বেসরকারি শিক্ষকদের চাকরি জাতীয়করণ এখন প্রাণের দাবি

সৈয়দ শাহাদাত হোসাইন, সহকারী অধ্যাপক। ফাইল ছবি

সৈয়দ শাহাদাত হোসাইন, সহকারী অধ্যাপক। ফাইল ছবি

শিক্ষক মানে সমাজের অবহেলা এবং বঞ্চনার শিকার অথচ তারা জাতি গঠনের মহান কারিগর। এক সময় বেসরকারি শিক্ষকগণ জাতীয় বেতন স্কেলের অন্তর্ভুক্ত ছিল না, রাষ্ট্রের কাছ থেকে যা সন্মানী পেতো তাও কাটছাড় হয়ে শিক্ষকদের কাছে আসতো, অনেক আন্দোলন সংগ্রামের মধ্য দিয়ে এতো দূর আসা। 
শিক্ষকদের অধিকার আদায় এর আন্দোলন করতে গিয়ে অনেক শিক্ষককে রাষ্ট্রীয় জুলুমের স্বীকার হতে হয়েছে। ধাপে ধাপে বেসরকারি শিক্ষকদের শতভাগ বেতন স্কেলসহ অপমানজনক সিকি ভাগ ঈদ বোনাস শিক্ষকরা পেয়েছেন। মেডিকেল ভাতা ও বাড়ি ভাড়া বাবদ যা পেয়ে থাকেন তা যৎসামান্য। সরকারী চাকরিজীবীরা যেখানে বিগত পাঁচ বছর ইনক্রিমেন্ট পেয়ে বেতন অনেকগুণ সেখানে বেসরকারি শিক্ষকগণ পেয়েছে মাত্র দুইটি ইনক্রিমেন্ট, তারপরেও ইনক্রিমেন্ট চলমান থাকলে মোটামোটি বেসরকারি শিক্ষকগণ একটি পর্যায় অতিক্রম করবে বলে আমাদের বিশ্বাস।

এইটা জোর দিয়ে বলতে পারি, প্রতিষ্ঠানের আয় যদি রাষ্ট্রীয় কোষাগারে নিয়ে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এক সাথে জাতীয়করণ করা হতো তাহলে সরকারই আর্থিক লাভবান হতো। এতে আর্থিক শৃঙ্খলা ঠিক থাকতো। চাকরি জাতীয়করণ হতে বেতন ভাতা বাবদ যা অতিরিক্ত খরচ হবে তা মিটিয়ে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে টাকা আরও জমা থাকতো।বেসরকারি শিক্ষকগণ এখন চাকরি জাতীয়করণের খুব কাছাকাছি চলে এসেছে। এই  মুর্হূতে এমপিও এর মত বাজে সিস্টেম বাদ দিয়ে সোজা জাতীয়করণ করা বেসরকারি শিক্ষকদের প্রাণের দাবি। এই দাবি পুরনে সরকার এগিয়ে আসবেন আশা করি। 

লেখক: সৈয়দ শাহাদাত হোসাইন।
সহকারী অধ্যাপক
বাকলিয়া শহিদ এন এম এম জে ডিগ্রি কলেজ, চট্টগ্রাম।


মন্তব্য করুন

সাম্প্রতিক দেশকাল ই-পেপার

© 2019 Shampratik Deshkal All Rights Reserved. Design & Developed By Root Soft Bangladesh