সিলেটে সুরমা-কুশিয়ারা নদীর পানি বিপৎসীমার ওপরে

বৃষ্টি আর উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে সিলেটের নদ-নদীগুলোর পানি বেড়েই চলেছে। প্রধান দুই নদী সুরমা ও কুশিয়ারার পানি এখন বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানি বৃদ্ধির কারণে সিলেটের ফসলি জমি তলিয়ে গেছে। জেলার নিম্নাঞ্চল তলিয়ে চরম দুর্ভোগে পড়েছে মানুষজন।

আজ বরিবার (১৫ মে) সকালে নদীগুলোর পানিসীমার সর্বশেষ তথ্য জানিয়েছে সিলেট পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)।

সকাল ৯টায় সুরমা নদীর পানি কানাইঘাট পয়েন্টে বিপৎসীমার ১ দশমিক ২২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। যা গতকালের চেয়ে বেশি। শনিবার সন্ধ্যায় সিলেট পয়েন্টে পানি ছিল ১০ দশমিক ৫১ সেন্টিমিটার। আজ সকালে পানিসীমা দাঁড়িয়েছে ১০ দশমিক ৬২ সেন্টিমিটার।

কুশিয়ারা নদীর পানি আমলশিদ পয়েন্টে আজ সকালে বিপৎসীমার ৯৮ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। এ নদীর পানি শেরপুর পয়েন্টে বেড়েছে। যা শনিবার সন্ধ্যায় এ পয়েন্টে পানিসীমা ছিল ৬ দশমিক ৭০ সেন্টিমিটার, আজ সকাল ৯টায় পানিসীমা হয় ৭ দশমিক ৭৩ সেন্টিমিটার।

ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্টেও পানি বেড়েছে। এখানে শনিবার সন্ধ্যায় পানিসীমা ছিল ৮ দশমিক ০৯ সেন্টিমিটার; যা রবিবার সকালে পানিসীমা দাঁড়ায় ৮ দশমিক ৫০ সেন্টিমিটার।

এদিকে গোয়াইনঘাটের সারি নদীর পানি বিপৎসীমার ০.৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

পানি বৃদ্ধির কারণে সিলেটের গোয়াইনঘাট, জৈন্তাপুর, কানাইঘাট, কোম্পানীগঞ্জ ও জকিগঞ্জ উপজেলার নিম্নাঞ্চলগুলো তলিয়ে গেছে। বিভিন্ন জায়গায় উপজেলা সদরের সাথে যোগাযোগের প্রধান সড়কগুলো এখন পানির নিচে। শত শত ফসলি জমি ডুবে আছে।

সিলেটের পাঁচ উপজেলায় বন্যার্ত মানুষের জন্য ৭৯ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দিয়েছে জেলা প্রশাসন।

Ad

মন্তব্য করুন

Epaper

সাপ্তাহিক সাম্প্রতিক দেশকাল ই-পেপার পড়তে ক্লিক করুন

Logo

ঠিকানা: ১০/২২ ইকবাল রোড, ব্লক এ, মোহাম্মদপুর, ঢাকা-১২০৭

© 2022 Shampratik Deshkal All Rights Reserved. Design & Developed By Root Soft Bangladesh

// //