ফনেটিক ইউনিজয়
কেট আপটন
বিশ্বের সেরা আবেদনময়ী
বিনোদন প্রতিবেদক

মাত্র ২৬ বছর বয়সেই পৃথিবীর সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক পাওয়া মডেলদের তালিকায় নাম লিখিয়েছেন তিনি, মডেলিং জগতের সেরা পুরস্কারও জিতেছেন। বলা হয়, হলিউড ছবি থেকে শুরু করে আন্তর্জাতিক ফ্যাশন ম্যাগাজিন ‘ভোগ’-এর কভার পেজসহ সবই তার হাতের মুঠোয়। সঙ্গে বাড়তি পাওয়া যোগ হলো আরও একটি। সম্প্রতি বিদেশি ম্যাগাজিন ‘ম্যাক্সিম’ তাকে পৃথিবীর সেরা যৌন আবেদনময়ীর তকমা দিয়েছে। তিনি আর কেউ নন, বলছি মডেল ও অভিনেত্রী কেট আপটন-এর কথা।
মার্কিন মুল্লুকের মিশিগানে তার জন্ম। বয়স যখন মাত্র ষোলো, নেহাত শখেই গিয়েছিলেন এলিট মডেল ম্যানেজমেন্ট কোম্পানির একটি কাস্টিং কল-এ। হীরে চিনতে দেরি করেনি এজেন্সি। সেইদিনই তাকে সাইন করিয়ে কোম্পানি এবং কয়েকদিনের মধ্যেই তিনি পাড়ি দেন নিউ ইয়র্ক।
 সেই যে শুরু হয়েছিল কেট আপটনের যাত্রা, তারপরে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে। এবছর ম্যাক্সিম ম্যাগাজিনের তকমা অনুযায়ী আবেদনের দিক থেকে ক্লোয়ি, কিম কার্দাশিয়ান, কাইলি জেনারসহ অন্যদের পিছনে ফেলে দিয়েছেন কেট। আপটন প্রথমে গ্যারেজ ও ডুনি অ্যান্ড বৌর্কের জন্য পোশাকের মডেলিং করেন। ২০১০-১১ সালে তিনি ‘গ্যেস’ এর মুখচ্ছবি ছিলেন। ওই সময়েই ২০ স্পোর্টস ইলাস্ট্রেটেড-এর স্যুইমস্যুট ইস্যুতে তার ছবি ঝড় তুলেছিল। একই সময়ে কেটের একটি হিপ-হপ ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় লিক হতেই তার জনপ্রিয়তা তুঙ্গে ওঠে। এরপর ২০১৪ সালে ইন্টারনেটে তার নগ্ন ছবি লিক হওয়া নিয়ে প্রবল বিতর্কও তৈরি হয়। তবে সেই সব নিয়ে কোনওদিনই মাথা ঘামাননি কেট। বরং ম্যাক্সিম হট হান্ড্রেড হওয়ার পরে স্বাভাবিকভাবেই তার তারকামূল্য আরও বেড়ে যায়।
তবে অভিনয়ের মাঠে আপটন পা বাড়ান শুরু থেকেই। অভিনয় করে ‘টাওয়ার হাইস্ট’ চলচ্চিত্রে, মি. হাইটাওয়ারের উপ-পত্নীর চরিত্রে। ছবিটি মুক্তি পায় ২০১১ সালের নভেম্বরে। প্রথম চলচ্চিত্রেই তিনি তার জাত বুঝিয়ে দেন। এছাড়া তিনি সিস্টার বার্নিসের চরিত্রে ‘দ্য থ্রি স্টুজেস’ এ অভিনয় করেন। ২০১৪ সালে তার ‘দ্য আদার ওম্যান’, ২০১৬ সালে ‘দ্য লেওভার’ ও ‘দ্য ডিজাস্টার আর্টিস্ট’ চলচ্চিত্র মুক্তি পায়।

Disconnect