ফনেটিক ইউনিজয়
হান্টিংটনের নতুন ‘বিশ্বতত্ত্ব’ এবং আজকের বাংলাদেশ

এক.
মার্কিন রাষ্ট্রবিজ্ঞানী স্যামুয়েল হান্টিংটনের লেখা ‘দ্য ক্ল্যাশ অব সিভিলাইজেশন (সভ্যতার বিরোধ)’ গ্রন্থকে বলা হয়- বর্তমান বিশ্বে সবচেয়ে তোলপাড় সৃষ্টিকারী গ্রন্থ। বইটি মূলত পাশ্চাত্য সাম্রাজ্যবাদী শক্তির ঘোষিত আজকের ‘সন্ত্রাসবিরোধী অনন্ত যুদ্ধের’ নামে প্রধানত ইসলাম ও মুসলিম বিশ্বের বিরুদ্ধে নিষ্ঠুরতম মানবতাবিরোধী যুদ্ধের মূল প্রেরণাদানকারী বই হিসেবে পরিচিত। এমনকি ‘সন্ত্রাসে’র বিরুদ্ধে যুদ্ধের ক্ষেত্র তৈরির জন্য উগ্র জঙ্গিগোষ্ঠী সৃষ্টি ও লালন-পালনের মাধ্যমে দেশে দেশে জঙ্গি হামলা ও তার বিরুদ্ধে পাল্টা হামলার নোংরা কৌশলেরও তাত্ত্বিক ভিত্তি হলো এই বই।
চাঞ্চল্যকর এই বই সম্পর্কে আমাদের দেশের প্রগতিশীল বুদ্ধিজীবী মহল ওয়াকেবহাল থাকলেও, আশ্চর্যজনকভাবে বইটি নিয়ে এদেশে আলোচনা-পর্যালোচনা প্রায় হয় নাই বললেই চলে। অথচ ১৯৯৬ সালে বইটি প্রকাশ হওয়ার পর একদিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা পুঁজিবাদী-সাম্রাজ্যবাদী দেশগুলোতে এটি যেমন নজিরবিহীন আলোড়ন সৃষ্টি করে। তেমনি অন্যদিকে দেশে-বিদেশে এর বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনারও ঝড় ওঠে।
এদিকে ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত অ-মুসলিম মার্কিন লেখক এডোয়ার্ড সাঈদ, যিনি বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী লেখকদের একজন, তিনি হান্টিংটনের ‘ক্ল্যাশ অব সিভিলাইজেশন’ বইয়ের সমালোচনা করে ২০০১ সালে লেখেন তাঁর বিখ্যাত প্রবন্ধ ‘দ্য ক্ল্যাশ অব ইগনোরেন্স’ (অজ্ঞতার বিরোধ)। সাঈদ হান্টিংটনের তত্ত্ব’কে অজ্ঞতা বলে অভিহিত করেছেন।
এডওয়ার্ড সাঈদ হান্টিংটনের বইয়ের যে সমালোচনা করেছেন তার সংক্ষিপ্ত বিবরণ অনুযায়ী এবং বইটি আগাগোড়া অধ্যয়ন করলে যা জানা যায় সে অনুযায়ী-হান্টিংটনের প্রস্তাবনা হলো, ভবিষ্যৎ বিশে^র নতুন বিনির্মাণ হবে বর্তমান বিশ্বের বিবদমান দুই সভ্যতা-সংস্কৃতির বিরোধ-সংঘর্ষের মাধ্যমে। বিবদমান এই দুই সভ্যতা-সংস্কৃতি হলো প্রধানভাবে পাশ্চাত্যের পুঁজিবাদী-সাম্রাজ্যবাদী সভ্যতা-সংস্কৃতি এবং প্রাচ্যের ইসলামী সভ্যতা-সংস্কৃতি। হান্টিংটনের এই তত্ত্ব অনুযায়ী মনে হয় পাশ্চাত্য সভ্যতা ও ইসলামী সভ্যতা শুধু পরস্পরবিরোধীই নয়- যেন এরা দুই বিশালদেহী মল্লযোদ্ধা, পরস্পরকে ঘায়েল করার জন্য প্রচণ্ড ও নিষ্ঠুরভাবে আঘাত-প্রত্যাঘাতে উন্মত্ত।
