ফনেটিক ইউনিজয়
আহার করুন পরিমিত

বেশি বেশি খেলে আপনার ওজন বেড়ে যেতে পারে। ফলে শরীরে বাসা বাঁধতে পারে নানা রকম রোগ। তাই এ ধরনের অভ্যাস থেকে নিজেকে নিয়ন্ত্রণে রাখাটাই বুদ্ধিমানের কাজ। বাড়তি খাওয়ার প্রবণতাকে কীভাবে কমানো যায়, চলুন দেখে নেয়া যাক-
ডায়েটে প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার খেলে পেট ভর্তি হয়ে যায়। পাশাপাশি এ খাবার উদ্যম জোগায়। এ খাবার খুব ধীরে ধীরে হজম হয়। ফলে এ ধরনের খাবার খেলে অনেকটা সময় পর্যন্ত খিদে পায় না। তাই শাকসবজি, মাংস, ডিম ও মাছ খাওয়ার অভ্যাস বাড়াতে থাকুন।
খাবারের বদলে জল খাওয়ার পর ফের খিদে পেয়েছে? তাহলে সে সময় টুকটাক স্ন্যাকস না খেয়ে জলের গ্লাসে চুমুক দিন? দিনে পর্যাপ্ত পরিমাণে জল পান করলে অসময়ে খিদে পাবে না। তাছাড়া অসময়ে খিদে পায় শরীর ডিহাইড্রেটেড থাকলে। ফলে সঠিক পরিমাণে জল পান করা জরুরি।
প্রাতরাশ জরুরি। ঘুম থেকে উঠে ব্রাশ করেই অফিস দৌড়ান? এবার এ অভ্যাসকে বিদায় জানান? যতই ব্যস্ত হন না কেন, দিনের শুরুতে প্রাতরাশ অবশ্যই করুন। সকালে খাবার না খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা কমে যায়। ফলে সারা দিন সময়ে অসময়ে খিদে পেতে থাকে? ফলে আপনি জাংক খাবারদাবার খেতে শুরু করেন। এতে মেদ বেড়ে যায়। সে কারণেই প্রাতরাশ করুন নিয়ম মেনে।
ঘুমানো দরকার ঠিকঠাকমতো। না ঘুমাতে পারলে হাঙ্গার হরমোন ক্ষরণ বেড়ে যায়। ফলে সারা দিন স্ন্যাকস খাওয়ার প্রতি ঝোঁক বেড়ে যায়। এ কারণেই সঠিক পরিমাণ ঘুম জরুরি। ৮-৯ ঘণ্টা ঘুমানো দরকার। নারীরা যেহেতু ঘর ও বার দুই-ই সামলান, সে কারণে তাদের আরেকটু বেশি ঘুম অত্যন্ত দরকার।
হাঁটতে বেরোন। অবসরে বাড়িতে বসে থাকলে ফ্রিজ থেকে টুকটাক খাবার নিয়ে খেতে থাকেন আপনি। তাছাড়া আপনার কাছে টিভি দেখার অর্থও জাংক খাবার খাওয়া। ফলে ওজন বেড়ে চলেছে। হাঁটতে বেরোলে আপনি ব্যস্ত থাকবেন।

Disconnect