আর্যভট্ট; গণিতশাস্ত্র ও জ্যোতির্বিদ্যার অগ্রপথিক

প্রাচীন ভারতের জ্যোতির্বিদদের শাস্ত্র ছিলো পঞ্চভূত (ক্ষিতি, অপ, মরুৎ, তেজ এবং ব্যোম) ভিত্তিক। যুক্তিবাদী আর্যভট্ট এই পঞ্চভূতীয় ভাববাদী আস্থাকে উপেক্ষা করে সর্বপ্রথম যুক্তিবাদী চিন্তাধারার প্রতিফলন ঘটিয়েছিলেন। গণিত ঐতিহাসিক প্রবোধ চন্দ্র সেনগুপ্ত তাঁকে ভারতীয় জ্যোতির্বিজ্ঞানের জনক খেতাবে আখ্যায়িত করেছিলেন। ৪৭৬খ্রিস্ট-পূর্বাব্দে নর্মদা এবং গোদাবরী নদীর মধ্যবর্তী অঞ্চলে আর্যভট্ট জন্মগ্রহণ করেন। এই অঞ্চলটি একদা প্রাচীন সংস্কৃত সাহিত্যে অশ্মাকা নামে পরিচিত ছিলো।

কৌটিল্যের অর্থশাস্ত্র থেকে জানা যায়- এই অঞ্চলটি বর্তমানে মহারাষ্ট্রের অন্তর্গত। প্রাচীন বৌদ্ধদের কথানুযায়ী অশ্মাকা বা অশকা দাক্কানে (দক্ষিণ দিকে) অবস্থিত। যে কোনো পরিস্থিতিতেই অশ্মকিয়ানরা সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছে। অ্যাস্পাসি এবং অ্যাসাকেনয় প্রমুখ গ্রিক কাহিনিকারদের থেকে জানা যায়- আলেকজান্ডারের শাসনকালে গ্রিক আক্রমণকে তারা সাহসীকতার সঙ্গে প্রতিহত করেছিল। ৪৯৯ খ্রিস্ট-পূর্বাব্দে কুসুমপুরে আর্যভট্ট ‘আর্যভট্টীয়’ পুঁথিটি রচনা করেছিলেন। ৪৭৭-৪৯৭ খ্রিস্ট-পূর্বাব্দে পাটলিপুত্র অথবা বর্তমান পাটনার সঙ্গে গুপ্তবংশের শেষ সম্রাট বুদ্ধগুপ্তের রাজত্ব মিলিত হয়ে কুসুমপুর গঠিত হয়েছিল। পিতামহের মৃত্যুর পরবুদ্ধগুপ্ত সমগ্র রাজ্যজুড়েসংঘটিত বিশৃঙ্খলাপূর্ণ পরিবেশকে নির্মূল করে শান্তিপূর্ণ বলিষ্ঠ শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। প্রাচীন ভারতে শিক্ষার অগ্রগতির জন্য গুপ্তযুগই স্বর্ণযুগ হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছিল।

মগধের রাজধানী পাটলিপুত্র (বর্তমান বিহার) সেইসময়ের শিক্ষা চর্চার মূল কেন্দ্র হয়ে উঠেছিল। পাটলিপুত্রে অবস্থিত পৃথিবী বিখ্যাত বিশ্ববিদ্যালয় ‘নালন্দা’ ছিলো তারই একটি উল্লেখযোগ্য নজির। আর্যভট্ট ছিলেন নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রহতত্ত্ব পর্যবেক্ষণ বিভাগের প্রধান। দুর্লভ্য ‘আর্যভট্ট সিদ্ধান্ত’ পুঁথিতে তিনি জ্যোতির্বিজ্ঞানবিষয়ক পর্যবেক্ষণে ব্যবহারযোগ্য বিভিন্ন যন্ত্রের সম্পর্কে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিয়েছিলেন। তিনি খুব অল্পসময়ের জন্য কুসুমপুরে বসবাস করেছিলেন। তাঁর হাত ধরেই সেখানে জ্যোতির্বিজ্ঞানের জয়যাত্রা ঘটেছিল, যা পরবর্তীকালে উন্নতির চরম শিখরে পৌঁছেছিল।