এডওয়ার্ড সাঈদের সমালোচনার ভাষায়- স্যামুয়েল হান্টিংটনের তত্ত্বমতে পাশ্চাত্যের নীতিনির্ধারকদের চ্যালেঞ্জ হচ্ছে, পশ্চিমা সভ্যতা-সংস্কৃতি রক্ষার জন্য আরও শক্তি অর্জন করা এবং অন্য সকল সভ্যতা-সংস্কৃতি, বিশেষ করে ইসলামী সভ্যতা-সংস্কৃতির বিরুদ্ধে শক্তিশালী প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তোলা নিশ্চিত করা। হান্টিংটন নিজেকে কোনো ধর্মীয় মতাদর্শের লোক বলে দাবি করেননি, তিনি মূলত রাজনৈতিক মতাদর্শের লোক। তাঁর রাজনীতি ও মতাদর্শ হলো-পুঁজিবাদ-সাম্রাজ্যবাদ এবং যিনি তাঁর নিজের (পাশ্চাত্য) সভ্যতা সংস্কৃতিকে পাশ্চাত্যের বাইরে বাদবাকি সকলের ওপর চাপিয়ে দিতে চান।
অবশ্য এর বিপরীতে এডওয়ার্ড সাঈদের দাবি হচ্ছে- ‘না, পাশ্চাত্য, পাশ্চাত্যই থাকবে, ইসলাম ইসলামই থাকবে’। সাঈদ মনে করেন- পাশ্চাত্য সভ্যতা, ইসলামী সভ্যতা ও অন্যান্য সভ্যতা-সংস্কৃতির কর্তব্য হলো, সকল সভ্যতা-সংস্কৃতির পরস্পরের মধ্যে বিরোধ মিটিয়ে  বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক স্থাপনে সক্রিয় হওয়া। একে অপরের সহযোগী ও সহমর্মী হওয়া। পৃথিবীতে নানা যুগে, নানা সভ্যতা-সংস্কৃতির অসংখ্য স্রোত পরস্পর দ্বন্দ্ব ও মিলনে পরিশুদ্ধ হয়ে মানব-ইতিহাসকে সমৃদ্ধ ও প্রাণবন্ত করেছে। শত-সহস্র বছর ধরে ইতিহাসে ধর্মে-ধর্মে কিংবা রাজ্যজয়ের জন্য কেবল যুদ্ধই হয়নি, বরং পরস্পরের সঙ্গে ভাবের বিনিময়ও হয়েছে। ধর্মে-ধর্মে, জাতিতে-জাতিতে সঙ্কর প্রজনন ঘটেছে এবং পরস্পর মিলে-মিশে একাকারও হয়েছে।
মানবজাতির এই ইতিহাসকে উপেক্ষা করে হান্টিংটন অকাট মুর্খের মতো কেবল যুদ্ধ ও সংঘাতকেই সভ্যতা-সংস্কৃতির দ্বন্দ্ব-বিরোধের একমাত্র মীমাংসা বলে সিদ্ধান্ত টেনেছেন। বলাবাহুল্য পৃথিবীতে সভ্যতা ও সংস্কৃতির দ্বন্দ্ব সবসময়ই থাকবে। কিন্তু সে দ্বন্দ্ব-বিরোধ নিরসনের পন্থা যে ধর্মে-ধর্মে, জাতিতে-জাতিতে রক্তক্ষয়ী সংঘাত ও যুদ্ধ ছাড়া অন্যকিছুও হতে পারে, এই কা-জ্ঞান হারিয়ে ফেলে হান্টিংটন সাহেব মূলত ‘সভ্যতার বিরোধ’ নয় ‘অজ্ঞতার বিরোধে’র খানা-খন্দে ঝাঁপ দিয়েছেন, যার পরিণতিতে সহসাই মনে হতে পারে যেন মানবসভ্যতার ইতিহাসে এক মহাপ্রলয় অত্যাসন্ন।
কিন্তু প্রশ্ন হলো, হান্টিংটন চাইলেই কি অর্থ ও অস্ত্রের জোরে যুদ্ধ করতে করতে পাশ্চাত্য সভ্যতাই চূড়ান্ত বিজয়লাভ করবে, আর ইসলামী সভ্যতা, চীনা সভ্যতা বা অন্যসব সভ্যতা ধ্বংস হয়ে যাবে? না, তা কিছুতেই হবে না। তবে ভয়ের কারণ হলো, পশ্চিমা বিশ্ব হান্টিংটনের ‘তত্ত্ব’ অনুযায়ী চালিত হলে সভ্যতাগুলো অসুস্থ হবে, বিকলাঙ্গ হবে। এর ফলে বহু সংস্কৃতির ভাববিনিময়ের পরিবর্তে মানুষে-মানুষে, জাতিতে-জাতিতে আক্রোশ ও বিদ্বেষ বৃদ্ধি পাবে। এভাবে গোটা মানবসভ্যতাই হুমকির মধ্যে পতিত হতে পারে। আর এখনকার বিশ্ব পরিস্থিতিতে অসুস্থতা ও বিকলাঙ্গতার জীবন্ত প্রতীক যে, পাশ্চাত্য সভ্যতার আজকের পালের গোদা ডোনাল্ট ট্রাম্প তাতে সন্দেহ কি?

