ফনেটিক ইউনিজয়
অনূর্ধ্ব-১৮ ক্লাব ফুটবল
শিরোপা আবাহনীর, তবে ‘চ্যাম্পিয়ন’ শাম্স-উল-হুদা একাডেমী
ক্রীড়া প্রতিবেদক

বৃষ্টির কারণে সেদিন মাঠের ফুটবল বেশ দেরিতেই পায়ে গড়ায় খেলোয়াড়দের। তবে দর্শকের আগ্রহ কমেনি একটুও। ওয়ালটন অনূর্ধ্ব-১৮ ফুটবল টুর্নামেন্টের সেই ম্যাচের শুরুতে ফরাশগঞ্জের প্রাধান্য থাকলে জয়ের মুকুট পরে আবাহনী লিমিটেড। ফরাশগঞ্জকে ১-০ গোলে হারিয়ে শিরোপা ছিনিয়ে নেয় ঘরোয়া ফুটবলের সফল ক্লাবটি।  আর জয়সূচক একমাত্র গোল করেন রিমন হোসেন। তবে এ জয় আবাহনীর হলেও ‘চ্যাম্পিয়ন’ মূলত যশোরের শাম্স-উল-হুদা একাডেমী। কারণ জয়ের নায়ক রিমনসহ আবাহনীর নয়জন ফুটবলার এ একাডেমির ছাত্র।
আকাশি-নীল অধিনায়ক রফিকুল ইসলাম সুমনের ফুটবলে হাতেখড়ি এ একাডেমি থেকে। মূলত আবাহনী যেন শাম্স-উল-হুদা একাডেমীরই প্রতীক। কারণ স্ট্রাইকার রিমন, রাইট উইঙ্গার স্বাধীন ও মাঝমাঠে অধিনায়ক সুমনসহ নয়জন একই একাডেমির ফুটবলার এক দলে থাকলে এমনটাই হওয়ার কথা। এ ছেলেদের ওপর ভর করেই তো আবাহনী এমন ক্ষুরধার।
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের ১০ আসরের ছয়টিতেই চ্যাম্পিয়ন আবাহনী। কিন্তু যুব ফুটবলের প্রথম দুই আসরে শিরোপাশূন্য ছিল সফল এ ক্লাব। তবে ১৪ মে অনুষ্ঠিত ম্যাচটির প্রথমার্ধে লম্বা থ্রোর রিমনের গোলটি সেই অপূর্ণতা ঘুচিয়ে যুবাদের ট্রফিও ঘরে তোলে আবাহনী।
পাশাপাশি গোলটি রিমনকে এনে দিয়েছে ফাইনালের সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার। তৃতীয় বিভাগ লিগে আরামবাগের হয়ে খেলে সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়েছিলেন রিমন, আসরেও ফাইনালের গোলটিসহ তার দুটি গোল। যশোরের শাম্স-উল-হুদা একাডেমীর ছাত্র রিমন খুবই খুশি আবাহনীকে শিরোপা জেতাতে পেরে। বলেন, ‘আমি যশোরের শাম্স-উল-হুদা একাডেমীর ছাত্র ছিলাম। সেখান থেকে স্যার গোলাম জিলানি (আবাহনী যুবদলের কোচ) আমাকে ঢাকায় নিয়ে এসেছেন। আবাহনীর মতো ঐতিহ্যবাহী ক্লাবকে একটা শিরোপা জেতাতে পেরেছি, আমি গোল করে জিতিয়েছি, এটা আমার কাছে স্বপ্নের মতো।’ যুবদলের মতো একটা সময় আকাশি-নীলদের সিনিয়র দলের জার্সি এবং সেই পথ ধরে জাতীয় দলের জার্সিও গায়ে তোলার স্বপ্ন এ কিশোরের।

Disconnect