তিনটি বিষয়ে কর্মকাণ্ডের জন্য আর্যভট্ট বর্তমানে মানুষের কাছে বহুল পরিচিতি সম্পন্ন একজন ব্যক্তি। সেগুলো হলো- (ক) আর্যভট্টীয় (খ) আর্য-সিদ্ধান্ত (গ) আল-আনফ। পরবর্তীকালে আর্যভট্টের কিছু কাজ আরবি ভাষায় অনূদিত হয়েছে-এই তথ্য ইরানি গবেষক আল-বিরুণী (৯৭৩-১০৪৮) তাঁর ভারত সংক্রান্ত নথিতে উল্লেখ করেন। আল-বিরুণীর ত্রেতুযুগ সম্পর্কিত ছোট্ট বইটিতে এটির উল্লেখ আছে, কিন্তু এটি এখনো পর্যন্ত খুঁজে পাওয়া যায়নি। অন্যদিকে আল-বিরুণী আর্যভট্টের কর্মকাণ্ড সম্পর্কে সুস্পষ্টভাবে বলেছেন- ‘আমি তাঁর সম্পর্কে জেনেছি ব্রহ্মগুপ্তের উদ্ধৃতির মাধ্যমে।’

যদিও আর্যভট্টের সিদ্ধান্তের- কোনো অস্তিত্ব ছিলনা, তাঁর সমসাময়িক বরাহ মিহিরের লেখা (৫৮৭খ্রিস্ট-পূর্বাব্দ) থেকে আর্য-সিদ্ধান্ত সম্পর্কে জানতে যায়। পরবর্তীকালে ব্রহ্মগুপ্তের লেখার মাধ্যমেও এই বিষয়টি জনসমক্ষে আসে। তাঁর কর্মযজ্ঞের অন্যান্য ব্যাখ্যাকারকদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন প্রথম ভাস্কর (৬ষ্ঠ-৭ম শতাব্দী)। পুরাতন সূর্য-সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে আর্যভট্টের ‘সিদ্ধান্ত’ রচিত হয়েছিল, আজ এটা আমাদের সকলের কাছে সুস্পষ্ট। এখানে কিছু গণনার পদ্ধতি এবং নক্ষত্রবিজ্ঞানের বাঁধাসমূহ (যেমন: মধ্যরাত ভিত্তিক দিন গণনা) সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। আর্যভট্ট ‘আর্য-সিদ্ধান্ত’ শাস্ত্রে ‘যন্ত্র-অধ্যায়’ নামের একটি বিশেষ অধ্যায়ে নক্ষত্রবিজ্ঞানে ব্যবহার যোগ্য পরীক্ষামূলক বিভিন্ন যন্ত্র সম্পর্কে বিস্তারিত বিবরণ আলোচনা করা হয়েছে। এছাড়াও অন্য বিষয়গুলো যেসব অধ্যায়ে আলোচনা করা হয়েছে সেগুলো হলো- গণমন (গণক-যন্ত্র), সঠিক বৃত্তাকার ছায়া যন্ত্র (ছায়া-যন্ত্র), অর্ধবৃত্ত( ধনুক-যন্ত্র), বৃত্ত (চক্র-যন্ত্র), নলাকার লাঠির অনুরূপ (অস্থি-যন্ত্র), ছাতার অনুরূপ (ছত্র-যন্ত্র), জলঘড়ি (নলাকার এবং ধনুকাকৃতি)।

