হুমায়ূন আহমেদের ‘ঘেটুপুত্র কমলা’

বিপন্ন জীবনের সাহসী রূপায়ণ

হুমায়ূন আহমেদ

হুমায়ূন আহমেদ

চলচ্চিত্রকার হুমায়ূন আহমেদের শেষ চলচ্চিত্র- ‘ঘেটুপুত্র কমলা’। ‘ঘেটুপুত্র কমলা’র গল্প প্রায় দেড়শ’ বছর আগের। হবিগঞ্জ জেলার জলসুখা গ্রামে এক বৈষ্ণব আখড়ায় ঘেটুগানের যাত্রা শুরু হয়েছিল। যার মূল বা প্রধান বৈচিত্র্য ছিল মেয়ের পোশাক পরে কিছু রূপবান কিশোরের নাচগান। এরাই ঘেটু নামে পরিচিতি পায়। গান হতো প্রচলিত সুরে, যে সুরে উচ্চাঙ্গসংগীতের প্রভাব ছিল স্পষ্ট। অতি জনপ্রিয় এই সংগীতধারায় নারীবেশী রূপবান কিশোরদের উপস্থিতির কারণে সংগীতের নতুন ও অভিনব ধারার মধ্যে অশ্লীলতা ঢুকে পড়ে।

বিত্তবানরা ঘেটুদের যৌনসঙ্গী হিসেবে ব্যবহার শুরু করে। কালের ধারায় এক সময়ে সামাজিকভাবে বিষয়টা স্বীকৃতিও পেয়ে যায়। হাওর অঞ্চলের সৌখিন ও বিত্তশালীরা জলবন্দি সময়টায় কিছুদিনের জন্য হলেও ঘেটুপুত্রদের নিজের কাছে রাখবে, ঘটনাটা স্বাভাবিক বিবেচিত হতে থাকে; কিন্তু সৌখিন মানুষের স্ত্রীরা সহ্য করতে পারত না বিষয়টিকে। তারা ঘেটুপুত্রকে দেখতেন সতীন হিসেবে। এক সময়ের জনপ্রিয় এই ঘেটুগান, ঘেটুপুত্র আজ স্মৃতি। সংগীতের নামে কদাচার আর লালসার আগ্রাসন এখন বন্ধ। 

পানিতে টইটম্বুর হাওরের মাঝখানে একটা দোতলা বাড়ির ছাদে চেয়ারে বসে আছে বাড়ির মালিক মহাজন চৌধুরী গম্ভীর মুখে। সামনে ক্যানভাস রেখে তার প্রতিকৃতি আঁকছে শিল্পী, শাহ আলম। পরের দৃশ্যে- হাওরের পানি পার হয়ে আসতে থাকে একটি বড় নৌকা। নৌকায় ঘেটু দল। তারা নৌকার ছাদে নাচছে আর গাইছে। নৌকা এসে ভিড়ে মহাজনের বাড়ির বিশাল ঘাটে। দলটি প্রচুর কৌতূহল নিয়ে ঢুকে পরে চৌধুরী মহলে। ধীরে ধীরে ঘটনা একদিকে জট পাকায়, অন্যদিকে খুলতে থাকে। ঘটনা ঘটতে থাকা আর খুলতে থাকার মাঝখানে হুমায়ূন আহমেদ নিখুঁত দক্ষতায় বয়ন করেন তার শ্রেষ্ঠ সিনেমা, ‘ঘেটুপুত্র কমলা’। 

মহাজনের ঘরের ভেতরে আরও ঘর। সুন্দরী স্ত্রী বাড়িতে ঘেটুপুত্রের আগমনে ক্ষিপ্ত, অপমানিত হয়ে স্বামীকে বলেন, তাকে তার বাপের বাড়ি রেখে আসতে। ঘেটুপুত্র চলে যাওয়ার পর সে আসবে। পুরুষ মহাজন চৌধুরীদের ভেতরে হায়েনার মতো লুকিয়ে থাকে যে দানব, মুহূর্তে ঘটে সেই দানবিকতার প্রকাশ। মহাজন জানায় গেলে, চিরকালের জন্য যাও। যাওয়া আসার কী দরকার? বাড়িতে পালিত মাওলানাকে ডাকে, তালাকের মাসলার জন্য। 

