ফনেটিক ইউনিজয়
নিজেকে যোগ্য পেশাদার করে গড়ে তুলুন...

চাকরির বাজার মন্দা। এ মন্দা বাজারে চাকরি পেতে হলে যেমন নিজেকে যোগ্য করে গড়ে তুলতে হবে, তেমনি চাকরি টিকিয়ে রাখতে হলেও নিজেকে পেশাদার করে গড়ে তোলা ছাড়া অন্য উপায় নেই। পেশাদার হিসেবে নিজেকে তৈরি করতে হলে কিছু উপাদান থাকা প্রয়োজন নিজের মধ্যে। এসব উপাদান তুলে ধরা হলো এখানে-
সততা সবসময় : প্রতিষ্ঠানের প্রতি পূর্ণমাত্রায় সৎ হতে হবে। অন্যের ব্যক্তিগত তথ্য চুরি বা ব্যক্তিগত তথ্য উদ্ধারের চেষ্টা থেকে সবসময় নিজেকে কঠোরভাবে দমন করতে হবে। সততা থাকতে হবে প্রতিষ্ঠানের সব বিষয়ে। সত্যবাদী হতে হবে এবং কমিটমেন্ট করলে সেটি যেকোনো মূল্যে রাখার চেষ্টা করতে হবে। প্রতিষ্ঠানের তথ্য সংরক্ষণ করতে হবে নিজের দায়িত্ব মনে করে।
হতে হবে দায়িত্বশীল : একজন প্রফেশনাল শুধু অফিসের প্রতি ও তার কাজের প্রতি নয়, প্রতিষ্ঠানের সব কর্মকর্তা-কর্মচারীর প্রতি দায়িত্বশীল মনোভাবের হন। মনে রাখতে হবে, প্রতিষ্ঠানের ভালো কিছুর জন্য যেমন ক্রেডিট নেন, তেমনি যেকোনো ভুলের জন্যও দায়িত্ব নিতে হবে।
সম্মান প্রদর্শন : অন্যকে সবসময় সম্মান দেখানো প্রফেশনাল হওয়ার একটা অন্যতম চিহ্ন। মানবিকতার একটা ধারায় পড়ে এ গুণটি। ছোট-বড় সব কর্মসঙ্গীকে সম্মান দেখানো উচিত। এতে তারাও এ আচরণ দেখাবেন।
ব্যক্তিগত উন্নয়ন : প্রতিনিয়ত ব্যক্তিগত উন্নয়নের মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠানের উন্নতি হয়। আর একজন প্রফেশনাল সবসময় ব্যক্তিগত উন্নয়নে সচেষ্ট থাকেন। পড়াশোনা বাড়িয়ে, কাজে বেশি নিমগ্ন হয়ে অথবা নতুন নতুন কাজ করে এ উন্নয়ন করা সম্ভব। সৃষ্টিশীলতা আর কাজের প্রতি মনোযোগ ব্যক্তি উন্নয়নে সহায়তা করে।
সচেতনতা : সচেতন ব্যক্তির ভুল হয় কম। একজন প্রফেশনালের কাছে ভুল কাজ মোটেও কাম্য নয়। তাই সচেতনতা রক্ষা করে নিজের দক্ষতা আর জ্ঞানের পরিধি বাড়াতে হবে।
নেটওয়ার্ক : প্রফেশনালদের মধ্যে নেটওয়ার্কিং গড়ে তুলতে হবে। কোলাবোরেশন, নেটওয়ার্কিং ও যোগাযোগ নতুন চিন্তা, নতুন কর্মপন্থা, নতুন সুযোগ তৈরি করে।
পূর্ণ মনোযোগী কাজে : প্রফেশনালিজমের অন্যতম প্রধান উপাদান হলো প্রতিষ্ঠানের প্রতি সাবমিশন থাকা। আপনার যদি প্রতিষ্ঠানের প্রতি নিষ্ঠা আর নিজেকে সম্পূর্ণভাবে প্রয়োগের মনোভাব না থাকে, তাহলে প্রতিষ্ঠানও আপনার কাজকে স্বীকৃতি দেবে না। পরিপূর্ণরূপে নিজেকে প্রতিষ্ঠানের জন্য নিবেদন করে প্রফেশনাল হওয়ার প্রথম ধাপ অতিক্রম করতে হবে।

Disconnect