‘আর্যভট্টীয়’ শাস্ত্রে আলোচিত গণিত এবং নক্ষত্রবিজ্ঞান সম্পর্কিত সংক্ষিপ্ত এবং সুস্পষ্ট রচনাশৈলী বিশ্ব ইতিহাসে এক অভূতপূর্ব আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। এটি ১২৩টি শ্লোক বা সূত্র দ্বারা নির্মিত এবং চারটি অধ্যায়ে বিভক্ত : দশগীতিকাপাদ, গণিতপাদ, কলাক্রিয়াপাদ এবং গোলাপাদ। দশগীতিকাতে ১৩টি সূত্র বিদ্যমান। সূচনাপর্বের ২টি সূত্র এবং অন্তিমপর্বের ১টি সূত্র- যেগুলো গণনার বহির্ভূত হওয়ায় এই অধ্যায়ের নামকরণ হয়েছে দশগীতিকা। প্রথম সূত্রটি (ক) আর্য মিটারের পরিচিতি হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছিল। (খ) প্রচুরসংখ্যকে একসঙ্গে সংরক্ষণ করার জন্য তিনি আবিষ্কার করছিলেন গীতি মিটার, এটি সংখ্যাগুলোকে অক্ষরের মাধ্যমে উপস্থাপন করত। পরবর্তী ৯টি সূত্রে (গীতি মিটারে) প্রাচীন ভারতবর্ষের বিভিন্ন সময়ের বিস্তারিত বিবরণ অর্থাৎ যুগ, মনু, কল্প, দূরত্ব পরিমাপক যোজনা এবং জ্যোতির্বিজ্ঞানে তার গঠনমূলক স্থিতিমাপকে তুলে ধরা হয়েছে। দশ-সূত্র বিশিষ্ট দশগীতিকায় ত্রিকোণমিতির সাইন ফাংশনের একটি তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। (গ) এই অধ্যায়টির সর্বশেষ সূত্রটিতে জ্যোতির্বিজ্ঞানের গুরুত্বের ওপর জোর দেয়া হয়েছে। গণিতের অধ্যায়টি ৩৩টি সূত্র নিয়ে গঠিত হয়েছিল। সেগুলোকে নিম্নে আলোচনা করা হলো-

(ক) পাটিগণিতবিষয়ক ৭টি সূত্র। যেমন-বর্গমূল, ঘনমূল, দশমিক এবং এই তিন বিষয় সংক্রান্ত নিয়মাবলি।
(খ) পরিমিতি এবং জ্যামিতি সংক্রান্ত ১২টি সূত্র। যেমন-ত্রিভূজ, ট্রাপিজিয়াম, বৃত্ত এবং কোনো সমতলভূমির ক্ষেত্রফল, গোলকের ক্ষেত্রফল, পিরামিড এবং গোলকের আয়তন, পাই এর মান নির্ণয়, গোলক, ত্রিভুজ এবং চতুর্ভুজ নির্মাণ, পীথাগোরাসের সূত্র, জ্যা-এর দৈর্ঘ্য, ছায়া সংক্রান্ত সমস্যা।

