শর্তসাপেক্ষে মুক্তি পেলেন খালেদা জিয়া

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

দুই বছরের বেশি সময় কারাভোগের পর অবশেষে শর্তসাপেক্ষে ছয় মাসের জন্য মুক্তি পেলেন বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া।

বুধবার (২৫ মার্চ) বেলা ৪টা ১৫ মিনিটে হাসপাতাল থেকে বের হয়ে আসেন তিনি। খালেদা জিয়া বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (হাসপাতাল) প্রিজন সেলে চিকিৎসাধীন ছিলেন। ছোটভাই শামীম ইস্কান্দরের জিম্মায় তাকে হস্তান্তর করা হয়। বাসায় অবস্থান করে চিকিৎসা নেয়ার শর্তে ছয় মাসের জন্য মুক্তি দেয়া হলো বিএনপির চেয়ারপার্সনকে।

মুক্তি প্রক্রিয়া শেষ করার পর বিকাল সোয়া ৪টার দিকে খালেদা জিয়া লিফটে করে হুইল চেয়ারে নিচে নেমে আসেন। এসময় তার পরিবারের কয়েকজন সদস্য, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য ও হাসপাতালের নার্স ও আনসার সদস্যরা ছিলেন। ৪টা ২০ মিনিটে তাকে নিয়ে স্বজনরা হাসপাতাল থেকে রওনা হন। গুলশানে তার বাসভবন ‘ফিরোজা’র  নিয়ে যাওয়া হচ্ছে খালেদা জিয়াকে।

বিএনপির চেয়ারপারসনের একান্ত সচিব আব্দুস সাত্তার একথা নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, আজ বুধবার (২৫ মার্চ) বেলা ৩টা ৫ মিনিটের দিকে খালেদা জিয়াকে মুক্তি দেয়া হয়। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালের প্রিজন সেল থেকে মুক্তি দেয়ার পর পরিবারের সদস্যরা ও বিএনপির মহাসচিব তাকে গ্রহণ করেন।

তার দণ্ডের কার্যকারিতা স্থগিত করে মুক্তির আদেশের নথি প্রধানমন্ত্রীর দফতর, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও কারা কর্তৃপক্ষের হাত ঘুরে বুধবার বিকালে ৩টার পর বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে পৌঁছায়।

এরপর প্রয়োজনীয় অনুষ্ঠানিকতা শেষে তাকে মুক্তি দেয়া হয় বলে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার মাহবুবুল ইসলাম জানান।

এর আগে খালেদা জিয়াকে বাসায় নিতে বিএসএমএমইউ হাসপাতালে পৌঁছান তার পরিবারের সদস্যরা। সাথে আছেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরও।

বেলা পৌনে ৩টার দিকে তারা হাসপাতালে পৌঁছেন। এ সময় খালেদা জিয়াকে নিয়ে যাওয়ার জন্য কয়েকটি গাড়িও প্রবেশ করে। মির্জা ফখরুল প্রবেশ করলে হাসপাতালে থাকা নেতাকর্মীরা তাকে ঘিরে ধরেন। এ সময় তিনি কিছুটা বিরক্ত বোধ করেন।


মন্তব্য করুন

সাপ্তাহিক সাম্প্রতিক দেশকাল ই-পেপার পড়তে ক্লিক করুন

© 2020 Shampratik Deshkal All Rights Reserved. Design & Developed By Root Soft Bangladesh