ফনেটিক ইউনিজয়
বাংলাদেশের ফুটবল প্রসঙ্গ
তারিক আল বান্না
বাংলাদেশ দল বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপে একবারই ফাইনালে ওঠে। ২০১৫ সালের ফাইনালে মালয়েশিয়ার কাছে হেরে মাঠ ছাড়ছেন খেলোয়াড়েরা
----

বাংলাদেশের ফুটবল নিয়ে চিন্তা করলে এ দেশের যেকোনো ক্রীড়াপ্রেমী মানুষের মাথা এলামেলো হয়ে যাবে। এত বিশাল জনপ্রিয়তা, সম্ভাবনা, আর্থিক সংশ্লিষ্টতা, স্বচ্ছ বিনোদন সবই তো ছিল আমাদের ফুটবলে। বাংলাদেশের ফুটবলের প্রতি সহমর্মিতা না থাকলেও বিশ্বকাপসহ আন্তর্জাতিক ফুটবলের প্রতি সর্বসাধারণের এখনো আগের মতোই দুর্বলতা রয়েছে। আর তার প্রমাণ মেলে সর্বশেষ ২০১৪ সালের ব্রাজিল বিশ^কাপের সময়। বরাবরের মতোই সারা বাংলাদেশে বিশ্বকাপ চলাকালে একধরনের ছুটি ছুটি ভাব। রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশের আনাচকানাচে বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী বড় দলগুলোর পতাকা, বিশ্ব তারকাদের ছবি শোভা পায়। অথচ দেশি ফুটবলের প্রতি নেই কোনো ভালোবাসা। স্বাধীনতা লাভের ৪৬ বছর চলছে, অথচ বাংলাদেশ ফুটবলে ক্রমেই পিছিয়ে পড়ছে।
ভূরি ভূরি বিদেশি কোচ : একজন বিদেশি কোচ আনতে পারাটা আগেও বড় তৃপ্তির ছিল বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) কাছে, এখনো রয়েছে। কাজী সালাউদ্দিনদের যুগে ফুটবলের উন্নতি হোক বা না হোক, দফায় দফায় বিদেশি কোচের বাংলাদেশ আগমন ঘটেছে। বাফুফে এখন সহকারী কোচ, গোলরক্ষক কোচ, ফিটনেস ও কন্ডিশনিং কোচ এবং টেকনিক্যাল ও স্ট্র্যাটেজিক ডিরেক্টরও এনেছে। জাতীয় দলে অস্ট্রেলিয়ান কোচ অ্যান্ড্রু ওর্ডের সংযোজন বাফুফের বিদেশি কোচ-পরিচালকের সংখ্যা নিয়ে গেছে পাঁচে। বিদেশি কোচ আনার ব্যাপারে বাফুফে সভাপতি ও সাবেক দেশসেরা ফুটবলার কাজী সালাউদ্দিনের যুক্তি, ‘আমি পাঁচজন টিচার এনেছি, আমাকে তো চেষ্টা করতে হবে। টিচার আগে ছিল না, তাই ফুটবল এই জায়গায় এসেছে। এখন টিচার এনেছি, এখন ফল পাব।’ বিদেশি কোচ প্রসঙ্গে ফুটবল কোচ মারুফুল হক বলেন, ‘দেখতে হবে তাঁরা কী মানের কোচ। ভালো মানের হলে দেশের ফুটবলের জন্যই ভালো। এত এত টাকা দিয়ে কোচ রাখা মানে আমাদের সক্ষমতা বেড়েছে বলতে হবে। তবে সেই অনুযায়ী তৃণমূলেও কাজ দেখতে চাই।’ ভালো বিদেশি কোচ আনতে পারলে অবশ্যই এ দেশের ফুটবলের উন্নতি ঘটবে। কিন্তু লোক দেখানোর জন্য বিদেশি কোচ আনা হলে তাঁকে দিয়ে আর যা-ই হোক, ফুটবলের উন্নতি হবে না।
জেলায় জেলায় হতাশা : ফুটবলের প্রাণ হলো ঢাকার বাইরে। কিন্তু ঢাকার বাইরের জেলাগুলো সে ধরনের কোনো সুযোগই পাচ্ছে না। আর তাই ঢাকায় ফুটবলের কোনো সমাবেশ মানেই জেলার কর্মকর্তাদের মুখে ক্ষোভ আর হতাশার কথা। পাওয়া না-পাওয়ার বেদনা। সম্প্রতি ঢাকার স্থানীয় একটি হোটেলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে জেলার ফুটবল কর্মকর্তারা অপ্রাপ্তির কথাই বললেন নতুন করে। বাফুফের গত নির্বাচনের এক বছর পার হলেও এখনো জেলার সঙ্গে বসা হয়নি। লিগ করার জন্য প্রতিশ্রুত ৩ লাখ টাকা জেলাকে দেয়নি বাফুফে। খুলনা বিভাগীয় ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের আজমল আহমেদ তপন বলেন, ‘নির্বাচনের সময় কিছু প্রতিশ্রুতি ছিল, সেগুলো বাস্তবায়ন করতে হবে।’ বাদল রায়ের বক্তব্য, ‘বাফুফের নির্বাচনে একটি ইশতেহার দেওয়া হয়। সেটা আজ পর্র্যন্ত গুরুত্ব পায়নি। এটা হতে পারে না।’ জামালপুর ডিএফএর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আবদুল্লাহ আল রেদোয়ান বলেন, ‘ডিএফএ হওয়ার পর থেকেই ফুটবল তৃণমূল পর্যায়ে যায়নি। এবারই শুধু অনূর্ধ্ব-১৮ জাতীয় ফুটবল হয়েছে। তৃণমূলে খেলা না হলে ফুটবলার আসবে কোত্থেকে? অথচ ফুটবল ফেডারেশনের নির্বাচন এলে টাকার অভাব দেখা যায় না। কাঁড়ি কাঁড়ি টাকা। ব্যাগভরা টাকা, কিন্তু এখন কেন নেই?’ এভাবেই যদি ঢাকার ফুটবল সময় পার করে তবে তাতে খেলাটি হতাশায় চাঁপা পড়বে।
সংকটে পাইওনিয়ার লিগ : খেলোয়াড় তৈরির আসল জায়গা হলো পাইওনিয়ার   ফুটবল লিগ। কিন্তু সেটা ব্যাহত হচ্ছে মাঠসংকটের জন্য। জাতীয় দলের সাবেক কোচ অস্টিয়ার জর্জ কোটান অনেকবার বলেছেন কথাটা, ‘বাংলাদেশের ফুটবলে সবচেয়ে বড় সমস্যা মাঠ।’ তাঁর কথাগুলো এখন উপলব্ধি করতে পেরেছে পাইওনিয়ার লিগ কমিটি। পাইওনিয়ার লিগ শুরু হলেও মাঠের সংকটে ভুগছে। এবারের লিগ হওয়ার কথা পাঁচটি ভেন্যু, মিরপুর গোলারটেক, ইস্ট অ্যান্ড ক্লাব, রাজউক আউটার স্টেডিয়াম-সংলগ্ন মাঠ, বাসাব মাঠ ও টঙ্গী শহীদ আহসান উল্লাহ মাঠে। কিন্তু বাসাবো ও রাজউক মাঠ নিয়ে মোটেও সন্তষ্ট নয় কমিটি। বাসাবো মাঠে হওয়ার কথা ছিল পাইওনিয়ার লিগের উদ্বোধনী ম্যাচ। কিন্তু মাঠ প্রস্তুত না হওয়ায় সূচি বদলাতে বাধ্য হয়েছে লিগ কমিটি। পাইওনিয়ার ফুটবলই যদি মাঠসংকটে ভোগে, তাহলে তৃণমূলে অচলাবস্থা থেকে যাবে, খেলাটির কোনো ভবিষ্যৎ থাকবে না।
ক্লাবগুলোয় নেই অবকাঠামো : দলবদলের সময় নাটকীয় অবস্থার সৃষ্টি হয়। প্রতিবছরই কাঁড়ি কাঁড়ি টাকায় ফুটবল দল গড়ছে ঢাকার শীর্ষ ক্লাবগুলো। কিন্তু অবকাঠামো উন্নয়নের খবর নেই। সাত কোটি টাকায় দল গড়া যায়, সাত লাখ টাকায় একটা জিম হয় না। শেখ কামাল প্রতিষ্ঠিত আবাহনী ৪৪ বছরে একটি জিম পর্যন্ত করেনি! সাম্প্রতিক বছরে শেখ জামাল ফুটবলে দেদার টাকা ঢাললেও এই দলটিও চলছে জিম-সুবিধা ছাড়া। বাফুফে পথ দেখাতে পারত। কিন্তু তারাও ফিফা-এফসির কোটি কোটি টাকা অনুদান পেয়ে একটা জিম করার ‘দক্ষতা’ দেখাতে পারেনি! সবাই ‘ফুটবল উন্নয়ন’, ‘ফুটবল উন্নয়ন’ বলে গলা ফাটান, কিন্তু এই দেশে একটা ফুটবল একাডেমি হয়নি আজও। অথচ নেপাল-ভুটানের মতো দেশ পাঁচ-ছয়টা একাডেমি গড়ে এগিয়ে চলেছে সামনে। বাংলাদেশের ফুটবল বলতে কিছু তৈরি খেলোয়াড়কে মোটা অঙ্কের টাকায় কিনে ক্লাবগুলোর কয়েক মাসের ক্যাম্প করার মধ্যেই সীমাবদ্ধ।