(গ) ত্রিকোণমিতির ২টি সূত্র। যথা- সাইন ফাংশনের মান নির্ধারণ এবং সাইন-ডিফারেন্সের সারণি।
(ঘ) বীজগণিতের ১২টি সূত্র। সমান্তর প্রগতি, ঘাতবিশিষ্ট ‘এন’ সংখ্যক স্বাভাবিক সংখ্যার বর্গের যোগফল, সাধারণ সংখ্যার ঘনফল এবং সমীকরণগুলো সমাধানের নিয়ম আবিষ্কার করেন। এগুলোই ‘গণিতপাদ’ অধ্যায়ের লক্ষ্যণীয় বিষয়। তৃতীয় অধ্যায়ে অর্থাৎ কলাক্রিয়াপাদ ২৫টি সূত্র দ্বারা গঠিত। আর্যভট্ট এখানে সময়ের বিভিন্ন এককের কথা উল্লেখ করেছেন। সেগুলো হলো- যুগ, সৌরবছর, চান্দ্রমাস, নাক্ষত্র দিবস, সৌর দিবস, পঞ্জিকা, নাদি (ঘটিস) এবং ভিনাদিকা (ভিঘটিকা)-এর মাধ্যমে একটি দিনকে বিভিন্ন সময়ে ভাগ করেছিলেন।
সর্বশেষ অধ্যায় অর্থাৎ গোলাপাদ ৪৮টি সূত্র দ্বারা গঠিত। সংস্কৃত ভাষায় রচিত মূল আর্যভট্টীয় শাস্ত্রটির ৫টি সংস্করণ প্রকাশিত হয়েছিল। এছাড়াও ইংরেজি ভাষায় ৪টি, হিন্দিতে ৩টি, মারাঠিতে ১টি এবং তেলগু ভাষায় ১টি সংস্করণ প্রকাশিত হয়েছিল। ৫২৫ খ্রিস্ট-পূর্বাব্দ থেকে ১৮৫৪ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত ‘আর্যভট্টীয়’-এর ওপর ব্যাখ্যামূলক এক ডজন গ্রন্থ লেখা হয়েছিল। এটি ছিলো বিজ্ঞানবিষয়ক ঐতিহাসিকদের কাছে এক অমূল্য সম্পদ। ভারতীয় জ্যোতির্বিজ্ঞানে আর্যভট্টের ভূমিকা অপরিসীম। তাঁর জ্যোতির্বিজ্ঞান সংক্রান্ত গবেষণা পৃথিবীর আবর্তন গতি, পুরাণ শাস্ত্রের অমাঙ্গলিক রাহু-কেতুকে উপেক্ষা করে চন্দ্র এবং সূর্য গ্রহণের কারণ সম্পর্কে যৌক্তিক ব্যাখ্যা জনসমক্ষে প্রকাশ, নতুন যুগের সূচনা সম্পর্কিত এবং গ্রহদের কক্ষপথভিত্তিক গতি তত্ত্ব প্রভৃতি বিষয় নিয়ে গঠিত।

আর্যভট্টের শ্লোকে বলা হয়েছে- পৃথিবীর অবস্থান মহাশূন্যের কেন্দ্রে। মহাশূন্যে বিভিন্ন গ্রহের কক্ষপথ পৃথিবীকে ঘিরে রয়েছে। সেই সময়ে বিশ্বের অন্যান্য দেশগুলোতেও গ্রহের গতিতত্ত্ব নিয়ে চর্চার প্রচলন ছিলো। সাং-সু কাও-লিং-আও চাইনিজ ভাষায় পৃথিবীর নিজ কক্ষপথ বরাবর আর্বতনের কথা লিখেছিলেন। তাঁর ভাষায়, ‘পৃথিবী সর্বদা ঘূর্ণমান। ঠিক যেমন একজন ব্যক্তি চলন্ত নৌকার ওপর বসে আছে; কিন্তু ব্যক্তিটির হুঁশ ছাড়াই নৌকাটি এগিয়ে চলছে।’ ৩৭০-৫০ খ্রিস্ট-পূর্বাব্দে নেউগেবাউয়ার ক্লিওমেডিস গ্রহের গতিতত্ত্বকেচলন্ত নৌকায় উপস্থিত ব্যক্তিটির গতি অথবা কুমোরের চাকায় থাকা পিঁপড়ের সঙ্গে তুলনা করেছিলেন। তাঁর এই কল্পিত কথাগুলোকে প্রতিষ্ঠা করার জন্য তিনি বহুসংখ্যক প্রাচীন সাহিত্যকে রেফারেন্স হিসেবে জনসমক্ষে প্রদর্শন করেছিলেন।

