ফনেটিক ইউনিজয়
আটকে আছে ১১০ হত্যা মামলা
ফেরদৌস সিদ্দিকী, রাজশাহী

মেডিকেল প্রতিবেদন না পাওয়ায় থমকে আছে রাজশাহীর ১১০টি চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার বিচারকাজ। বার বার কেবল তারিখ পেছাতে হচ্ছে। এতে ভোগান্তি বাড়ছে বিচারপ্রার্থীদের।
গত ২৮ অক্টোবর রাজশাহীর চিফ জুডিশিয়াল আদালতের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত পুলিশ-ম্যাজিস্ট্রেসি সম্মেলনে এ বিষয়টি তুলে ধরা হয়। সেখানে পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, বার বার ধর্না দিয়েও ময়নাতদন্ত বা ভিসেরা প্রতিবেদন মিলছে না। এ নিয়ে রাজশাহী মেডিকেল কলেজের (রামেক) ফরেনসিক বিভাগের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ আনেন পুলিশ কর্তৃপক্ষ। তবে জনবল না থাকায় সময়মত প্রতিবেদন দেয়া যাচ্ছে না বলে জানিয়েছে রামেক কর্তৃপক্ষ।
ওই সম্মেলনে বিচারকরা জানান, চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার বিচারকাজ বাধাগ্রস্ত হওয়ার প্রধান কারণ ময়নাতদন্ত বা ভিসেরা প্রতিবেদন না পাওয়া। তাছাড়া অনেক হত্যা মামলায় নথিতে নেই পুলিশের সুরতহাল প্রতিবেদন। ফলে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে মামলার বিচারকাজ। এদিকে, রামেক ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, মারাত্মক জনবল সংকটে রয়েছে বিভাগটি। বর্তমানে বিভাগীয় প্রধানের দায়িত্বপালন করছেন কলেজের মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. শাহ্ আলম। তিনিও নিয়মিত আসেন না।
তিন প্রভাষকের একটি পদ দীর্ঘদিন ধরেই ফাঁকা। একমাত্র মেডিকেল অফিসারের পদটিও ফাঁকা। খ-কালীন অধ্যাপক দিয়ে এখানকার একাডেমিক কার্যক্রম চললেও ময়নাতদন্ত করছেন দুই প্রভাষক ও শিক্ষার্থীরা মিলে।
এ বিষয়ে রাজশাহীর পুলিশ সুপার মো. শামসুদ্দিন জানান, রামেক ফরেনসিক বিভাগ থেকে ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন সময়মতো পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে তদন্তকারী কর্মকর্তারা সেটি আদালতে দাখিল করতে পারছেন না। এতে মামলার অগ্রগতি থমকে যাচ্ছে।

Disconnect