নারী, সে যতো সুন্দরী হোক, তালাক তার জীবনের নির্মম অভিশাপ। তালাক নিয়ে কোথায় যাবে সে? বাপের বাড়ি? সেখানে তার জন্য কী অপেক্ষা করছে গঞ্জনা আর অপমান ছাড়া? সুতরাং স্ত্রীকে নিজের থুথু নিজেকে গিলে ফেলতে হয়। বলে- না আামি বাপের বাড়ি যাব না। 

আগের চিত্রনাট্য আরও ভয়াবহ, কমলাকে সাজায় মহাজনের স্ত্রী। তারও আগের দৃশ্যে, মহাজনের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক পরিচয়ের পর্বে গানের আসর বসে বাড়িতে। সেখানে কমলা আর তার ড্যান্স মাস্টার নেচে নেচে গান শোনায়- বাজে বংশী... রাজহংসী নাচে হেলিয়া দুলিয়া...। গান শেষে আমরা দেখি মানুষের নিচুতার আর একটি দৃশ্য। মহাজন লোকদের আদেশ করে- কমলার শরীরের এই বিশ্রী পোশাক আমার পছন্দ না। পছন্দ না এই সাজ সজ্জাও। ওকে আমার স্ত্রীর কাছে পাঠাও, সে সুন্দর করে সাজিয়ে দেবে। 

নাচ শেষে মহাজন ডাকে ড্যান্স মাস্টারকে; কিন্তু ড্যান্স মাস্টারের সঙ্গে সঙ্গে আসে ফজলু, কমলার বাবাও। মহাজন জানতে চাইলে, নিজেকে বিপন্ন করে ফজলু প্রথমে বলে, জনাব আমি এই দলের অধিকারি। তারপরও যখন মহাজন যেতে বলে তখন আরও স্পষ্ট করে বলেন অধিকারী, জনাব আমি কমলার পিতা। মহাজন তীক্ষ্ণ চোখে তাকায় এবং দৃশ্যটিতে ওই মুহূর্তের ভেতরে পরিচালক গেঁথে দিয়েছেন দুটি পয়সার জন্য মানুষের অমানুষ হওয়ার তিক্ততিলক। মহাজনের দেওয়া বকশিসের ভাগ পাওয়ার জন্য দরিদ্র মানুষের কোনো আত্মসম্মানবোধ থাকে না। সামান্য খুদ কুড়া পাওয়ার জন্য পিতার মর্যাদাও বিসর্জন দিতে কুণ্ঠিত হয় না। মহাজন তিনটি রূপার টাকা দিয়ে যখন ড্যান্স মাস্টারকে আদেশ করে, অধিকারীকেও ভাগ দিও, তখন এক টুকরো ক্ষুধিত লোভী চকচকে হাসি দেখতে পাই, ফজলুর চোখে মুখে। মানুষের আদিমতার বিকৃতি চিরকালের। নিজের লালসাকে চরিতার্থ করার জন্য, ক্ষমতার, বিত্তের বিনোদনের নামে এইভাবে ঘরে ঘরে তৈরি হয়েছে অসংখ্য গল্প, চিত্রনাট্য। কথাশিল্পী হুমায়ূন আহমেদের বড় কৃতিত্ব হারিয়ে যাওয়া আখ্যানকে নতুন করে মানুষের সামনে, দর্শকদের সামনে নিয়ে এসেছেন। ব্যক্তিগতভাবে, আমি ভীষণ উপকৃত হয়েছি। কারণ, হবিগঞ্জের হাওড়ে তৈরি হওয়া এই মিথ বা আখ্যান জানতাম না। শুধু আমি কেনো, ভাটি অঞ্চলের বাইরের অনেকেই জানতেন, মনে হয় না। 