দুই.
স্যামুলেয় হান্টিংটনের ‘তত্ত্ব’ নিয়ে এতোক্ষণ সংক্ষিপ্ত আলোচনার পর এখন বাংলাদেশের অবস্থা নিয়ে কিছু কথাবার্তা বলবো। না, বাংলাদেশে ইসলামী তথা মুসলিম সভ্যতা-সংস্কৃতির বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার জন্য হান্টিংটন সাহেব অথবা তার ‘প্রেতাত্মা’ উপস্থিত নেই। ডোনাল্ড ট্রাম্প সাহেবও সশরীরে উপস্থিত নেই। বরং হান্টিংটন সাহেব আজ জীবিত থাকলে বাংলাদেশকে দেখে খুব খুশি হতেন এইভেবে যে, ইসলামের বিরুদ্ধে তার আপোসহীন যুদ্ধের তত্ত্ব সবচেয়ে বেশি সাফল্য অর্জন করেছে প্রাচ্যের এই ক্ষুদ্র দেশটাতে। হান্টিংটনের সভ্যতা-সংস্কৃতির বিরোধের তত্ত্ব এখানে স্থানীয় রূপ নিয়েছে ‘ধর্মনিরপেক্ষতা ও ‘মৌলবাদে’র মধ্যকার বিরোধে। না, ভুল বোঝাবুঝির কোনো অবকাশ নেই, কারণ বাংলাদেশের কথিত ধর্মনিরপেক্ষতাবাদীদের সুস্পষ্ট দৃষ্টিভঙ্গি মতে ‘মৌলবাদ’ বলতে এখানে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে ইসলামকেই বোঝায়।
পাশ্চাত্যের অনুরূপ এখানে ধর্মনিরপেক্ষতাবাদীদের সংস্কৃতিকে বলা হয় ‘আধুনিক’, ‘প্রগতিশীল’। আর মৌলবাদ তথা ইসলামের সভ্যতা-সংস্কৃতিকে বলা হয় পশ্চাৎপদ, মধ্যযুগীয়, বর্বর। সাধারণ কা-জ্ঞানসম্পন্ন দৃষ্টিভঙ্গিমতে বলতে হয়- ইসলাম মধ্যযুগের ধর্ম বটে এবং প্রাক্-মধ্যযুগের ধর্ম হওয়ায় ইসলাম এক বিস্ময়ও বটে। কারণ চৌদ্দশ’ বছর আগে যে ধর্ম শ্রমজীবী মানুষ ও শ্রমের জয়গান করলো। যে ধর্ম ঘোষণা করলো, ‘শ্রমিকের ঘাম শুকানোর আগে তার মজুরি প্রদান কর’- সেই ধর্ম আমাদের বাংলাদেশের অতি আধুনিক ধর্মনিরপেক্ষতাবাদীদের কাছে হয়ে গেল ‘মধ্যযুগীয়’, ‘বর্বর’!
যাহোক, এখানকার ধর্মনিরপেক্ষতাবাদীরা হান্টিংটনের মতোই নির্মম, আপোসহীন ও যান্ত্রিক। তারাও ইসলামী সভ্যতা-সংস্কৃতির সাথে কথিত আধুনিক সংস্কৃতির অবৈরী দ্বন্দ্বকে পরিণত করেছেন বৈরী দ্বন্দ্বে। হান্টিংটনের মতো তারাও দুই সংস্কৃতির পরস্পরের বিরোধ মিটিয়ে একে অপরের সহযোগী ও সহমর্মী হওয়ার ঘোরবিরোধী। ইউরোপ-আমেরিকার সেকুলাররা, পাশ্চাত্যের জ্ঞানবিজ্ঞান ও সভ্যতার বিকাশে ইসলাম ও মুসলমানদের ঐতিহাসিক অবদানের কথা অন্তত অকপটে স্বীকার করে। কিন্তু আমাদের দেশের কথিত ধর্মনিরপেক্ষতাবাদীরা চিন্তা চেতনায় এতোটাই সংকীর্ণমনা ও সাম্প্রদায়িক যে, তাদের  নিজের দেশের তথা ভারত উপমহাদেশের সভ্যতা-সংস্কৃতির বিকাশে ইসলামের যে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা আছে, সে ইতিহাস পাঠে তারা শুধু অনীহাই প্রকাশ করেন না, ঘোরতর বিদ্বেষও পোষণ করেন। বাংলাদেশের বাঙালী সংস্কৃতির বিকাশেও যে ইসলাম ও মুসলামানদের বিরাট অবদান আছে তাও স্বীকার করতে তারা কুণ্ঠাবোধ করেন।

তিন.
