পাবনা-৪ আসনে উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ চলছে

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

পাবনা-৪ (ঈশ্বরদী-আটঘরিয়া) আসনের উপনির্বাচনের ভোটগ্রহণ চলছে। আজ শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে।

সামাজিক দূরত্ব বজাই রেখে সারিবদ্ধভাবে ভোটাররা লাইনে দাঁড়িয়ে স্বাচ্ছন্দে ভোট দিচ্ছেন।

উপনির্বাচনে মুক্তিযোদ্ধা ও ঈশ্বরদী উপজেলার তিনবারের নির্বাচিত উপজেলা চেয়ারম্যান নুরুজ্জামান বিশ্বাস (নৌকা), বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান হাবিব (ধানের শীষ) এবং জাতীয় পার্টির রেজাউল করিম (লাঙল) প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

এরআগে প্রার্থীদের প্রচার-প্রচারণা গত বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে শেষ হয়েছে। এরই মধ্যে নির্বাচনী এলাকায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।

তিলকপুর ভোটকেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার আব্দুস সোবহান জানান, তারা আগের দিন বিকেলেই ভোটকেন্দ্রে ব্যালট পেপার ছাড়া সব সরঞ্জামাদিসহ পৌছাঁয়। এরপর ব্যালট পেপার পৌঁছানো হয়েছে আজ সকালে।


রাজশাহীর অতিরিক্ত আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা সাইদুর রহমান জানান, প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে পুলিশের পাশপাশি আনসার সদস্যরাও দায়িত্ব পালন করছেন। নির্বাচনী এলাকায় র্যাব-বিজিবি টহলের পাশপাশি নির্বাহী ও জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে চলছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। সামাজিক দূরত্ব মেনে ভোটকেন্দ্র লাইনে দাঁড়ানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। নির্বিঘ্নে ও নিশ্চিন্তে ভোটাররা তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন।

বৃহস্পতিবার প্রচার-প্রচারণার শেষ দিনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বিশ্বাস, বিএনপি মনোনীত প্রার্থী হাবিবুর রহমান হাবিব এবং জাতীয় পার্টি মনোনীত প্রার্থী রেজাউল করিম ব্যস্ত সময় কাটান। সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত তারা শহর-গ্রামের অলিগলি চষে বেড়ান। তাদের পক্ষে নেতাকর্মী-সমর্থকরাও প্রচার চালান।

ইসি সূত্র জানায়, পাবনা-৪ আসনটি ঈশ্বরদী ও আটঘরিয়া- এই দুই উপজেলা, দুইটি পৌরসভা ও ১২টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত। এই আসনে মোট ভোটকেন্দ্র ৮৪টি, মোট ভোটার তিন লাখ ৮১ হাজার ১১২ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার এক লাখ ৯১ হাজার ৬৯৭ জন, নারী ভোটার এক লাখ ৮৯ হাজার ৪১৫ জন।

সাবেক ভূমিমন্ত্রী শামসুর রহমান শরীফ ডিলু মারা যাওয়ায় পাবনা-৪ (আটঘরিয়া-ঈশ্বরদী) আসন শূন্য ঘোষণা করা হয়। গত ২ এপ্রিল তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।

পাবনা জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আব্দুল লতিফ শেখ বলেন, পাবনা-৪ আসনের উপনির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সব ধরনের প্রস্তুতি শেষ করেছে নির্বাচন কমিশন। নির্বাচনে যেন কোনো ধরনের সহিংসতা না ঘটে ও ভোটাররা যেন নির্বিঘ্নে ভোট কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিতে পারেন, সেজন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোর নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

১৯৯৬ সাল থেকে টানা ২৫ বছর আসনটি রয়েছে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের দখলে। অপরদিকে দলীয় গ্রুপিংয়ের কারণে আসনটি বারবারই অধরা থেকে গেছে বিএনপির।

মন্তব্য করুন

Epaper

সাপ্তাহিক সাম্প্রতিক দেশকাল ই-পেপার পড়তে ক্লিক করুন

Logo

© 2020 Shampratik Deshkal All Rights Reserved. Design & Developed By Root Soft Bangladesh