ফনেটিক ইউনিজয়
জনপ্রতিনিধি হয়ে কাজ করতে চাই

অভিনেত্রী মডেল ও উপস্থাপিকা জ্যোতিকা জ্যোতি। এবার তার নামের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে আরও একটি বিশেষণ ‘নেত্রী’। অভিনেত্রী থেকে নেত্রী হওয়ার গল্পসহ বিভিন্ন বিষয়ে তার সঙ্গে কথা বলেছেন সুলতান মাহমুদ সোহাগ

শুরুতেই জানতে চাই কলকাতায় গিয়ে প্রথম সিনেমা করলেন, অনুভূতি কেমন?
অসাধারণ। নিজের দেশের বাইরে এটা আমার প্রথম কাজ। একটু ভয়ে ছিলাম সিনেমার নাম ‘রাজলক্ষ্মী ও শ্রীকান্ত’ হওয়ায়। ‘শ্রীকান্ত’ উপন্যাসটি সকলের পড়া, আমি  সেটাতে কাজ করছি, কেমন হচ্ছে অভিনয় এসব নিয়ে একটু ভয়ে ছিলাম। যদিও আমাদের সিনেমাটা শরৎচন্দ্রের ‘শ্রীকান্ত’ নয়। বরং ওই উপন্যাসটি পড়ে অনুপ্রাণিত হয়ে ‘রাজলক্ষ্মী ও শ্রীকান্ত’ চলচ্চিত্রের সৃষ্টি।

এই চলচ্চিত্রে আপনার চরিত্র নিয়ে একটু বলেন।
আমার চরিত্রের নাম রাজলক্ষ্মী। এখনই সব বলা বারণ। ২৫ জানুয়ারি দুই বাংলাতেই মুক্তি পাবে। সকলেই দেখবেন। তবে আমার অভিনয় দেখে পরিচালক প্রদীপ্ত ভট্টাচার্য খুশি হয়েছেন।

ছোট পর্দায় কাজ না করার ঘোষণা দিয়েছেন। কারণ কী?
এখন থেকে শুধু সিনেমায় অভিনয় করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। নাটকে কাজ করতে নানা কারণে বেশ কষ্ট করতে হয়। যদি সেই কষ্ট ও শ্রমটা সিনেমার জন্য দেই, তাহলে অনেক ভালো হবে। খুব শিগগির নিজের একটি প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান দাঁড় করাবো, যেখান  থেকে শুধু সিনেমা বানানো হবে।  

কিভাবে শুরু হলো বিনোদন জগতে পথচলা?
সময়টা ছিলো ২০০৪ সালের শুরুর দিকে। তখন ময়মনসিংহ শহরে থিয়েটার করি। সেখানে একটি শুটিং ইউনিট যায়। ওই দলের একজন আমাকে বললো কবরী আপা নতুন ছবি বানাবেন, তুমি চাইলে ছবি পাঠাতে পারো। ছবি পাঠালাম, নির্বাচিত হলাম। আমার ডাক এলো, অভিনয় করলাম, কবরী আপাও খুশি হলেন। সিনেমার নাম ছিল ‘আয়না’। মুক্তি পায় ২০০৫ সালে। এরপর বেলাল আহমেদের ‘নন্দিত নরকে’ এবং তানভীর মোকাম্মেলের ‘রাবেয়া’তে অভিনয় করে অভিনেত্রী হিসেবে মোটামুটি প্রতিষ্ঠিত হলাম। তারপর ‘জীবনঢুলি’, ‘অনিল বাগচীর একদিন’-এ অভিনয় করলাম। রাঁধুনী গুঁড়া মসলা এবং হুইল পাউডার দিয়ে মডেলিং শুরু করি। ২০০৪ সালেই লাক্স আনন্দধারা ফটোজেনিকে সেরা দশের মধ্যে ছিলাম।

সমালোচনাকে কিভাবে দেখেন?
সমালোচনা বলতে বেশির ভাগ মানুষই নিন্দা করাকে বোঝে। আমি অনেক সমালোচনার মধ্য দিয়ে বড় হয়েছি। কেউই সমালোচনার ঊর্ধ্বে নয়, আমি বিষয়টি ভালোভাবেই নেই।

এবার ‘অভি’ বাদ দিয়ে শুধু ‘নেত্রী’র কথা জানতে চাই?
হাঃ হাঃ হাঃ। দেখুন, রাজনীতিতে আমার আরও আগেই আসার কথা ছিল। আমি বেড়ে উঠেছি একটি রাজনৈতিক পরিবেশের মধ্য দিয়ে। রাজনৈতিক প্রতিনিধি হয়ে এলাকার মানুষের জন্য কিছু করতে চাই। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৩ আসন থেকে আওয়ামী লীগের হয়ে কাজ করতে চেয়েছি। মনোনয়ন মেলেনি। এখন অন্যের হয়ে দলে কাজ করবো।

Disconnect