালের কার্যক্রম।

Disconnect