সিনেমা শিল্পের সর্বাধুনিক কলা। কোনো ঘটনা বা আখ্যান একবার সেলুলয়েডের ফিতায় বন্দি হলে, চিরকালের জন্য থেকে যায়। হবিগঞ্জের হারিয়ে যাওয়া এই আখ্যান চিরকালের জন্য অক্ষয় করে গেঁথে দিলেন পরিচালক, চিত্রনাট্যকার হুমায়ূন আহমেদ তার ঘেটুপুত্র কমলায়। সেইকালে মহাজনরূপী ঘাতকদের লালসার কাছে ঘেটুপুত্রদের যে পাশবিকতার শিকার হতে হয়েছে, যে ক্রন্দন তারা আসমানে জমিনে রেখে গেছে, সেই যুথবদ্ধ বেদনা ও ক্রন্দনের প্রতি আমাদের সমবেদনা সৃষ্টি করে। মনে করিয়ে দেয়, দারিদ্র আর বিত্ত চিরকালের শোষণের মাধ্যম। তারই মুখচ্ছবি দেখি- কমলাকে আক্রান্ত করার সময়ে, মহাজনের স্ত্রী, মেয়ের কান্নার সময়ে, বাড়ির নিচে অপেক্ষারত পিতা, ফজলুর ভারাক্রান্ত মুখ,বেদনার্ত মুখ, নিপীড়িত মুখ। সেই মুখের ওপর খোদিত ভারাক্রান্ত দুটি অসহায় চোখ। ফজলু যতই পাষ- হোক, অর্থের কাছে বিক্রি হোক পিতা তো। পুত্রের পিতা। জেনে শুনেই নিয়ে এসেছে মহাজনের বাড়িতে, ছেলেকে দিয়ে টাকা রোজগার করবে। টাকা! টাকাই মানুষের সমস্ত পরাজয়ের প্রতিভূ। কোমলমতি ছেলের কান্না, অপমানও যেখানে কোনো ভূমিকা রাখতে পারে না। 

‘ঘেটুপুত্র কমলা’ ছবিতে ভয়ংকর একটি দৃশ্য রেখেছেন চলচ্চিত্রকার হুমায়ূন আহমেদ। অবশ্য মানুষের ভেতরে অদম্য জিঘাংসার রূপান্তর কতো ভয়ংকর হতে পারে, অক্ষমতার তাড়নায় নারীর ভেতরের রুদ্ধ প্রকাশ কতোটা হন্তারক হতে পারে, এই দৃশ্যটি তারই নবায়ন। কমলাকে প্রায় প্রতিরাতে সাজায় মহাজনের স্ত্রী। কাঁদে আর সাজায়। তীব্র অপমানের হলাহলে নিস্পেষিত স্ত্রী কীভাবে নিজেকে সামলে নেবে? দৃশ্যে দেখতে পাই- কমলাকে সাজিয়ে শান্ত ক্রোধে সমাবৃত্ত স্ত্রী কমলাকে বলে, কাছে আয়। কমলা কাছে যায়। বলে- হা কর। কমলা হা করে। স্ত্রী বলে, আরও হা কর। কমলা হা করে। কমলার মুখের গহব্বরে মহাজনের স্ত্রী থুথু নিক্ষেপ করে। কমলা রূদ্ধশ্বাসে চলে আসে। আসতে বাধ্য হয় এক নারীর ক্রোধের থুতু গিলে।

