নথি গায়েব : জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৬ জনকে নিয়ে গেছে সিআইডি

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যশিক্ষা বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ ১৭টি ফাইল চুরি যাওয়ার পর আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু করেছে মন্ত্রণালয় ও পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। এসময় মন্ত্রণালয়ের ছয় কর্মচারীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য কার্যালয়ে নিয়ে গেছে সিআইডি। 

তদন্তের কাজে আজ সকালে সচিবালয়ে যায় ‘সিআইডি ক্রাইম সিন’। তারা সচিবালয় তিন নম্বর ভবনের নিচতলার ২৪ নম্বর কক্ষে এসে আলামত সংগ্রহ করেন। এ কক্ষে কর্মরতদের জিজ্ঞাসাবাদ করেন সিআইডির কর্মকর্তারা।

জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ওই কক্ষের ছয়জনকে দুপুর সোয়া ১টার দিকে একটি মাইক্রোবাসে করে সিআইডি কার্যালয়ে নেয়া হয়। তারা হলেন- জোসেফ, আয়শা, বাদল, বারী, মিন্টু ও ফয়সাল।

সিআইডির পুলিশ সুপার (এসপি) মো. কামরুজ্জামান সাংবাদিকদের বলেন, ‘এখানে একটি ঘটনা ঘটেছে। মামলা হয়নি, সাধারণ ডায়েরি (জিডি) হয়েছে। আমাদের বলা হয়েছে, আমরা যেন ছায়া তদন্ত করি। সিআইডির টিম ছায়া তদন্তের অংশ হিসেবে জিজ্ঞাসাবাদ করতে এসেছে।’ 

ফাইল খোয়া যাওয়ার ঘটনায় শাহবাগ থানায় একটা জিডি করা হয়েছে। থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মওদুদ হাওলাদার বলেন, গত ২৮ অক্টোবর জিডি করেন উপসচিব নাদিরা হায়দার।

তিনি বলেন, জিডিতে উল্লেখ করা হয়েছে গত ২৭অক্টোবর অফিসের সময় শেষ করে সবাই চলে যান। পরের দিন ২৮ অক্টোবর অফিসে এসে ১৭টা ফাইল আর পাওয়া যায়নি। ফাইলগুলো ক্রয় শাখার কম্পিউটার অপারেটরের ড্রয়ারে ছিল বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব শাহ আলম বলেন, ফাইল চুরির ঘটনায় তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি করা হয়েছে। ফাইলে কী ধরণের তথ্য রয়েছে সে সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি পরিষ্কার করে কিছু বলেননি।

তিনি বলেন, তদন্ত শেষে সঠিক তথ্য জানা যাবে। তদন্ত শেষ হতে এক সপ্তাহ সময় লাগতে পারে।

নথি গায়েবের ঘটনায় মন্ত্রণালয়টির অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন অনুবিভাগ) মো. শাহ্ আলমকে প্রধান করে চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির অন্য দুই সদস্য হলেন—মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব (চিকিৎসা শিক্ষা) মো. আহসান কবীর, উপসচিব (চিকিৎসা শিক্ষা-১) মোহাম্মদ আবদুল কাদের ও উপসচিব মল্লিকা খাতুন। 

মন্তব্য করুন

Epaper

সাপ্তাহিক সাম্প্রতিক দেশকাল ই-পেপার পড়তে ক্লিক করুন

Logo

ঠিকানা: ১০/২২ ইকবাল রোড, ব্লক এ, মোহাম্মদপুর, ঢাকা-১২০৭

© 2021 Shampratik Deshkal All Rights Reserved. Design & Developed By Root Soft Bangladesh

// //