আজ খুলছে দোকানপাট-শপিংমল

আজ থেকে সব ধরনের মার্কেট ও দোকানপাট খুলে দেয়া হচ্ছে

আজ থেকে সব ধরনের মার্কেট ও দোকানপাট খুলে দেয়া হচ্ছে

টানা ১১ দিন বন্ধ থাকার পর দোকানপাট, শপিংমল আজ রবিবার (২৫ এপ্রিল) থেকে খুলে দেয়া হচ্ছে।

স্বাস্থ্যবিধি মেনে সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত কেনাকাটার জন্য মার্কেট খোলা রাখার বিষয়ে নির্দেশনা দিয়ে শুক্রবার (২৩ এপ্রিল) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। আজ তা কার্যকর হচ্ছে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের উপসচিব রেজাউল ইসলাম স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ব্যাপক সংখ্যক মানুষের জীবন-জীবিকার বিষয় বিবেচনা করে এ নির্দেশনা জারি করা হলো।

এদিকে চলমান বিধিনিষেধের মধ্যে বাইরে যেতে বিশেষ মুভমেন্ট পাস চালু করেছে পুলিশ। দোকান ও শপিংমলে যেতেও এই মুভমেন্ট পাস নিতে হবে।

দোকান ও শপিংমল খুলতে সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছেন দোকান মালিকরা। তবে প্রথমদিনে স্বাস্থ্যবিধি নিয়ে কিছুটা সংশয় থাকলেও আগামীকাল সোমবার (২৬ এপ্রিল) থেকে শতভাগ স্বাস্থ্যবিধি মেনে দোকান ও শপিংমলে ক্রয়-বিক্রয় চলবে বলে আশা করছেন মালিক সমিতির নেতারা।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির সভাপতি হেলাল উদ্দিন জানিয়েছেন, আশা করছি রবিবার সকাল থেকে দোকানপাট, মার্কেট, শপিংমল খুলে দেয়া হবে। পুরোপুরি স্বাস্থ্যবিধি মেনে দোকান খোলার বিষয়ে মালিকদের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। মার্কেট কমিটিও এ বিষয়ে পদক্ষেপ ও প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। ক্রেতা সাধারণকেও তিনি স্বাস্থ্যবিধি মেনে মার্কেটে আসার অনুরোধ জানান।

তিনি আরো বলেন, ‘যেসব মার্কট বা শপিংমল স্বাস্থ্যবিধি মানবে না, সেগুলো বন্ধ করে দেয়া হবে। স্বাস্থ্যবিধি মানার ক্ষেত্রে কোনো ছাড় দেয়া হবে না।’ মার্কেট খালার সিদ্ধান্ত দেয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন তিনি।

এর আগে গত রবিবার প্রয়োজনীয় সব ধরনের স্বাস্থ্যবিধি মেনে ২২ এপ্রিল থেকে মার্কেট, দোকান ও ক্ষুদ্র ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার দাবি জানায় বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি। একই সাথে তারা শ্রমিক-কর্মচারীদের দুই মাসের বেতন ও বোনাস বাবদ মোট ৯৬ হাজার ৭০৮ কোটি টাকার অর্ধেক ৪৮ হাজার ৩৫৪ কোটি টাকা ঈদের আগে ঋণ প্রণোদনা হিসেবে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের দেয়ার দাবি জানান।

এছাড়া দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক অচলাবস্থা দূর করার লক্ষ্যে আগামী তিন মাসের মধ্যে পুরো দেশকে ভ্যাকসিনেশনের আওতায় আনারও দাবি জানান তারা।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ উদ্বেগজনক হারে বাড়তে থাকায় এর আগে গত ৫ এপ্রিল ভোর ৬টা থেকে ১৪ এপ্রিল ভোর ৬টা পর্যন্ত বিধিনিষেধ ছিল। তবে গণপরিবহন, মার্কেট খোলা রেখে এই লকডাউন ছিল অনেকটাই অকার্যকর।

এরপর গত ১৪ এপ্রিল ভোর ৬টা থেকে আটদিনের কঠোর লকডাউন শুরু হয়। লকডাউনের মধ্যে দোকান-শপিংমল বন্ধ রাখাসহ ১৩টি নির্দেশনা দেয় সরকর। সেই মেয়াদ শেষ হয় গত বুধবার (২১ এপ্রিল) মধ্যরাতে। তবে করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়ায় লকডাউনের মেয়াদ আগামী ২৮ এপ্রিল মধ্যরাত পর্যন্ত বাড়ানো হয়।

মন্তব্য করুন

Epaper

সাপ্তাহিক সাম্প্রতিক দেশকাল ই-পেপার পড়তে ক্লিক করুন

Logo

ঠিকানা: ১০/২২ ইকবাল রোড, ব্লক এ, মোহাম্মদপুর, ঢাকা-১২০৭

© 2021 Shampratik Deshkal All Rights Reserved. Design & Developed By Root Soft Bangladesh