মহাজনের বাড়িতে কয়েকজন মানুষ। প্রতি জন মানুষের একটা জীবন ধারা আছে। প্রতিটি জীবনের আলাদা সুখ ও অসুখের রূপান্তর আছে। তারই বহুমাত্রিক প্রকাশ দেখি ‘ঘেটুপুত্র কমলা’ ছবির প্রতিটি দৃশ্যে। কমলাকে একবার ছাদ থেকে প্রায় ফেলে দিচ্ছিলও; কিন্তু বাড়িতে মহাজনের ছবি আঁকার জন্য থাকা শিল্পী শাহ আলম দেখে ফেলে। শিল্পী শাহ আলমের কারণে সে যাত্রায় বেঁচে গেলেও, ময়না অপেক্ষায় থাকে ক্ষুধিত নেকড়ের মতো। মানবজমিনের বিচিত্র খেয়ায় ঘটে কত ঘটনা। মহাজনের মেয়ের সঙ্গে সুন্দর একটা সম্পর্ক তৈরি হয় কমলার। কমলা বাড়িতে মহাজনের মেয়েটির মতো বোন রেখে এসেছে। মেয়েটিও বাড়িতে সমবয়সি কমলাকে পেয়ে গল্পে, খেলায় সময় কাটায়। অনেক সময় কমলার সঙ্গে ছাদে থাকে মেয়েটি। হাওড়ের পানি কমছে। যাবার সময় হচ্ছে কমলাদের। মহাজন বা চৌধুরীর স্ত্রী তাড়া দেয় ময়নাকে- ঘেটুপুত্র কমলাকে ছাদ থেকে ফেলে দেওয়ার জন্য। শিল্পী শাহ আলমকে তাড়া দেয় চৌধুরী ছবিটা শেষ করার জন্য। ময়না বুভুক্ষ ঈগলের মতো অপেক্ষায় থাকে কাঙ্ক্ষিত সময়ের। কখন কমলা উঠবে কার্নিসে, কখন দেবে একটি ধাক্কা। শেষ হয়ে যাবে একটি কমলার জীবনের গল্প। 

চৌধুরী গিন্নির কাছে কৈফিয়ত দেয়- আপনের মেয়ে সব সময়ে ঘেটুপুত্রের সঙ্গে থাকে। সে জন্য আমি কিছু করতে পারি না। চৌধুরী গিন্নি মেয়েকে আটকে রাখে ঘরের ভেতর। ময়না যায় ছাদে। ঘেটুপুত্র কমলাকে পেছন থেকে দেয় ধাক্কা। কমলা নিমিষে কঠিন ইটের চাতালে পরে থেতলে যায়। একটি কচি জীবনের নির্মম সমাপ্তি। কমলাকে ফেলে দেওয়ার ছায়া ছায়া অনুপম দৃশ্য দেখে শিল্পী শাহ আলম। মহাজন চৌধুরী বড় বিবেচক মানুষ। লালসার ভোগ কেনে টাকায়। দান খয়রাত করেও মজা পায়, সুখ পায়। কমলার বাবাকে, মাকে সন্তুষ্ট করার মতো প্রচুর টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়। স্বাভাবিকভাবেই ফজলুর মুখ বন্ধ। শিল্পী চৌধুরীর আঁকা ছবি দিয়ে চলে যায়, যাবার সময়ে বার বার একটা কথা বলতে চায় চৌধুরীকে, দর্শক হিসেবে আমরা বুঝি, বলতে চায়- চৌধুরী সাহেব, আমি দেখেছি কমলাকে কে হত্যা করেছে; কিন্তু দারিদ্রর চিরায়ত দ্বিধা, সংকোচ, ভয়ের কারণে কোনো কিছু না বলে, দ্বিধার হোমরস পান করতে করতে চলে যায়।

কিন্তু হুমায়ূন আহমেদ তুখোড় তীরন্দাজ। তিনি জানতেন কোথায় তীরের জ্যাঁ মুক্ত করতে হবে, শিল্পবোধনের কোন নিক্তিতে চড়ে কতটুকু ছাড় দিতে হবে। আমরা ‘ঘেটুপুত্র কমলা’র সিনেমার প্রায় শেষ দৃশ্যে দেখি- ময়নার হাতে মহাজন চৌধুরী বিয়ের রাতে স্ত্রীকে দেওয়া সোনার বালা। বুদ্ধিমান মহাজন চৌধুরী মুহূর্তে বুঝে যায়, ঘটনার কালচক্র। স্ত্রীকে ডেকে বিয়ের বালা কোথায় জানতে চায়। স্ত্রী নির্বাক। চৌধুরী ঘোষণা করে- ময়নাকে যেন বাড়িতে আর না দেখে। ব্যস, ‘ঘেটুপুত্র কমলা’ এখানেই শেষ। 

