পাবনায় আ.লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ২০

পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলায় আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে ২০ জন আহত হয়েছেন। এদের মধ্যে আশঙ্কাজনক অবস্থায় দুইজনকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকালে পৌর আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে মিন্টু গ্রুপ ও ইসা গ্রুপের মধ্যে এ সংঘর্ষ হয়।

প্রত্যক্ষদর্শী, পুলিশ ও দলীয় সূত্রে জানা গেছে, পাবনা-৪ আসনের উপনির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য প্রতিনিধি সম্মেলন আহ্বান করা হয়। সম্মেলনে ঈশ্বরদী পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইসাক আলী মালিথা ও পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ মিন্টুর সাথে বাগবিতণ্ডার সৃষ্টি হয়। এক পর্যায় সংঘর্ষে রূপ নিলে উভয়পক্ষ লাঠিসোটা ও ধারালো অস্ত্রের ব্যবহার করে। এতে উভয় পক্ষের হামলায় অন্তত ২০ জন আহত হয়।

এদের মধ্যে পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ মিন্টু গ্রুপের রনি, লাবু, কালাম, অলি, মতিন, অনিসহ অন্তত ১০জন আহত হয়। এদের মধ্যে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রনি ও লাবুকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এছাড়া পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইসাক আলী মালিথা, বক্কার মালিথা, সজীদ মালিথা, আমিরুল, টিপুসহ ১০জন আহত হয়েছে।

এ ব্যাপারে ঈশ্বরদী পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি মেয়র আবুল কালাম আজাদ মিন্টুকে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, কোন প্রকার উস্কানি ছাড়াই আওয়ামী লীগে অনুপ্রবেশকারীরা এ হামলা চালিয়েছে। কোনো ষড়যন্ত্র নৌকার বিজয় ঠেকাতে পারবে না।

ঈশ্বরদী পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইসাহক আলী মালিথা বলেছেন, পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ মিন্টুর নেতৃত্বেই এ হামলা করা হয়েছে।

এ বিষয়ে ঈশ্বরদী থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ নাসির উদ্দিন আহমেদ জানান, এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে। কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এসএম কামাল হোসেন ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু এমপিকে ফুল দেয়া নিয়ে মতবিরোধের কারণে পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সেক্রেটারির মধ্যে সৃষ্ট দ্বন্দ্ব সংঘর্ষে রূপ নেয়। এখনো কেউ অভিযোগ দায়ের করেননি।

মন্তব্য করুন

Epaper

সাপ্তাহিক সাম্প্রতিক দেশকাল ই-পেপার পড়তে ক্লিক করুন

Logo

© 2020 Shampratik Deshkal All Rights Reserved. Design & Developed By Root Soft Bangladesh