করোনা পরিস্থিতিতে রিভার্স সুইং না করানোর পরামর্শ

ইংল্যান্ড ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের মধ্যে বায়ো-সুরক্ষিত প্রথম টেস্ট যদি কোনো সূচক হয় তবে বিশ্বজুড়ে পেস বোলারদের আপাতত রিভার্স সুইংয়ের কথা ভুলে যাওয়া উচিত বলে মনে করছেন বিশেজ্ঞদের৷

রবিবার সাউদাম্পটনে শেষ হয়েছে ইংল্যান্ড-ওয়েস্ট ইন্ডিজ টেস্ট৷ করোনা পরিস্থিতিতে এটাই প্রথম আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ম্যাচ৷ ইংল্যান্ডকে চার উইকেটে হারিয়ে তিন ম্যাচের সিরিজে ১-০ এগিয়ে যায় উইন্ডিজ৷ ৯ উইকেট নিয়ে ম্যাচের সেরা হন ক্যারিবিয়ান পেসার শ্যানন গ্যাব্রিয়েল৷ তবে এই টেস্টে বিশেষ সুবিধা করতে পারেননি জেমন অ্যান্ডারসন৷ বিশ্বসেরা বোলার দুই ইনিংস মিলিয়ে মাত্র ৩টি উইকেট নেন জিমি৷

এই সিরিজের আগেই কভিড-১৯ সংক্রমণের রুখতে বলে লালা ব্যবহার জ্বলজ্বলে করার জন্য লালা ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছে আইসিসি। এর ফলে বল রিভার্স সুইং হচ্ছে না বলেও মনে করেন ভারতের দুই প্রাক্তন সুইং বোলার ইরফান পাঠান ও আশিস নেহেরা৷

নেহরার মতে, অ্যান্ডারসন নিয়মিতভাবে দীর্ঘ স্পেলে বোলিংয়ের করে থাকে, কিন্তু কভিড-১৯ অতিমহামারির মধ্যে প্রথম আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ম্যাচে লালা ব্যবহার না-করা৷ সেই কারণে কিছুটা হলেও বলের সুইংয়ে সমস্যা হচ্ছিল।

সোমবার পিপিআইকে নেহরা জানান, জিমি অ্যান্ডারসন অনেক সময় ছোট স্পেলে বোলিং করতেন৷ তিনি কখনো এতো ছোট স্পেল বোলিং করেননি। কারণ ডিউকস বলটি সুই করছিল না৷ তখন পিচকে ব্যবহারের চেষ্টা করেছিল কিন্তু উইন্ডিজ ব্যাটসম্যানরা সহজেই তা সহজেই খেলে দেয়৷

ভারতের বাঁ-হাতি পেসার আরো বলেন, খুব বেশি ঘাম না-হলে লালা ব্যবহার করতে না-পারলে সমস্যা হবে। অ্যান্ডারসনের শক্তি হলো পিচের বাউন্স ব্যবহার করে বল সুইং করানো৷ যার ক্যাচগুলি স্লিপে যায়। কিন্তু সুইং বন্ধ হয়ে গেলে সমস্যা হবে৷

উজ্জ্বল রোদে পঞ্চম দিনে মার্ক উড এবং জোফরা আর্চারের বোল দেখার পরে, ভারতের আর এক বাঁ-হাতি পেসার ইরফান পাঠান মনে করেন যে কিছু সময়ের জন্য, বোলারদের পুরানো বলে রিভার্স সুইং করা আপাতত ভুলে যাওয়া উচিত।

মন্তব্য করুন

সাপ্তাহিক সাম্প্রতিক দেশকাল ই-পেপার পড়তে ক্লিক করুন

© 2020 Shampratik Deshkal All Rights Reserved. Design & Developed By Root Soft Bangladesh