টাকা এমন এক করাতের নাম, যার বিনিময়ে যে কেউ কাটতে রাজি থাকে। কমলা, যে মহাজন চৌধুরীর লালসার শিকার, প্রথম দিকে, কমলার যে ভয়, যে সংকোচ আমরা দেখি, পরের দৃশ্যগুলোতে দেখি, সে অনেকটা সহজ হয়ে এসেছে চৌধুরীর কাছে। বিছানায় যাওয়ার আগে চৌধুরী রুপার টাকা দিলে কমলা হাসিমুখে, লোভাতুর চোখে স্বাভাবিকভাবে গ্রহণ করে। কমলাও জেনে গেছে, সে টাকা উৎপাদন করার যন্ত্র। অন্তত ওর বাবা ফজলুর কথাতো আমাদের মনে রাখা দরকার। সে বলেছে, মাত্র তিন মাস। দেখতে দেখতে কেটে যাবে। চৌধুরী মহাজনের বাড়ি থেকে যাবার পর নতুন ঘর উঠাবে ফজলু। লোভের কাছে অধিকাংশ সময়ে হেরে যায় আমাদের পরম আত্মা। যেভাবে ঘেটুপুত্র কমলা’ চলচ্চিত্রে হেরেছে ফজলু, ফজলুর পিতৃত্ব। 

‘ঘেটুপুত্র কমলা’ চলচ্চিত্র নির্মাণ করে হুমায়ূন আহমেদ দেখিয়েছেন অমিত সাহস। কারণ- বাংলাদেশের ব্যাধিগ্রস্ত, কূপমূক সংস্কৃতির বালাখানায় এমন একটি বিষয় নিয়ে চলচ্চিত্র করতে বুকের পাটা লাগে। লাগে দুর্নিবার সাহস। আমি নিশ্চিত করে বলতে পারি, এ ধরনের গল্পের চিত্রনাট্য নিয়ে সিনেমা করার সাহস এই সময়ের অধিকাংশ চলচ্চিত্র পরিচালকের নেই। বাংলাদেশের মূল ঘরানার চলচ্চিত্র আটকে আছে একটি প্রাচীন ফরমেটে। সেই ফরমেট ভেঙে পৃথিবীর চলচ্চিত্র এগিয়ে গেছে অনেক দূর। এমন কি পাশের দেশের প্রদেশ পশ্চিমবঙ্গে চলছে চলচ্চিত্রের পূর্ণ যৌবনকাল। আর আমরা, এখন আদিকালের ফরমেটে, গৎবাঁধা কাহিনীর জালে মৃত মাছের মতো আটকে আছি। হুমায়ূন আহমেদ গৎবাঁধা কাহিনীর ঘোমটা এক ঝটকায় খুলে দিয়েছেন। 

হুমায়ূন আহমেদ শিল্পের সব আঙিনায় সফল। তিনি ছোট গল্পে, উপন্যাসে, সিনেমায়- একক এক সাম্রাজ্য গড়েছিলেন নিজের চেতনায়, নিজের রঙে, নিজের ঢংয়ে। সেই পাস্তুরিত চেতনার শেষ নির্মাণ, অবাক ছবি ‘ঘেটুপুত্র কমলা’। যতদিন সেলুলয়েডের ফিতা বেঁচে থাকবে পৃথিবীতে, ততদিন তিনি থাকবেন। সমাজের অন্তজ শ্রেণির মানুষের কাছে, হারিয়ে যাওয়া ঘেটুপুত্রদের তুলে ধরে তিনি বলতে চাইলেন, মোর নাম এই বলে খ্যাত হোক, আমি তোমাদেরই লোক...।

মন্তব্য করুন

Epaper

সাপ্তাহিক সাম্প্রতিক দেশকাল ই-পেপার পড়তে ক্লিক করুন

Logo

ঠিকানা: ১০/২২ ইকবাল রোড, ব্লক এ, মোহাম্মদপুর, ঢাকা-১২০৭

© 2021 Shampratik Deshkal All Rights Reserved. Design & Developed By Root Soft Bangladesh