আল-বিরুণীর মতে, ব্রহ্মগুপ্তও এই কুমোর চাকাকে তাঁর ব্যাখ্যায় উপস্থাপন করেছিলেন- ‘কিন্তু গ্রহগুলো খুব ধীরগতিতে পূর্ব দিক বরাবর ঘোরে, ঠিক যেন কুমোরের চাকায় আটকে থাকে বিপরীত দিকে ঘূর্ণমান ধূলিকণার মতো।’ এই কণাগুলোর গতি চাকাটির ঘূর্ণের গতির সঙ্গেই শনাক্ত করা হয়েছিল। এককভাবে গতি নির্ধারণ করা হয়নি। এই কথার সঙ্গে লতা, আর্যভট্ট এবং বশিষ্ঠ সহমত পোষণ করেছিলেন; কিন্তু কিছু মানুষ বিশ্বাস করতেন- ‘সূর্য যখন বিশ্রাম নেয়, তখনই পৃথিবীর আবর্তন শুরু হয়।’ এইভাবেই গ্রহের গতিতত্ত্ব বিষয়ে আর্যভট্ট তাঁর পূর্বগামী ব্যক্তি দ্বারা প্রভাবিত হন এবং তিনি পৃথিবীর আবর্তন গতি নিয়ে চিন্তা-ভাবনা করতে শুরু করেন। ‘পৃথিবীর নিজ কক্ষপথ বরাবর সূর্যের চারদিকে আবর্তন করে’-ধারণাটিকে তিনি ভারতবর্ষে প্রতিষ্ঠিত করতে ব্যর্থ হলেন। পরবর্তীকালে নিকোলাস কোপারনিকাস নামের এক জ্যোতির্বিজ্ঞানী- গ্যালিলিও,  টলেমী এবং অ্যারিস্টটলের প্রচলিত ধারণাকে কুঠারাঘাত করে এই বিষয়টিকে শাস্ত্রের মাধ্যমে পুনরায় প্রতিষ্ঠা করার জন্য তৎপর হয়েছিলেন, ফলে তাঁদেরকে ক্ষমতাশালী ধর্মযাজকদের রোষানলে পড়তে হয়েছিল।

আর্যভট্ট তাঁর শাস্ত্রে নক্ষত্রদিবস এবং সৌরদিবসের মধ্যে সূক্ষ্মতম পার্থক্যটি তুলে ধরেছিলেন। এমনকী সৌরবছর নির্ণয়ের পদ্ধতিও গাণিতিকভাবে জনসমক্ষে এনেছিলেন। তাঁর সূত্র এবং সিদ্ধান্তগুলোকে কেন্দ্র করেই পরবর্তীকালে পৃথিবীর বিভিন্ন বিজ্ঞানী জ্যোতিষ্কমণ্ডলের গুপ্ত রহস্যগুলোকে উন্মোচন করতে সক্ষম হয়েছে। যদিও আর্যভট্টের মূল পাণ্ডুলিপির অনুসন্ধান এখনো পর্যন্ত পাওয়া যায়নি, তবুও আর্যভট্টের শিষ্য, আর্যভট্টের সমসাময়িক এবং পরবর্তী জ্যোতির্বিদদের শাস্ত্র থেকে বেশ কিছু তথ্য জানা সম্ভব হয়েছে, যা ছিলো পরবর্তী প্রজন্মের কাছে গুরুত্বপূর্ণ দলিলসম। আর বাকিটা হয়তো ছায়া হতে হতে একসময় অন্ধকারে মিলিয়ে যাবে কিংবা গ্রহণ কেটে গেলে পুনরায় নতুন আলোর সন্ধান এনে দেবে। সাহসী, যুক্তিবাদী, তেজস্বী এবং প্রতিভাবান মহান ভারতীয় আর্যভট্টকে সম্মান জানাতে ভারতের প্রথম উপগ্রহের নামকরণ করা হয়েছিল আর্যভট্ট। তাঁকে সম্মান জানাতে বিহার সরকার পাটনাতে ‘দ্য আর্যভট্ট নলেজ ইউনিভার্সিটি’ নামক একটি বিশ্ববিদ্যালয় তৈরি করেছে।

মন্তব্য করুন

Epaper

সাপ্তাহিক সাম্প্রতিক দেশকাল ই-পেপার পড়তে ক্লিক করুন

Logo

© 2020 Shampratik Deshkal All Rights Reserved. Design & Developed By Root Soft Bangladesh