গাইবান্ধায় প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ

গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার কঞ্চিপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রওশনা ইয়াছমিনের বিরুদ্ধে বিদ্যালয়ের গাছ কর্তন ও অবৈধভাবে ম্যানেজিং কমিটি গঠনের একটি লিখিত অভিযোগ ফুলছড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসারের (ইউএনও) বরাবরে দাখিল করা হয়েছে।

গত ১৪ জানুয়ারি এলাকাবাসীর পক্ষে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন আশরাফুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তি।

প্রাপ্ত অভিযোগে জানা যায়, কঞ্চিপাড়া ১নং সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রওশনা ইয়াসমিনসহ বর্তমান এস.এম.সির সভাপতি রেদোয়ান আশরাফ (পলাশ) কমিটির মিটিং ছাড়া যোগসাজশে অত্র প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরে ২-৩ টি গাছ কর্তন করে। বর্তমানে ২টি মেহগনি গাছের ডালপালা ও গাছের অর্ধেক অংশ কর্তন করেছে। যার ফলে প্রকৃতির ভারসাম্য দেশের পরিবেশ বিনষ্ট হচ্ছে।

এলাকাবাসী গাছ কাটার কাজে বাধা দিলে প্রধান শিক্ষক অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে।

জমির দাতাকে বাদ দিয়ে এসএমসির সভাপতি প্রধান শিক্ষক তার আপন ভাইকে সভাপতি পদে অধিষ্ঠিত করেছেন।। ফলে জনগণের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রওশনা ইয়াছমিন বলেন, যথাযথ নীতিমালা অনুসরণ করে ম্যানেজিং কমিটি গঠন করা হয়েছে। গাছ কর্তনের বিষয়টি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।

বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি রেদোয়ান আশরাফ পলাশ বলেন, সকল নিয়ম মেনে আমি এই বিদ্যালয়ের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছি। গাছ কর্তনের বিষয়টি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। কিছু শুকনা ডালপালা যা শিক্ষার্থীদের জন্য বিপদ জনক ছিল বিধায় তা ছেঁটে ফেলা হয়েছে। তবে স্কুলের আসবাব পত্রের জন্য যদি কখনো গাছ কর্তনের প্রয়োজন হয় তাহলে রেজুলেশনের মাধ্যমে যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে কর্তন করা হবে।

ফুলছড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আনিছুর রহমান বলেন, এ ব্যাপারে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগের যথাযথ গুরুত্ব বিবেচনা করে উপজেলা শিক্ষা অফিসারকে তদন্তের দায়িত্ব প্রদান করেছি।তদন্তে সত্যতা পাওয়া গেলে পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সাম্প্রতিক দেশকাল ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

Ad

মন্তব্য করুন

Epaper

সাপ্তাহিক সাম্প্রতিক দেশকাল ই-পেপার পড়তে ক্লিক করুন

Logo

ঠিকানা: ১০/২২ ইকবাল রোড, ব্লক এ, মোহাম্মদপুর, ঢাকা-১২০৭

© 2023 Shampratik Deshkal All Rights Reserved. Design & Developed By Root Soft Bangladesh

// //