তাহিরপুরে সীমান্ত আধিপত্য বিস্তার নিয়ে সংঘর্ষে আহত অর্ধশত

ছবি: সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি

ছবি: সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি

সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলা সীমান্তে আধিপত্য বিস্তার করা নিয়ে দুইপক্ষের মধ্যে দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে অর্ধশত আহত হয়েছে।

গতকাল বুধবার (১৪ এপ্রিল) উপজেলার শ্রীপুর উত্তর ইউনিয়নের বালিয়াঘাট গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।  

গুরুতর আহত উভয়পক্ষের ১৫ জনকে তাহিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। তারা হলেন- তারাব আলী (৪৫), শিমুল মিয়া (২১), শিরিন মিয়া (৪৫), আলাউদ্দিন (৪০), জাফর আলী (৩০), শহিদ মিয়া (২৫), সাইবুল (৩৫), হাবিবুর (৩০), জসিম মিয়া (২৬), আলাউদ্দিন (৩০), আবুল হোসেন (৩৫), অজুদ মিয়া (৩২), কাসেম মিয়া (২৭), আব্দুল্লাহ (২০), আশিকনুর (৩৮) ও আফল আলী (২৭)। 

বাকীদের প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা দেয়া হয়েছে। বর্তমানে দুইপক্ষের লোকজনের মধ্যে পরিস্থিতি উত্তেজনা বিরাজ করছে। 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার শ্রীপুর উত্তর ইউনিয়নের বালিয়াঘাট গ্রামের আমির আলী ও একই গ্রামের উমর আলীর লোকজনের মধ্যে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। গত মঙ্গলবার সকালে উমর আলীর ভাতিজা শিমুল মিয়া ও আমির আলীর চাচাতো ভাই হাবিব মিয়ার মধ্যে পাটলাই নদীতে নৌকার মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়। সন্ধ্যায় এ বিষয়টিকেই কেন্দ্র করে আবার বালিয়াঘাট নতুন বাজারে দুইপক্ষের লোকজনের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া হয়। 

এরই জের ধরে বুধবার সকালে উভয়পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে বালিয়াঘাট গ্রামের সামনে ফের সংঘর্ষে জড়িয়ে পরে। এতে উভয়পক্ষের অর্ধশত মানুষ আহত হয়েছে। সংবাদ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। বিকেলে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স আহতদের চিকিৎসা দিয়ে ভর্তি করা হয়। 

পরে আহতদের দেখতে আসেন তাহিরপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও জেলা বিএনপি সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুজ্জামান কামরুলসহ নেতা কর্মীরা।

তাহিরপুর থানার ওসি আব্দুল লতিফ তরফদার জানান, পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেছে। এখনো থানায় কেউ লিখিত অভিযোগ দায়ের করেনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। পরিস্থিতি এখন শান্ত রয়েছে।

মন্তব্য করুন

Epaper

সাপ্তাহিক সাম্প্রতিক দেশকাল ই-পেপার পড়তে ক্লিক করুন

Logo

ঠিকানা: ১০/২২ ইকবাল রোড, ব্লক এ, মোহাম্মদপুর, ঢাকা-১২০৭

© 2021 Shampratik Deshkal All Rights Reserved. Design & Developed By Root Soft Bangladesh