ফনেটিক ইউনিজয়
পারিবারিক আদালতে অপু-শাকিব
মান্নাফ সৈকত

এবার ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) পারিবারিক আদালত তলব করেছে বাংলাদেশের জনপ্রিয় নায়ক শাকিব খান ও নায়িকা অপু বিশ্বাসকে। শাকিব খানের পাঠানো তালাক নোটিশের পরিপ্রেক্ষিতে চলতি সপ্তাহেই ডিএনসিসি অঞ্চল-৩ মহাখালী কার্যালয়ে তাঁদের দুজনকে ডাকা হয়েছে।
২০০৮ সালের ১৮ এপ্রিল শাকিব খান ও অপু বিশ্বাস বিয়ে করেন। বিয়ের ব্যাপারটি কঠোর গোপনীয়তার মধ্যে রেখে তাঁরা দুজনই স্বাভাবিকভাবেই তাঁদের সিনেমার শুটিং অব্যাহত রাখেন। কিন্তু গত বছরের শুরুর দিকে বাংলাদেশি সিনেমার এ সময়ের আলোচিত নায়িকা শবনম বুবলীর সঙ্গে ঘরোয়া পরিবেশে একটি স্থিরচিত্রে শাকিব খানকে দেখা যায়। ছবিতে ‘ফ্যামিলি টাইম’ ক্যাপশন লিখে নিজের সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে প্রকাশ করেন বুবলী। এরপরই অপু বিশ্বাসের সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি ঘটে শাকিব খানের। ছবিটি প্রকাশের বেশ কিছুদিন পর গত ১০ এপ্রিল বিকেলে একটি টেলিভিশন চ্যানেলে ছেলে আব্রামকে সঙ্গে নিয়ে সরাসরি অনুষ্ঠানে উপস্থিত হন অপু। সেদিন দীর্ঘদিন  গোপনে থাকা বিয়ে ও সন্তানের বিষয়টি নিয়ে জনসমক্ষে হাজির হয়ে মুখ খোলেন অপু। তিনি  বলেন, ‘আমি শাকিবের স্ত্রী, আমাদের ছেলে আছে।’
আট বছর নয় মাস আগের সেই বিয়ের খবর জনসমক্ষে আসার পরপরই দুজনের সম্পর্কের টানাপোড়েন তৈরি হয়। পরিস্থিতি এমন অবস্থায় পৌঁছায় যে শাকিব খান ও অপু বিশ্বাস নিজেদের মধ্যে মুখ দেখাদেখি বন্ধ করে দেন। শুধু ছেলে আব্রামের কারণে মাঝেমধ্যে দেখা হলেও কথা হয় না দুজনের। সেই টানাপোড়েন চূড়ান্ত পরিণতির দিকে যায়, যখন আইনজীবীর মাধ্যমে শাকিব খান তালাকের নোটিশ পাঠান অপুর কাছে।
এরপর শাকিবের এই তালাক নোটিশের পরিপ্রেক্ষিতে সিটি করপোরেশনের পারিবারিক আদালত দুজনকে ডাকার সিদ্ধান্ত নেয়। ডিএনসিসি অঞ্চল-৩-এর নির্বাহী কর্মকর্তা হেমায়েত হোসেন বলেন, ‘নিয়মানুযায়ী আমরা উভয় পক্ষকে তিনবার ডাকব। তাঁরা যদি সমঝোতা করে সংসার শুরু করতে চান, তবে চেষ্টা করব মিলিয়ে দেওয়ার। আমরাও তাদের দুজনকে বোঝানোর আপ্রাণ চেষ্টা করব। কিন্তু যদি তাদের কেউ পূর্বের সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন, সে ক্ষেত্রে আমাদের কিছুই করা সম্ভব হবে না। বিচ্ছেদ কার্যকর হয়ে যাবে।’

Disconnect