ফনেটিক ইউনিজয়
ডা য়ে ট
ঈদের খাওয়ায় যা মেনে চলা দরকার
কামরুন আহমেদ

ঈদের দিন বেশি খাবার খাওয়া হয় শুধু তা-ই নয়, বরং দফায় দফায় খাওয়া হয়। সব খাবারই সাধারণত গুরুপাক ও মিষ্টি-জাতীয়। যেমন সেমাই, পায়েস, জর্দা। আবার গুরুপাক খাবার হলো পোলাও, রেজালা, রোস্ট, কাবাব। সাথে থাকে চটপটি, ফুচকাও।
কিন্তু ঈদের দিন লাগামছাড়া খাবার চলবে না। দেখা যায় অনেকে লাগামহীন খাবার খেয়ে বদহজম, ডায়রিয়া এসব সমস্যায় পড়েন। ঈদের দিন যেহেতু বারে বারে খেতে হয়, তাই অল্প অল্প খাবার খেতে হবে, যেন হজমে সমস্যা না হয়। সেমাই-পায়েসের কথা ধরা যাক। এসব মিষ্টি খাবার তৈরি করতে দুধ+বাদাম+চিনি দরকার। আবার অনেকে কনডেন্স মিল্ক ব্যবহার করেন। তাই পায়েস তৈরি করার সময় সরতোলা দুধ ব্যবহার করা ভালো। কনডেন্স মিল্ক ব্যবহার করবেন না। বেশি বাদাম ব্যবহার করলে হজমে সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই কম বাদাম ব্যবহার করবেন।
পোলাও রান্নাতে কম তেল ব্যবহার করতে পারি। রোস্ট রান্নাতে আমরা ঘির পরিবর্তে তেল ব্যবহার করতে পারি। ঈদের দিন এসব খাবারের সাথে সালাদ রাখতে হবে। সালাদে আমরা টকদই+পুদিনাপাতা ব্যবহার করতে পারি। পুদিনাপাতা, টকদই খাবার হজমে সাহায্য করবে।
এই বিশেষ দিনে আমরা বোরহানি, লাবাং, ঘোল খেতে পারি। আবার কাবাব, গ্রিল মাংস খাওয়া যেতে পারে। যেহেতু বারে বারে খাওয়া হয়, তাই তেলের খাবার কম খাবেন। কোমল পানীয় কম খাবেন। সাধারণ পানি বেশি করে খাবেন।
যাঁরা ওজন কমিয়েছিলেন, তাঁরা একটু বুঝেশুনে খাবেন। চটপটি ফুচকাতে ভালো পরিমাণে ক্যালরি থাকে, তাই কম করে খেতে হবে। ঈদ যেহেতু সবার জন্য, তাই সবার দিকে খেয়াল রেখে খাবার তৈরি করা উচিত। যেমন ডায়াবেটিসের রোগী থাকলে তাঁদের জন্য মিষ্টি-জাতীয় খাবারের বদলে ঝাল খাবারের ব্যবস্থা রাখা দরকার।
ঈদ আমাদের সবার জন্য আনন্দ বয়ে আনুক।

Disconnect