পাশ্চাত্যের হান্টিংটন-অনুসারীদের চিন্তা-চেতনার সাথে আমাদের দেশের কথিত ধর্মনিরপেক্ষতাবাদীদের আরও এক জায়গায় হুবহু মিল খুঁজে পাওয়া যায়। ২০০১ সালের ৯/১১ তে কতিপয় জনবিচ্ছিন্ন উগ্র জঙ্গিগোষ্ঠীর দ্বারা সংঘটিত আত্মঘাতি হামলা ও ব্যাপক হত্যাযজ্ঞের ঘটনা মিডিয়ার বদৌলতে, হান্টিংটনের ‘তত্ত্বে’র সত্যতার প্রমাণরূপে প্রতিষ্ঠা হয়ে গেল। অথচ ঐ ভয়াবহ ঘটনার পেছনে যে, হান্টিংটনের অনুসারী পাশ্চাত্যের নীতিনির্ধারকদের সুপরিকল্পিত প্রণোদনা ও নেপথ্য সহযোগিতা বড় ভূমিকা পালন করেছে সে ইতিহাস মিডিয়ার কারসাজির মাধ্যমে আলবৎ চাপা পড়ে গেল।
৯/১১-র ঘটনা ছিল ষড়যন্ত্রমূলকভাবে প্রণোদিত মুষ্টিমেয় ক্ষ্যাপা উগ্রপন্থীর চরম হঠকারি কাণ্ড। কিন্তু এটিকে সেভাবে না দেখে পাশ্চাত্যের নীতিনির্ধারকরা ও তাদের নিয়ন্ত্রিত মিডিয়াগুলো ব্যাপকভাবে প্রচার করলো বিরাট আতঙ্কের বিষয় হিসেবে এবং কৌশলে এর দায়-দায়িত্ব চাপিয়ে দেওয়া হলো গোটা মুসলিম কমিউনিটির ওপর, ইসলামের ঘাড়ে। অথচ এ ঘটনার দায় আজ পর্যন্ত কেউ স্বীকার করেনি। পরবর্তীতে এ ধরনের বহু জঙ্গি হামলার দায় একাধিক জঙ্গিগোষ্ঠী স্বীকার করলেও সেগুলোও যে, পাশ্চাত্যের নীতিনির্ধারকদের নানা কলাকৌশলের মাধ্যমে ঘটে, এটি এখন প্রকাশ্য আলোচনার বিষয়ে পরিণত হয়েছে।
বাংলাদেশেও উগ্র-জঙ্গি হামলার ঘটনা ঘটে, যত্রতত্র ঘটছে। এখানেও এসব ঘটনার পেছনে থাকে অনেক ‘রহস্য’। এখানেও কতিপয় উগ্র-ক্ষ্যাপা তরুণদের দ্বারা সংঘটিত জনবিচ্ছিন্ন হঠকারি ঘটনার দায় চাপানো হয় ধর্মপ্রাণ নিরীহ মুসলমানদের ওপর, ইসলামের ঘাড়ে। এর ফলে সঙ্কট ক্রমশ আরও জটিল হয়। হান্টিংটনের তত্ত্বের দেশীয় আদল তৈরিতে বিভিন্ন স্বার্থান্বেষী শক্তির সুবিধা হয়।
সুতরাং এটি আজ একরকম নিশ্চিত করেই বলা যায়, এসব উগ্রপন্থী জঙ্গি হামলার ঘটনার পুনরাবৃত্তি ও উগ্র জঙ্গিদের ক্রমশ সংখ্যাবৃদ্ধির মূল কারণ দেশে-বিদেশে হান্টিংটনের তত্ত্বের অনুসারীদের নেপথ্য উস্কানি। ইসলাম ও মুসলমানদের বিরুদ্ধে বিদ্বেষমূলক প্রচারণা। সবচেয়ে ভয়াবহ ব্যাপার হলো-এই ইসলাম-বিদ্বেষ যতোটা না ধর্মীয় বা সাম্প্রদায়িক কারণে, তারচেয়ে বেশি রাজনৈতিক স্বার্থে। পাশ্চাত্যের নীতিনির্ধারকদের রাজনৈতিক স্বার্থ হচ্ছে দুনিয়াব্যাপী প্রভুত্ব কায়েম করা, আর তৃতীয় বিশ্বের দেশসমূহের নীতিনির্ধারক, সুশীলশ্রেণী ও ধর্মনিরপেক্ষতাবাদীদের রাজনৈতিক স্বার্থ হচ্ছে ক্ষমতা, অর্থ, যশ ও প্রতিপত্তি। বাংলাদেশে ‘হান্টিংটন-মার্কা’ এই ধরনের চিন্তা-চেতনা ও ভাবধারারই আরেক নাম মনে হয় ‘ব্রাহ্মণ্যভাবধারা’।

আরো খবর

Disconnect