এমন ফুটবলেও পাতানোর অভিযোগ : বাংলাদেশ ফুটবলে উন্নতি না করলেও ম্যাচ পাতানোর অভিযোগে অনেক এগিয়ে রয়েছে। সিনিয়র ডিভিশন প্রিমিয়ার লিগে ম্যাচ পাতানো ইস্যুতে পৃষ্ঠপোষক প্রতিষ্ঠান সরে দাঁড়ানোর হুমকি দেওয়ার পর নড়েচড়ে বসেছে বাফুফে। সংস্থাটির পেশাদার লিগ কমিটির চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম মুর্শেদী জানিয়েছেন, ম্যাচ পাতানোর বিষয়টি খতিয়ে দেখছে বাফুফে। এরই মধ্যে সিনিয়র ডিভিশন ফুটবলে স্বাধীনতা ক্রীড়া সংঘ চ্যাম্পিয়ন ও ওয়ারী রানার্সআপ হয়ে বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়নশিপ লিগে উঠেছে। বাড্ডা জাগরণী সংসদ নেমে গেছে দ্বিতীয় বিভাগে। কদিন ধরে ক্লাবপাড়ায় গুঞ্জন চলছে সিনিয়র ডিভিশনে ওপরের দিকে থাকা দলগুলো অবনমনের শঙ্কায় থাকা দলগুলোকে পয়েন্ট ছেড়েছে। এ গুঞ্জন বাড়তি মাত্রা পায় প্রতিযোগিতাটির পৃষ্ঠপোষক প্রতিষ্ঠান সাইফ পাওয়ারটেক স্পনসরশিপ প্রত্যাহার করে নেওয়ার কথা বললে।
উল্টোপথে বাংলাদেশের ফুটবল : আশির দশকেও বাংলাদেশের ফুটবল নিয়ে স্বপ্ন দেখার মানুষের অভাব ছিল না। অন্তত দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠত্ব নিয়ে ছিল না কোনো প্রশ্ন। কিন্তু হঠাৎ কী যেন হলো, গতি হারিয়েছে ফুটবল। বিশ^কাপ ফুটবল উপলক্ষে সারা পৃথিবীর মতো বাংলাদেশেও শুরু হয়েছে আনন্দের জোয়ার। পছন্দের দল আর খেলোয়াড়দের পক্ষে একজোট হয়ে নানা রকম আনন্দ করেছে মানুষ। কিন্তু মনের কোণে বেদনাও কম নয়। একসময় বাংলাদেশের পেছনে থাকা দেশগুলোও যখন বিশ্বের সবচেয়ে জমকালো প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছে, তখন হতাশাটা বাড়ে বহুগুণ। কিন্তু কেন এই পিছিয়ে যাওয়া?  এশিয়া কাপ বাছাইপর্বের প্লে-অফের ফিরতি পর্বে ভুটানের কাছে ১-৩ ব্যবধানে পরাজয়কে মনে করা হচ্ছিল বাংলাদেশের ফুটবলের কফিনে শেষ পেরেক ঠুকে দেওয়ার মতো। ফিফা র‌্যাঙ্কিংই বলছে ইতিহাসের সবচেয়ে তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে বাংলাদেশের ফুটবল। বাংলাদেশের সর্বশেষ অবস্থান ১৯৩ নম্বরে। আর মাত্র কয়েকটি দেশের পেছনে গেলে উল্টোপথে বাংলাদেশ হবে এক নম্বর।
অন্ধকারে ফুটবল : আমাদের কোথাও যেন কোনো আশা নেই। আছে হতাশা, গ্লানি আর অপমান! আমাদের ফুটবলের অধঃপতন আর কত হবে, এর যেন কোনো কূলকিনারা নেই। আশার ভেলার দেখা মিলছে না কিছুতেই, জীবনতরীর খোঁজ নেই কোথাও। বাংলাদেশ ফুটবলের সাম্প্রতিক সময়ের সবচেয়ে বড় লজ্জাগুলো হচ্ছে, ভুটানের কাছে অপমানজক পরাজয়ে তিন বছরের জন্য আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে প্রায় নির্বাসন, বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের চ্যাম্পিয়ন নেপালকে এখনো প্রাইজমানি না দেওয়া, প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর পরিবারের নাম ভাঙিয়ে ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালের টিকিট চাওয়া এবং সর্বশেষ, সলিডারিটি কাপ খেলতে না যাওয়ায় ২০ হাজার ডলারের জরিমানা। দেশের ফুটবলকে বাঁচানোর জন্য, লজ্জা ও অধঃপতনের হাত থেকে রক্ষা করতে ফেডারেশনে প্রয়োজন আমূল পরিবর্তন, প্রয়োজন স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি।
দূরবস্থা নিয়ে ক্ষোভ : জাতীয় দলের সাবেক কোচ গোলাম সারোয়ার টিপু বলেন, ‘বাফুফের বিষয়ে, বিশেষ করে সালাউদ্দিনকে নিয়ে কথা বললে মনে হবে আমি হয়তো ব্যক্তিগত জায়গা থেকে কথাগুলো বলছি। আসলে ব্যাপারটা তা নয়। কমিটিতে এখন যেসব ফুটবলার আছেন, তাঁরা কথাই বলতে পারেন না। পুরোপুরি ডিক্টেটরশিপ চলছে। সালাউদ্দিন কারও কথাই শোনে না। তার স্বেচ্ছাচারিতা থাকলে ধ্বংস হবেই ফুটবল।’ সাবেক অধিনায়ক আমিনুল হক বলেন, বিগত এক দশকে দেশে ফুটবলের উন্নতি হয়নি। যে ভারত ও মালদ্বীপকে বাংলাদেশ পরাস্ত করত, তাদের সঙ্গেই হেরে এবার সাফ ফুটবল টুর্নামেন্টের গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নিয়েছে বাংলাদেশ। ক্লাব ফুটবলেও উন্নতি হচ্ছে না। সাবেক জাতীয় দলের কোচ শফিকুল ইসলাম মানিক বলেন, ১৯৯৭ সালের শুরুতে যেখানে দেশের ক্রিকেট এগিয়ে যেতে শুরু করেছিল, সেখানে ফুটবল ধীরে ধীরে পিছিয়ে পড়েছে। মাঝে কোচ কোটানের হাত ধরে ২০০৩-এ সাফ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। কিন্তু ২০০৪-এর পর আবার পিছিয়ে যেতে শুরু করে। আশির দশকের কৃতী ফুটবলার খন্দকার ওয়াসিম ইকবাল বলেন, ভুটানের কাছে হারের চেয়ে দুর্ভাগ্যের আর কিছু হয় না। একটা দল খারাপ করলে যেমন কোচকে দোষারোপ করা হয়, তেমনি দল খারাপ করার জন্য বাফুফেও এর দায়দায়িত্ব এড়াতে পারে না।
মহিলা ফুটবলে স্বপ্ন : মাঠের লড়াইয়ে ইতিহাস গড়েছেন কৃষ্ণা রানী সরকাররা। সেটারই পুরস্কার আগামী সেপ্টেম্বরে থাইল্যান্ডে অনুষ্ঠেয় আট দলের এএফসি অনূর্ধ্ব-১৬ মেয়েদের ফুটবলের চূড়ান্ত পর্বে বাংলাদেশের জায়গা পাওয়া। চীন, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়ার মতো পরাশক্তির সঙ্গে ওই টুর্নামেন্টে বাংলাদেশ খেলবে, এটা ভাবলেই রোমাঞ্চ অনুভব করছে দেশের ফুটবলপ্রিয় মানুষেরা। মেয়েদের ফুটবল দল সবাইকেই আসলে চমকে দিয়েছে। এখন তাঁরা নানা দেশে যাচ্ছেন, নতুন পরিবেশে নতুন অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করছেন। পুরুষদের ফুটবল যখন ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে, তখন মেয়েদের ফুটবল আমাদেরকে আশার সন্ধান দিচ্ছে।
আমাদের করণীয় : যেহেতু বাংলাদেশের মানুষ এখনো ফুটবলকে ভালোবাসে, ফুটবলের চমক দেখলে নিজেরাই পুলকিত হয়, কোথাও ফুটবল হলে শত কাজের মাঝেও নিজেকে সেখানে শামিল করতে ইচ্ছে প্রকাশ করে, সেহেতু ফুটবল আসলে পুরোপুরি মরে যায়নি। এখনো চেষ্টা করলে ফুটবলে এগিয়ে যাওয়া সম্ভব। এখনো বাংলাদেশে কিশোর মনের প্রথম খেলাপ্রেম হলো ফুটবল। সব দেশ ওপরে উঠছে, আমরাও চেষ্টা করলে পারব। তবে তার জন্য চাই নিঃস্বার্থভাবে ফুটবলের উন্নতির জন্য কাজ করা। আর এটার দায়িত্ব ফুটবল ফেডারেশনেরই।

Disconnect